
আনন্দ মেলা — বইমেলা
কবি ও লেখিকা: গায়ত্রী চক্রবর্তী
নতুন বছরে বইছে ধীরে হিম,
শীতল হাওয়ার খেলা।
মনটা তখন প্রতীক্ষায় থাকে—
কবে আসবে আবার বইমেলা।
প্রতি বছর শীতকালে,
হিমেল হাওয়ার সাথে
বইমেলা আসে।
সাজিয়ে দোকান
নতুন নতুন বই দিয়ে,
মেলা ওঠে যেন ভেসে।
ভরে ওঠে মাঠ—
কবি, সাহিত্যিক, লেখক, দর্শক,
ছোট-বড় পড়ুয়াতে।
নতুন বইয়ের টানে আসে সবাই,
পড়তে, দেখতে, কেনার
অজুহাতে।
দুপুর হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত
বইয়ের দোকান থাকে
সবার জন্য উন্মুক্ত।
কেউ বা পড়ে, কেউ বা দেখে,
কেউ বা কিনে হয়
আনন্দে উৎফুল্ল।
কখনো যদি পরিচয় হয়
নতুন কোনো বিদেশি
বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিকের সাথে—
আহ্লাদে আটখানা হয় মন,
যখন তিনি নেমে আসেন
পুরস্কার হাতে।
বইমেলায় থাকে
সব ধরনের বই—
তার সাথে থাকে আরও
ভূত-প্রেত, দৈত্য-দানবের বই।
ছবি দেখে হাসতে থাকে বাচ্চারা,
যেন সত্যিকারের ভূতের উৎসব।
বইমেলায় শুধু বই নয়—
থাকে বিচিত্র অনুষ্ঠান।
কেউ করে কবিতা পাঠ,
কেউ করে হাস্যকৌতুক,
কেউ বা করে গান।
খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা থাকে,
ভরে থাকে ময়দান।
রকমারি খাবারে
জিভে আসে জল।
বইমেলা চলে গেলে
বুকে থাকে বেদনার অশ্রুজল।
থেকে যায় খালি মাঠ,
থাকে না কবিদের কোলাহল।
✍️ কবির পরিচয়
গায়ত্রী চক্রবর্তী
সাঁতরাগাছি, হাওড়া
তিনি একজন অনুবাদিকা (ইংরেজি, হিন্দি ও বাংলা),
লেখিকা, কবি, মানবাধিকার কর্মী, সমাজসেবী ও সম্পাদক।
তার বেশ কয়েকটি বই বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
রিপোর্টার:
সমরেশ রায় ও শম্পা দাস
কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
Reporter Name 




















