
হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ
প্রবাসীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন ‘দেশবন্ধু’ রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব এমএ রউফ। খবর আইবিএন নিউজ।
তিনি বলেন, অতীতে প্রবাসীদের অধিকার ও কল্যাণের নামে বিভিন্ন উদ্যোগে অর্থ সংগ্রহের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, তিনি একসময় এমন একটি উদ্যোগে আর্থিক সহযোগিতাও করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে তাঁর মনে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হলে তিনি সেই উদ্যোগ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নেন।
এমএ রউফ বলেন, এরপর তিনি অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা এবং সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকনের সান্নিধ্যে আসেন এবং প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে একটি নতুন, স্বচ্ছ ও নৈতিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানান। তাঁর ভাষায়, অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা মূলত একজন দার্শনিক এবং ব্যক্তিগতভাবে এ ধরনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে আগ্রহী ছিলেন না। তবে প্রবাসীদের স্বার্থে অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি অস্থায়ীভাবে আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণে সম্মত হন।
এর আগে এমএ রউফ সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকনকে সংগঠনের মূল দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানান। এ বিষয়ে সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন এমএ রউফকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মূল দায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা জানান। তবে সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হলে তা সাদরে গ্রহণের সম্মতি দেন এবং এমএ রউফসহ সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
এমএ রউফ আরও বলেন, অতীতের বিভিন্ন সংগঠনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ‘দেশবন্ধু’ রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদকে সম্পূর্ণ চাঁদামুক্ত সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই সংগঠন কোনো বাধ্যতামূলক চাঁদা গ্রহণ করে না; বরং সদস্যদের স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শে পরিচালিত হয়।
তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসার দার্শনিক চিন্তাধারা সংগঠনের নৈতিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য দর্শনের মধ্যে রয়েছে—
এমএ রউফ দেশ-বিদেশের সকল প্রবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, যেকোনো সংগঠনকে আর্থিক সহযোগিতা করার আগে তার উদ্দেশ্য, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের কার্যক্রম নিয়ে যোগাযোগ করেছি। ১৯৫টি দেশের প্রবাসী সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। প্রবাসী হবে না রেমিটেন্স যোদ্ধা হবে— এ বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কয়েকটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে আমি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করে আহ্বান জানিয়েছিলাম। এ কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।”