মোঃ মাসুম বিল্লাল, স্টাফ রিপোর্টার:
মনিরামপুর উপজেলা-এর ১৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়ন-এর শালিখার বিল এলাকায় মৎস্য ঘেরকে কেন্দ্র করে জোরপূর্বক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে নাদাবী স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া এবং কৃষিজমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এম এ হালিম-এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে স্থানীয়দের আশঙ্কা, পরিস্থিতির অবনতি হলে যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শালিখার বিলের রাস্তার পশ্চিম পাশে কয়েকজন ঘের মালিক কৃষকদের কাছ থেকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে জমি নিয়ে সম্মিলিতভাবে একটি মৎস্য ঘের গড়ে তোলেন। তবে ব্যবসায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার পর ঘের সংশ্লিষ্টরা জমির মালিকদের সঙ্গে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেন।
এ সময় শেখপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুল গফুর ও ফজলুর রহমান অভিযোগ করেন,বাহিরঘরিয়া গ্রামের এম এ হালিমের সহযোগীরা তাদেরকে জোরপূর্বক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। তাদের দাবি, ঘের নির্মাণের নামে কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি এবং ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের কোনো প্রকার ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়নি।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান,প্রস্তাবিত ঘেরের মধ্যে তাদের নিজস্ব কৃষিজমি রয়েছে। তারা জমি ঘেরে দিতে অস্বীকৃতি জানালেও অভিযুক্ত পক্ষ জোরপূর্বক ঘের খননের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তারা সরেজমিন তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঘের খনন কার্যক্রম বন্ধ রাখার দাবি জানান।
পূর্বের ঘের মালিক ইসমাইল হোসেন অভিযোগ করে বলেন,তার জমি জোরপূর্বক দখল করে ঘের নির্মাণের পাঁয়তারা চলছে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়ে এম এ হালিম বিভিন্ন অসংগতিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি গোপন ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে সম্রাট হোসেন বলেন,অভিযোগটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।