মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ
ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মোঃ মতিউর রহমান ওরফে আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে গাঁজা ব্যবসা, জমি দখল, চাঁদাবাজি ও নানা অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মতিউর রহমান এলাকায় গাঁজা সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার কর্মকাণ্ডে এলাকার যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তার বিরুদ্ধে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলার সাহস পান না।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২২-২৩ সালে একই গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে মোঃ আতিকুর রহমানের সাফ কাওলা সূত্রে মালিকানাধীন ১২ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করেন মতিউর রহমান। এ সময় তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে জমিতে অবস্থান নেন। জমির মালিক বাধা দিলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টার অভিযোগও ওঠে।
ঘটনার পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরে জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়রা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন বলে জানা যায়।
গ্রামবাসীর ভাষ্য, মতিউর রহমান দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছেন। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগী জমির মালিক আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, তাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন,
“২০২২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে প্রায় সাতটি মামলা করা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। এখন আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে আশঙ্কা করছি।”
তিনি আরও জানান, বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।