মোছাঃ নাছিমা খাতুন সুলতানা:
নেত্রকোনা জেলা কেন্দুয়া উপজেলার বলাই শিমুল ইউনিয়নের মোঃ কমল উদ্দিন এর মেয়ে মহিলা মেম্বার মোছাঃ মিনা আক্তার কে মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ তুলেছে গ্রামের সাধারণ জনগণ। সূত্রে জানা যায় গত ২৮/৩/২৬ ইং তারিখে ঢাকা থেকে কয়েক জন লোক ছোটে আসে।কেন্দুয়া উপজেলার কবি চন্দ্রপুর গ্রামের ফজলুল হক এর ছেলে মোঃ জুয়েল মিয়া সাথে দেখা করতে। তাদের তথ্য মতে তার কাছে নাকি কয়েক টি স্বর্ণের বার রয়েছে সেই গুলো কিনার জন্য এবং জুয়েল মিয়া সেই বার গুলো তাদের কে দেখার ঢাকা লোক সহ সকলের প্রচন্দ হয়। দরদাম করে কিছু টাকা বায়না দেয়। পরে দিন ঢাকা গিয়ে বাদ বাকী টাকা পরিশোধ করবে। এরপর ঢাকার লোক স্বর্ণ গুলো পরিষ্কার জন্য ফোদার কে দেখালে সে গুলো তামা বলে প্রমাণিত হয়। পরে বাইনার টাকা ফেরত এর জন্য আসলে মোঃ জুয়েল মিয়া সহ তার সহযোগীদের পাওয়া যায়নি। এই ঘটনা শুনে ঢাকা লোকের সাথে মহিলা মেম্বার কথা বার্তা বলছে বিদায় এর জের ধরে মহিলা মেম্বার কে মামলা ফাঁসিয়ে দিয়েছে।
এই নিয়ে পুরো গ্রাম ও এলাকা জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রামবাসী কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন মহিলা মেম্বার এক জন ভাল মানুষ থেকে যে স্বর্ণ বার বিক্রি মামলা দেওয়া হয়েছে তা মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন সত্যের প্রতিবাদ করে বিদায় থাকে ফাঁসানো হয়েছে।সে এই ধরনের কাজে লিপ্ত না।সে সত্য মানুষ বিদায় জনগণ থাকে মহিলা মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। তিনি দিন আনে পান্তা ফুরায় সে এসব কাজে লিপ্ত না। এই বৃত্তি হীন মামলা হাত থেকে মহিলা মেম্বার এর মুক্তি চাই।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সুদৃষ্টি কামনা করছে।ভুক্তভোগী মহিলা মেম্বার পরিবার বর্গ ও গ্রামবাসী। প্রকাশ থাকে যে যারা স্বর্ণের বার কিনতে এসে ছিল মামলার বাদী সহ তারাতো লোভী।কথার বলে না লোভে পাপ পাপে মৃত্যু চলবে... যারা মুক্তি চায় তাদের ছবি সংযুক্ত