মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠান:
ময়মনসিংহ জেলা গৌরীপুর উপজেলাধীন অচিন্তপুর ইউনিয়নের খালিজুরী গ্রামের মোঃ আবুল ছাত্তার এর মেয়ে মোছাঃ সুমা আক্তার (ভোবা/প্রতিবন্ধী) এক শিশু বাচ্চা ও পাশে বাড়ীর মৃত শাহাবুদ্দিন এর ছেলে দোকান দার মোঃ বিল্লাল মিয়ার বাড়ির এক শিশু বাচ্চা মিলে এক সাথে বাড়ি পাশে বোতল নিয়ে খেলা করছিল।
এক পর্যায় শিশু দুইটি ঝগড়া করে। এর জের ধরে গত ২৭/৩/২৬ ইং তারিখে প্রায় ১টার দিকে শিশুদের ঝগড়া ফিরাতে গিয়ে ভোবা-প্রতিবন্ধী আঘাত পায়। পরে বাড়ি লোকজন দ্রুত থাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সে কার কর্মরত ডাঃ রোগীর চিকিৎসা করে ওই সময় বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এদিকে ভোবা- প্রতিবন্ধী মেয়েটি বাড়িতে থাকা লোকজন হত্যার হিরিক তোলে প্রতিপক্ষ বিল্লাল মিয়ার দোকান সহ বসত বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় বাড়ির মহিলারা ভাংচুর ও লুটপাট এর প্রতিবাদ করলে তাদের কে মারধর ও টানা হেচড়া,কাপড় চোপড় ছেড়ে হেস্ত নেস্ত করে। ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ মামলা নিয়ে যায় সন্ত্রাসীগণ।এই নিয়ে পুরো গ্রাম জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন পূর্বের শত্রুতার জের ধরে দুইটি শিশু বাচ্চা ঝগড়া কে কেন্দ্র করে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা দুঃখ জনক।
এদিকে ভোক্তভোগী দোকানদার বিল্লাল পরিবারবর্গ লোকজন এর সাথে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন,কয়েক দিন হয় আমার বড় দুই ভাই হঠাৎ করে মারা যায়। তাদের পরিবারের লোকজন। বাড়িতে না থাকায় এই দুর্বলতার সুযোগে প্রতিপক্ষ মোঃ সাত্তার সহ তার লোকজন এই তান্ডব চালিয়েছে।এই ঘটনার বিল্লাল ও তার পরিবারবর্গ প্রায় ৯ লাখ টাকা মালা মাল ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বিল্লাল বলেন আমি বিচার চাই, আমি প্রশাসন এর সাহায্যে চাই, আমি জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কাছে যাব সে গিয়ে অপরাধীদের বিচার চাইব। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা... চলবে। যে মহিলাটি হত্যার হিরিক তোলে ছিল তার ছবি সংযুক্ত