নিজস্ব প্রতিবেদক, নরসিংদী:
নরসিংদীতে চালককে গলা কেটে হত্যা করে বিভাটেক (মিশুক) ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে নরসিংদী জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং লুণ্ঠিত বিভাটেক ও চারটি ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মোঃ আনোয়ার হোসেন (২৭), পিতা আবুল হোসেন, সাং হারুয়া, কিশোরগঞ্জ (বর্তমান ঠিকানা: টাওয়াদী, নরসিংদী) এবং আশিক (২১), পিতা কবির হোসেন, সাং বুদিয়ামারা, নরসিংদী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ আনোয়ার হোসেন বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
নিহত সারোয়ার হোসেন (২২) নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার চন্দগাতী গ্রামের হাজি রহমানের ছেলে। তিনি নরসিংদীর টাওয়াদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে বিভাটেক চালাতেন। গত ১৩ জুন দুপুরে গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। পরে ১৫ জুন রাত ১২টা ৩০ মিনিটে নরসিংদী মডেল থানাধীন নজরপুর ইউনিয়নের চম্পকনগর এলাকার মেঘনা শাখা নদীর বেরিবাঁধের পাশে ঝোপ থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে নরসিংদী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা রুজুর পর নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ আল ফারুকের দিকনির্দেশনায় নরসিংদী মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ড ও গাড়ি ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।