হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকায় ৪০তম ফোবানার প্রথম টাউন হল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এআর ব্যাংকুইট হলে এ সভার আয়োজন করা হয়।
আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের হোস্ট কমিটি NRB Association USA-এর ভাইস চেয়ারম্যান ও সম্মেলনের আহ্বায়ক নূরুল আলম বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির চেয়ারম্যান ও মানবাধিকারকর্মী জাকারিয়া চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক সংসদ সদস্য ও ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমীন। প্রধান বক্তা ছিলেন ৪০তম ফোবানার চিফ পেট্রন শফিকুল আলম।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ফোবানার উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, বিশিষ্ট নাট্যশিল্পী লুৎফুন নাহার লতা, ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি সুব্রত তালুকদার, হোস্ট কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আবদুল হামিদ, সেমিনার কমিটির চেয়ারম্যান কবি ফকির ইলিয়াস, ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক প্রেস মিনিস্টার ও সাংবাদিক এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, সমন্বয়কারী শিবলী সাদেক এবং কবি ফারহানা ইলিয়াস তুলি।
শারমিন সিরাজ সোনিয়ার উপস্থাপনায় আয়োজিত এ টাউন হল সভায় নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক প্রবাসী অংশ নেন।
সভায় বক্তারা জানান, এবারের ৪০তম ফোবানা সম্মেলন জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান-কে উৎসর্গ করা হয়েছে। সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, নতুন প্রজন্ম এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে।
এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, কবিতা আসর, বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং মিলনমেলার আয়োজন থাকবে বলেও জানানো হয়।
সভায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও সকল প্রবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন এবং এবারের ফোবানা সম্মেলনকে সকল প্রজন্মের অংশগ্রহণমূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
টাউন হল সভায় আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস উপলক্ষে বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া মহান ভাষা আন্দোলন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৫ আগস্টের শহীদ, জাতীয় চার নেতা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং বিভিন্ন ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সভা শেষে অতিথিদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।