Dhaka ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
হজ্জসেবা ও জনপ্রতিনিধিত্ব, শিক্ষা ও মানবকল্যান এক অনন্য নাম মাওলানা আবু জাফর ছিদ্দিকী: সততা, সংগ্রাম ও সেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্মার্ট বাংলাদেশ’র পথে তেলের লাইনে বাস্তবতার ধাক্কা ছাতক দোয়ারায় হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ তাহিরপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনে নদীভাঙন, ঘরবাড়ি হুমকিতে কালিয়াকৈর জব্দ করা ঘোড়া থানা থেকে গোপনে বিক্রির ঘটনায় বদলি হলেন ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেল রাজশাহীর টুলি বেগম রাজশাহীতে প্রচন্ড তাপদাহ হৃদয়ের কম্পন ফোনের তথ্য চুরি করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি! নতুন অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যার ‘বিঙ্গোমোড’ নিয়ে সতর্কতা বুড়িচংয়ে এলপি গ্যাসের দামে অসঙ্গতি, সরকারি নির্দেশনা মানছে না কিছু ব্যবসায়ী
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

তেতুলিয়া কৃষকের গমের চাষে  উৎপাদন  খরচও  উঠছে না

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:২৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ১৮ Time View

 

 

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: খাদেমুল ইসলাম,


তেতুলিয়া উপজেলায় গমের ন্যায্য মুল্যে পাচ্ছি না কৃষক। এমনকি গম চাষে উৎপাদন খরচ তুলতে পারছে না তারা । গমে  আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষকেরা।তেতুলিয়া  হাট বাজারে গমের ন্যায্য মূল্যের অভাব ও সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে না পারা এবং কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গম চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কৃষক। গমের স্থলে , ভুট্টা, অন্যান্য ফসলের চাষাবাদে ঝুঁকছেন তারা।

পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ২১ হাজার ১৫৮ হেক্টর জমিতে গমের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আর আবাদ হয়েছে ২০ হাজার ২৪০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে তেঁতুলিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি গম চাষ করা হয় । সেখানে ৬ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছে । বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি মণ গম ১০০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির পূর্বে তেতুলিয়া  অঞ্চল মঙ্গাপীরিত ছিল।

গমের রুটি খেয়ে জীবন ধারণ করত। তাই প্রচুর পরিমাণে গেমের চাষাবাদ দেখা যেত। দিন পরিবর্তন হয়েছে।

 

উত্তরের সীমান্তবর্তী তেতুলিয়া   একসময় গম উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও এখন ক্রমাগত লোকসান হওয়ায় গম চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে অন্য ফসল উৎপাদনে ঝুঁকছেন চাষীরা। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত গম সরকারের খাদ্যগুদামে বিক্রি করতে পারেন না। বাজারে গমের ন্যায্য মূল্য না থাকা ও সরকার নির্ধারিত দরে বিক্রি করতে না পারায় এবং কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়া এমন নানা কারণে দিন দিন গম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন এ অঞ্চলের চাষিরা।

উপজেলার তিরনই হাট কৃষক হাফিজুর রহমান  বলেন, গম চাষ করে লাভ নেই তাছাড়াও বাজারে গমের থেকে মরিচ , ভুট্টা চাহিদা এবং দাম বেশি। সরকারি ভাবেও যথা সময়ে গম কেনা হয় না। খাদ্যগুদামে সরকারিভাবে গম কেনার তালিকায় প্রকৃত কৃষকদের নামও থাকে না। সরকার গম কেনার জন্য দাম নির্ধারণ করে দিলেও এর সুফল পায় সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা। তাই গম চাষে তেমন আগ্রহ নেই কৃষকদের।

আরও পড়ুনঃ  সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজিকে সিটিজেন ফোরাম'র বিদায়ী সংবর্ধনা

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবরিনা আফরিন

বলেন, কৃষকরা সব ধরনের ফসলই চাষ করছেন। তবে গম চাষে কৃষদের আগ্রহ কম। মুলত কৃষকরা যখন উৎপাদিত পণ্যের দাম কম পান তখন একটু সমস্যা হয়। কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

হজ্জসেবা ও জনপ্রতিনিধিত্ব, শিক্ষা ও মানবকল্যান এক অনন্য নাম মাওলানা আবু জাফর ছিদ্দিকী: সততা, সংগ্রাম ও সেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

তেতুলিয়া কৃষকের গমের চাষে  উৎপাদন  খরচও  উঠছে না

সময়: ১০:২৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

 

 

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: খাদেমুল ইসলাম,


তেতুলিয়া উপজেলায় গমের ন্যায্য মুল্যে পাচ্ছি না কৃষক। এমনকি গম চাষে উৎপাদন খরচ তুলতে পারছে না তারা । গমে  আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষকেরা।তেতুলিয়া  হাট বাজারে গমের ন্যায্য মূল্যের অভাব ও সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে না পারা এবং কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গম চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কৃষক। গমের স্থলে , ভুট্টা, অন্যান্য ফসলের চাষাবাদে ঝুঁকছেন তারা।

পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ২১ হাজার ১৫৮ হেক্টর জমিতে গমের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আর আবাদ হয়েছে ২০ হাজার ২৪০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে তেঁতুলিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি গম চাষ করা হয় । সেখানে ৬ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছে । বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি মণ গম ১০০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির পূর্বে তেতুলিয়া  অঞ্চল মঙ্গাপীরিত ছিল।

গমের রুটি খেয়ে জীবন ধারণ করত। তাই প্রচুর পরিমাণে গেমের চাষাবাদ দেখা যেত। দিন পরিবর্তন হয়েছে।

 

উত্তরের সীমান্তবর্তী তেতুলিয়া   একসময় গম উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও এখন ক্রমাগত লোকসান হওয়ায় গম চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে অন্য ফসল উৎপাদনে ঝুঁকছেন চাষীরা। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত গম সরকারের খাদ্যগুদামে বিক্রি করতে পারেন না। বাজারে গমের ন্যায্য মূল্য না থাকা ও সরকার নির্ধারিত দরে বিক্রি করতে না পারায় এবং কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়া এমন নানা কারণে দিন দিন গম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন এ অঞ্চলের চাষিরা।

উপজেলার তিরনই হাট কৃষক হাফিজুর রহমান  বলেন, গম চাষ করে লাভ নেই তাছাড়াও বাজারে গমের থেকে মরিচ , ভুট্টা চাহিদা এবং দাম বেশি। সরকারি ভাবেও যথা সময়ে গম কেনা হয় না। খাদ্যগুদামে সরকারিভাবে গম কেনার তালিকায় প্রকৃত কৃষকদের নামও থাকে না। সরকার গম কেনার জন্য দাম নির্ধারণ করে দিলেও এর সুফল পায় সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা। তাই গম চাষে তেমন আগ্রহ নেই কৃষকদের।

আরও পড়ুনঃ  সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজিকে সিটিজেন ফোরাম'র বিদায়ী সংবর্ধনা

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবরিনা আফরিন

বলেন, কৃষকরা সব ধরনের ফসলই চাষ করছেন। তবে গম চাষে কৃষদের আগ্রহ কম। মুলত কৃষকরা যখন উৎপাদিত পণ্যের দাম কম পান তখন একটু সমস্যা হয়। কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।