মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:
ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর
ছাত্রদলের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হন বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এমবিবিএস পাস করার পর ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাবের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। সংগঠনটির (চট্টগ্রাম জেলা সভাপতির) পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) (চট্টগ্রামের যুগ্ম সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক)ও তিনি। চট্টগ্রাম নগরীর (বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক) ও পরে (সভাপতি) ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম মহানগর (বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের) দায়িত্ব পালন করেন, পরবর্তীতে বিএনপির( চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক)ও করা হয়েছিল ডা. শাহাদাত হোসেনকে। পরে নগর বিএনপির সভাপতি পদ পেতে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি নেন। পরবর্তীতে উনাকে মহানগর বিএনপি'র আহব্বায়ক করা হয়। বিগত স্বৈরাচার আমলে তার বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা হয় এবং তাকে বার বার গ্রেফতার করে কারাগারে রাখা হয়।
চিকিৎসক হিসেবেও সফল ডা: শাহাদাত হোসেন বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি একজন চিকিৎসক হিসেবেও সফল শাহাদাত হোসেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করার পর তিনি ফিজিক্যাল মেডিসিন বিষয়ে এমডি করেন।চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক মোড়ে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে একটি চেম্বার রয়েছে গোল্ড মেডেল পাওয়া ডা. শাহাদাত হোসেনের। চিকিৎসা পেশায় বেশ সুনামও রয়েছে তার। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অফিসিয়াল চিকিৎসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৬৬ সালের ২ জুন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার করলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শাহাদাত হোসেন। তার বাবা প্রয়াত আহমদুর রহমান ও মা শায়েস্তা খানম।
বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র এর দায়িত্ব পালন করছেন।