
ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
ঢাকাস্থ মানিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংগঠনের ৯ম বার্ষিক বনভোজন। সারাদিনব্যাপী এ বনভোজন অনুষ্ঠিত হয় সাভারের বিরুলিয়ায় অবস্থিত উৎসব পার্ক (গোলাপ গ্রাম)-এ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আলমাছ উদ্দিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম খান এবং যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন অ্যাডভোকেট মোঃ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাবেয়া সুলতানা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন। উদ্বোধনী বক্তব্যে সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আলমাছ উদ্দিন সংগঠনের ঐক্য, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মফতেজুর রহমান খান বিবেক।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন—
সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রফেসর কাজী আখতারুজ্জামান, সাবেক ডীন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, সাবেক অধ্যক্ষ, সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, মানিকগঞ্জ ড. মোঃ সাইদুর রহমান সেলিম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষা অনুরাগী আবুল কাশেম খান, সাবেক কর্মকর্তা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় মোঃ আসাদুজ্জামান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অ্যালায়েন্স গ্রুপ এস এম মাহবুব উল আলম বিপ্লব, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পাওয়ার সেল ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে সংগঠনের সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানিকগঞ্জবাসীর ঐক্য ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।
বনভোজনে মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুণী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ছিল মনোমুগ্ধকর চিত্তবিনোদনমূলক আয়োজন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—মহিলাদের পিলোপাচিং, শিশুদের বল নিক্ষেপ, বড়দের বল নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা এবং বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে র্যাফেল ড্র।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট মোঃ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, মোঃ জিসানুর রহমান রনি, আবু মোহাম্মদ জামান লিটন, মোঃ আসাদুল আলম মামুন, অ্যাডভোকেট মোঃ আকবর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল আজিজ, আব্দুল মালেক গ্লাস, মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, রাবেয়া সুলতানা, ফারজানা লিপি, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ সাইফুর রহমান জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট মোঃ মহসিন প্রমুখ।
দিনব্যাপী আনন্দঘন এই বনভোজন পরিণত হয় মিলনমেলায়, যেখানে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
Reporter Name 

























