
হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:
১৪ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফালগুন। অর্থাৎ বাংলা ক্যালেন্ডারে বসন্ত ঋতু শুরু। যদিও আমেরিকার এই পূর্বাঞ্চলে ক্যালেন্ডারের পাতায় স্প্রিং বা বসন্ত শুরু হবে ১৯ মার্চ। কিন্তু বাঙালিরা হৃদয় ভরে স্মৃতি ও নস্টালজিয়া নিয়ে আমেরিকায় আসেন। শরতের শিউলি ফুল, বর্ষার কদম আর বসন্তের প্রায় সব ফুল সুগন্ধসহ তাদের হৃদয়ে থাকে।
এই বসন্ত এলে তারা উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। নতুন ফুলের মতো হৃদয়ে সৌন্দর্য ঝলমল করে ওঠে। তার আরেকটি কারণ ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে। ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র ইতিহাসে যতই নির্দয়তা থাকুক কেবল এর ভালোবাসার অংশটি আঁজলা ভরে গ্রহণ করেছে বিশ্বব্যাপি মানুষেরা। তবে বেশির ভাগই তরুণ—তরুণী।
এই দিন বাংলা ক্যালেন্ডারে পহেলা ফালগুন, তাই আমেরিকায় বসবাসরত বাঙালিরা এই দিনটিতে বাংলাদেশের মতই বসন্ত উৎসব বা ফাগুন উৎসবের আয়োজন করেন। এদিন তরুণ তরুণীরা হলুদ শাড়ি বা পাঞ্জাবি পরে, বেলি ফুলের মালা দিয়ে খোঁপা সাজিয়ে বসন্ত উৎসব বা ফাগুন উৎসবে যায়। আর আমেরিকানরা এদিন নারী পুরুষ নির্বিশেষে পরেন লাল পোশাক।
এদিন প্রেমিক—প্রেমিকারা পরস্পরকে ভালোবাসার অনুভব আদান—প্রদান করেন। উপহার দেন, হাগ দেন, চুম্বন দেন। কার্ড দেন। অবশ্য এই পুঁজিবাদী সমাজে এই ভালোবাসাকে মুনাফা অর্জনের উপকরণে রূপান্তর করা হয়েছে। এখন ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র অন্যতম করণীয় রেস্টুরেন্টে ডিনার করা। হৃদয়ের আকৃতির কেক থেকে শুরু করে নানা পণ্য বিক্রি। এমন কি বেলুন, ক্যান্ডি, কার্ড ইত্যাদিও। ভ্যালেন্টাইন্স ডে মূলত হৃদয়ে রোমান্টিক অনুভবকে পুনর্নির্মাণ করার দিন। এই ভালোবাসা আর প্রেমিক—প্রেমিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তা পিতা—মাতার, ভাই—বোনের, বন্ধু—বান্ধব, কলিগ, স্বজন সকলের জন্যই।
হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন্স ডে। শুভ ফাগুন। শুভ বসন্ত।
Reporter Name 
























