বৈশাখী রান্নার রেসিপি

১লা বৈশাখ বাংলা ও বাঙালির একটি বিশেষ ঐতিহ্য। এটি আমাদের জন্য ভীষণ উৎসবমুখর একটি দিন। এ দিনে আমরা ছোট -বড়,নারী -পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকে বিভিন্ন উৎসব উৎযাপন করে থাকি এবং নানা ভাবে ও নানা রঙে সেজে থাকি। পাশাপাশি ১লা বৈশাখে আমরা প্রত্যেকেই ঘরে কমবেশি বাঙালি খাবার রান্না করে থাকি,যেমন-পান্তাভাত,ইলিশ ভাঁজা,বিভিন্ন ধরণের ভর্তা ইত্যাদি অন্যতম। তাই বৈশাখ উপলক্ষে আপনাদের জন্য উপস্থাপন করলাম কিছু মজার মজার বৈশাখী রান্নার রেসিপি।

প্রেসার কুকারে ইলিশ রান্না

উপকরণ পরিমাণ :

* ইলিশ মাছ ১টি

* পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ

* তেল ১/৪ কাপ S

* হলুদগুঁড়া ১ চা -চামচ

* মরিচগুঁড়া ২ চা -চামচ

* জিরাগুঁড়া ১ চা -চামচ

* কাঁচামরিচ ৮/১০ টি

* লবণ স্বাদমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

প্রথমে আস্ত অবস্থায় মাছটিকে ভেতরে ও বাইরে ভালো করে পরিষ্কার করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। তারপর সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে আস্ত মাছের মধ্যে ভালো করে মেখে নিন যেন কোনো অংশ বাদ না থাকে। এরপর কমপক্ষে ২ ঘন্টা বা সারারাত মাছটিকে মেরিনেটের জন্য ফ্রিজে নরমাল তাপমাত্রায় ঢেকে রেখে দিন। এবার মেরিনেট করা মাছটিকে প্রেসার কুকারে বসিয়ে এমনভাবে পানি দিন যেন মাছটি পানির মধ্যে ডুবে থাকে। এখন চুলায় বসিয়ে প্রথম আধা ঘন্টা পুরো আঁচে রান্না করুন এবং পরের আধা ঘন্টা মৃদু আঁচে রান্না করুন। রান্না হয়ে গেলে মাছটি খুব সাবধানে বের করে ওভেনের ট্রেতে রাখুন। প্রেসার কুকারে যদি আস্ত মাছ না ধরে তাহলে মাঝ বরাবর দু ভাগ করে নেবেন। মাছ তোলার পর ঝোল কিছুটা ঘন করে মাছের উপর দিয়ে ছড়িয়ে দিন। এরপর ওভেন ২০০ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রায় প্রিহিট করে মাছটি ১৫ -২০ মিনিট বেইক করে নিন। এরপর পোলাও বা সাদা ভাতের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার এই রান্নাটি।

* প্রেসার কুকারে যেকোনো মাছ এভাবে রান্না করলে মাছের কাঁটা একদম নরম হয়ে যায় এবং কাঁটা বাছার দরকার হয়না খাওয়ার সময়। যারা মাছের কাঁটা বাছার ভয়ে বিশেষ করে মাছ খেতে চান না,তারা বাড়িতে অবশ্যই এভাবে রান্না করে দেখতে পারেন।

* ৫০০ গ্রাম বা তার কম ওজনের ইলিশকে জাটকা বলা হয়,যা খাওয়া বা ধরা আইনত নিষেধ তাই বড় ও বেশি ওজনের ইলিশ সংগ্রহ করুন।

 

চ্যাপা পিঠা

এটি ময়মনসিংহ গফরগাঁও অঞ্চলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পিঠা।

উপকরণ পরিমাণ :

* চ্যাপা শুঁটকি ৭/৮ টি

* পেঁয়াজ ১ কাপ (মোটা করে কুচি )

* রসুন ১ কাপ (মোটা করে কুচি )

* কাঁচামরিচ ৮/১০ টি

* লবণ স্বাদমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

প্রথমে শুটকি পানিতে ভিজিয়ে রেখে মাথা ফেলে পরিষ্কার করে নিতে হবে। একটি প্যানে সামান্য তেল দিয়ে পেঁয়াজ, রসুন ও কাঁচামরিচ অল্প আঁচে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিতে হবে তবে কেউ চাইলে কাঁচামরিচের পরিবর্তে শুকনো মরিচও দিতে পারেন। এরপর শুটকি দিয়ে আবার ভাজুন এবং লবণ মিশিয়ে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে এলে হাত দিয়ে মেখে নিন বা পাটায়ও বেটে নিতে পারেন।

ডো তৈরির উপকরণ :

* চালের গুঁড়া ২ কাপ

* পানি পরিমানমতো

* লবণ স্বাদমতো।

ডো তৈরির পদ্ধতি :

পানির সাথে লবণ মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর পানির মধ্যে চালের গুঁড়া দিয়ে রুটির খামির বা ডো যেভাবে করে সেরকম করে ডো তৈরী করে নিন এবং ঠান্ডা হলে ময়ান করে নিন।

পিঠা তৈরির পদ্ধতি :

ডো দিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে হাতের তালুতে নিয়ে রুটির মতো চ্যাপ্টা করে গোলাকৃতির করে নিন। এরপর একটা রুটির উপর ভর্তার পুর দিয়ে অন্য একটি রুটি দিয়ে চেপে দিন এবং দুই আঙ্গুল দিয়ে চেপে চারিদিক ভালো করে মুড়ে দিন। সব বানানো হয়ে গেলে চুলায় তাওয়া গরম করে দুইপাশ মৃদু আঁচে ভালো করে বাদামি করে সেঁকে নিন এবং পরিবেশন করুন। এটি ঠান্ডা অথবা গরম দুইভাবেই খেতে অসাধারণ।

মুরগির মাংসের ভর্তা 

উপকরণ পরিমাণ :

* মুরগির মাংস সেদ্ধ বা আগের রান্না করা মাংস ১ কাপ

* পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল – চামচ

* ধনে পাতা কুচি ১ টেবিল – চামচ

* শুকনো মরিচ ভাজা পরিমাণমতো

* সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ

* লবণ স্বাদমতো।

 

তৈরির পদ্ধতি :

অল্প লবণ ও হলুদ দিয়ে মুরগির মাংস সেদ্ধ করে নিতে হবে বা রান্না করা মাংস থেকে হাড় আলাদা করে শুধু মাংস নিতে হবে। একটি বাটিতে সব উপকরণ একসঙ্গে নিয়ে ভালো করে সরিষার তেল দিয়ে মেখে নিতে হবে। এরপর এর সঙ্গে রানা বা সেদ্ধ মাংসগুলো ঝুড়ি করে ভালো করে মেখে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে দারুণ মজার মুরগির মাংসের ভর্তা। এটি গরম ভাতের সাথে খেতে ভীষণ মজা।

মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা

উপকরণ পরিমাণ :

* মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ (ছোট টুকরা করে কাঁটা)

* পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ

* ধনে পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ

* শুকনো মরিচ টেলে নেওয়া পরিমাণমতো

* সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ

* লবণ স্বাদমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

মিষ্টি কুমড়া টুকরা করে সেদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর একটি বাটিতে সব উপকরণ একসাথে সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে এতে সেদ্ধ মিষ্টি কুমড়া দিয়ে ভালো করে চটকে মেখে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।

টমেটো ভর্তা

উপকরণ পরিমাণ :

* টমেটো ৫/৬ টি

* পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল -চামচ

* ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল -চামচ

* টালা শুকনোমরিচ ৫/৬ টি

* সরিষার তেল ২ চা -চামচ

* লবণ স্বাদমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

টমেটোগুলো সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে পোড়া পোড়া করে নিতে হবে। তারপর একটি বাটিতে সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে সরিষার তেল দিয়ে মেখে নিয়ে এর মধ্যে পোড়া টমেটোগুলো দিয়ে ভালো করে চটকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে টমেটো ভর্তা।

লাউপাতার ভর্তা

উপকরণ পরিমাণ :

* লাউপাতা ৪/৫ টি

* চ্যাপা শুটকি ৫/৬ টি

* পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল -চামচ

* রসুন কুচি ২ টেবিল -চামচ

* ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল -চামচ

* কাঁচামরিচ ৮/১০ টি

* লবণ পরিমাণমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

লাউপাতা ছাড়া বাকি সব উপকরণ হামান দিস্তায় ভালো করে থেতে নিন। এবার একটি করে লাউপাতা নিয়ে এর মধ্যে কিছুটা থেঁতানো মিশ্রণ নিয়ে খিলিপানের মতো করে সবগুলো পেঁচিয়ে ভাঁজ করে নিন। মাঝে একটি টুথপিক দিয়ে আটকে দিতে পারেন যেন খুলে না যায়। একটি পাত্রে ৩/৪  ভাগ পানি নিয়ে চুলায় বসান এবং পানি ফুটে উঠলে এর উপরে ঝাচে প্যাচানো  লাউপাতাগুলো এক এক করে দিয়ে ভালো করে ভাপিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে পাটায় বেঁটে মিশিয়ে নিন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল লাউপাতার ভর্তা।

ঢেঁড়স ভর্তা

উপকরণ পরিমাণ :

* ঢেঁড়স বা ভেন্ডি ১০/১২ টি (কঁচি ঢেঁড়স)

* পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ

* শুকনোমরিচ টালা ৫/৬ টি

* চিনি সামান্য (স্বাদ বাড়ানোর জন্য)

* লবণ স্বাদমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

প্রথমে ঢেঁড়সগুলো সামান্য পানি ও এক চিমটির মতো চিনি দিয়ে ভাপিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি বাটিতে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে এর মধ্যে ভাপানো ঢেঁড়স দিয়ে ভালো করে মেখে নিন। তারপর গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

তিল দিয়ে ঢেঁড়সের সবজি

উপকরণ পরিমাণ :

* বেগুন আধা কেজি (লম্বা কালো বেগুন )

* কঁচি ঢেঁড়স ২৫০ গ্রাম

* তিল ৩ টেবিল -চামচ (পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে )

* পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ

* আদা বাটা ১ চা -চামচ

* রসুন বাটা ১ চা -চামচ

* ধনেগুঁড়া ২ চা -চামচ

* জিরাগুঁড়া ১ চা -চামচ

* টমেটো কুচি দের কাপ

* ধনেপাতা কুচি আধা কাপ

* কাঁচামরিচ ফালি ৪ টি

* তেল আধা কাপ

* লবণ পরিমাণমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

বেগুন লম্বা ফালি করে কেঁটে ১ চা -চামচ লবণ দিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন যেন বেগুনের কালো পানি বের হয়ে যায়। ঢেঁড়স ভালো করে ধুয়ে বোঁটা ও মাথা কেঁটে আস্ত আস্ত রেখে দিন। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে এর মধ্যে  একে একে আদা বাটা,রসুন বাটা,ধনেগুঁড়া ও জিরাগুঁড়া দিয়ে অল্প অল্প পানি দিয়ে কষাতে থাকুন। কষানো হয়ে গেলে বেগুন ও ঢেঁড়স দিয়ে আবার কিছুক্ষণ কষান। এবার এক  কাপের তিন ভাগের এক ভাগ পানি দিয়ে দিন। পানি শুকিয়ে এলে টমেটো ও তিল পানি থেকে ছেঁকে দিয়ে দিন। আবার একই পরিমাণে পানি দিয়ে দিন। অল্প আঁচে রান্না করুন এবং একটু পর পর নেড়ে দিন। সেদ্ধ হয়ে গেলে ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ ফালি  দিয়ে ২/৩ মিনিট পর নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন।

দম মরিচ খাসির মাংস

উপকরণ পরিমাণ :

* খাসির মাংস (চাপ) ১ কেজি

* পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ

* আদা বাটা ১ টেবিল -চামচ

* রসুন বাটা ১ টেবিল -চামচ

* হলুদ গুঁড়া ১ চা -চামচ

* ধনেগুঁড়া ৩ চা -চামচ

* জিরাগুঁড়া ২ চা -চামচ

* সবুজ এলাচ ৫টি

* কালো এলাচ ১টি

* লবঙ্গ ৫টি

* দারুচিনি ১টি (দেড় ইঞ্চির )

* টক দই ৩ কাপ

* ধনেপাতা বাটা আধাকেজি

* কাঁচামরিচ আস্ত ২ কাপ

* চিনি হাফ চা -চামচ

* দেশি ঘি ১ কাপ

* লবণ স্বাদমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ একসঙ্গে মিহি করে বেঁটে নিন। সবুজ এলাচি, কালো এলাচি, লবঙ্গ ও দারুচিনি একসঙ্গে টেলে গুঁড়া করে নিন। দই ভালো করে ফেটে নিন এবং দই দিয়ে খাসির মাংস ভালো করে মেখে মেরিনেটের জন্য চার ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিন। এরপর ফ্রিজ থেকে মাংস বের করে এর মধ্যে সব উপকরণ দিয়ে একসঙ্গে ভালো করে মেখে একটি বড় হাড়িতে মাখানো মাংস ঢাকনা দিয়ে ঢেকে আটা দিয়ে সিল করে দিন। এরপর মৃদু আঁচে দুই ঘন্টা দমে রেখে দিন। হয়ে গেলে গরম ভাত বা পোলাওয়ের সাথে পরিবেশন করুন অসাধারণ দম মরিচ খাসির মাংস।

তন্দুরি তেলাপিয়া

উপকরণ পরিমাণ :

* তেলাপিয়া মাছ ২ টি

* তন্দুরি মসলা ১/২ প্যাকেট

* টক দই ১/২ কাপ

* লেবুর রস ১/২ কাপ

* রেড ফুড কালারিং ১/২ চা -চামচ

* তেল ৩ চা -চামচ

* চিনি স্বাদমতো

* লবণ স্বাদমতো।S

তৈরির পদ্ধতি :

প্রথমে মাছ কেঁটে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। টক দইয়ের সাথে মাছ ছাড়া সব উপকরণগুলো ভালো করে মেখে নিন। এরপর মিশ্রণটি মাছের গায়ে ভালো করে মেখে মেরিনেটের জন্য কমপক্ষে ১ ঘন্টা ফ্রিজে ঢেকে রেখে দিন। তারপর ফ্রিজ থেকে মাছ বের করে রাখুন। মাছের তাপমাত্রা রুম তাপমাত্রায় আসলে প্রিহিটেড ওভেনে প্রথম ২০ মিনিট বেক করুন ১৬০ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় এবং পরের ৪০ মিনিট ১৪০ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় বেক করুন। ১ ঘন্টা বেক করা হলে ওভেন থেকে নামিয়ে পরিবেশন করুন গরম ভাত বা পোলাও দিয়ে দারুণ মজাদার তন্দুরি তেলাপিয়া।

কাঁচাকাঁঠালের জালি কাবাব

উপকরণ পরিমাণ :

* কঁচি কাঁঠাল ১ টি

* ছোলার ডাল ১/৪ কাপ

* ডিম ৪ টি

* পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ

* আদা বাটা ১ চা -চামচ

* রসুন বাটা ১ চা -চামচ

* হলুদ গুঁড়া ১ চা -চামচ

* গরম মসলা গুঁড়া ২ চা -চামচ

* জিরাগুঁড়া ১ চা -চামচ

* আস্ত গরম মসলা পরিমাণমতো

* পুদিনাপাতা বা ধনেপাতা ১/২ কাপ

* কাঁচামরিচ কুচি ৫/৬ টি

* তেল ভাজার জন্য

* লবণ পরিমাণমতো।

তৈরির পদ্ধতি :

কাঁঠালের উপরের কাঁটা অংশ ও বুকের শক্ত অংশ ফেলে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। এবার টুকরো করা কাঁঠালের সঙ্গে আদা বাটা,রসুন বাটা,হলুদ গুঁড়া,আস্ত গরম মসলা,পেঁয়াজ কুচি অর্ধেকটা,১ চা চামচ তেল ও ছোলার ডাল একসঙ্গে দিয়ে সেদ্ধ করে পাটায় মিহি করে বেটে নিন। বাটা কাঁঠালের সঙ্গে একে একে জিরাগুঁড়া,গরমমসলা গুঁড়া,১টি ডিম,পেঁয়াজকুচি বাকিটা,কাঁচামরিচ কুচি ও ধনেপাতা বা পুদিনাপাতা কুচি দিয়ে ভালো করে মেখে কাবাবের আকারে তৈরি করুন। অন্য একটি বাটিতে বাকি ডিমগুলো ফেটিয়ে রাখুন। তারপর মাঝারি আঁচে তেল গরম করে কাবাবগুলো ফেটানো ডিমে চুবিয়ে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে তুলুন। ব্যাস তৈরি  হয়ে গেল কাঁচা কাঁঠালের জালি কাবাব যা খেতে একদম অসাধারণ।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: