
নাগরিক সেবা ও নিরাপদ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান
মো: সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গণতন্ত্র মঞ্চের সমর্থিত বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জুঁই চাকমা তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার ১৭তম দিনে রাঙামাটি পৌর এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও ইশতেহার বিতরণ করেছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) তিনি কলেজ গেইট, কল্যাণপুর, রাজবাড়ি ও বৃহত্তর বনরূপা এলাকায় জনসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
জনসংযোগকালে জুঁই চাকমা বলেন, রাঙামাটি পৌরসভা প্রথম শ্রেণির হলেও নাগরিকরা এখনো কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত। পৌর এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত নয়, ট্যাক্সি ও সিএনজি অটোরিকশার জন্য নির্ধারিত পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় যত্রতত্র যানবাহন রাখার ফলে নিয়মিত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি বলেন, রাঙামাটিকে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন নগরীতে রূপ দিতে হলে পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যাবশ্যক। এ সময় তিনি পৌর কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, দিনে নয়—রাতের বেলায় ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যবস্থা করলে ভোরবেলায় নাগরিকরা একটি পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে শহর দেখতে পাবেন।
রাতে শহরের ভেতরে গবাদিপশুর অবাধ চলাচলের প্রসঙ্গ তুলে ধরে জুঁই চাকমা বলেন, এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে শহরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটাররা এখনো স্বাধীন ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের পরিবেশ দেখতে পাচ্ছেন না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি ২০১৮ সালের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল উদ্যোগ ব্যর্থ হয়ে যাবে।
জুঁই চাকমা দাবি করেন, রাঙামাটি-২৯৯ আসনের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জুঁই চাকমার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব পলাশ চাকমা, সদস্য মঈন উদ্দিন, সাইমুন ইসলাম, অরুনজিতা চাকমা, সাইফুল ইসলাম, নির্বাচনী মুখ্য এজেন্ট নির্মল বড়ুয়া মিলনসহ স্থানীয় শুভানুধ্যায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
Reporter Name 























