Dhaka ০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বুড়িচংয়ে অর্ধশতাধিক অসহায়দের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ ভূরুঙ্গামারীতে ঈদ উপলক্ষে প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ তেতুলিয়া শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদুল ফিতরের হাট বাজার, ‎ গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সাদিককে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী নিউইয়র্কে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: নাবান্ন রেস্টুরেন্টে ৫ম বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ঐক্য ও সম্প্রীতির আহ্বান: হাবিবুর রহমান হবি ‎ জকিগঞ্জে ‘আকমাম খাঁন শিক্ষা ও সেবা ট্রাস্টের’ ঈদ সামগ্রী বিতরণ বাংনাদেশ আওয়ামী যুব লীগের ঊদ‍্যোগে জাতির পিতার পালন ১৭ মার্চ হক কমিটি নোয়াপাড়ার উদ্যোগে ঈদবস্ত্র বিতরণ গোদাগাড়ীতে এএসআই লতিফার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যে
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

প্রধানমন্ত্রী ব্রিগেড সমাবেশে, বাংলায় পরিবর্তন আনতে–মাঠে স্বয়ং রামের আবির্ভাব

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ৯ Time View

 

১৫ই মার্চ রবিবার, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে, ১৪ই মার্চ শনিবার ঠিক দুপুর সাড়ে বারোটায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমাবেশ জুড়ে একদিকে যেমন পরিবর্তনের ঝড় তুললেন, অন্যদিকে এই পরিবর্তন বদলে দিতে সমাবেশে হাজির স্বয়ং শ্রী রামচন্দ্র, লোকনাথ বাবা ও অন্যান্য দেবী রুপে, সকল দেবতাদের একটাই বার্তা পরিবর্তন হবেই একইসাথে জনগণও চাই 2026 এই পরিবর্তন হোক।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, শমিক ভট্টাচার্য্য, সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী,তাপস রায়, শান্তনু ঠাকুর, রাহুল সিনহা লকেট চ্যাটার্জি, অগ্নি মিত্রা পল সহ সকল বিভিন্ন জেলার মন্ত্রী, বিধায়করা।

 

সকাল থেকেই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড সমাবেশ উত্তাল, বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ সমাবেশ স্থলে, যতবেলা গরিয়ে আসছে তারা ব্রিগের মাঠ পরিপূর্ণ, আর মাঝে মাঝেই ভেসে আসছে জয় শ্রী রামের স্লোগান, মঞ্চ থেকে শুরু করে সারা মাঠ, প্রচন্ড গরমের দাবদাহ কে পেছনে ঠেলে সকলে অপেক্ষায় কখন প্রধানমন্ত্রী কাছ থেকে পরিবর্তনের বার্তা পাবেন।

তবে পরিবর্তনের সাথে সাথে, এবারের প্রধানমন্ত্রী সমাবেশ মন্ত্রী ও পরিবর্তন দেখা গেল দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের আদলে তৈরি এবারের মঞ্চ, আর সারা ব্রিগেড মাঠ জুড়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি, আর মাঠ জুড়ে ছিলো শ্রী রাম ও লোকনাথ বাবার জয় ধ্বনি। দেবতা রূপে পরিবর্তন চায় বাংলায়, তাহারা জানান বাংলায় কেউ শান্তিতে নাই, সারা বাংলা জুড়ে চলছে ভয়ংকর পরিস্থিতি, দেবতারা পর্যন্ত অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন, তাই আজ রোদের মধ্যেও এই মাঠে সকল দেবতা ঘোরাঘুরি করছে। ২০২৬ এ বিসর্জনের বার্তা দেওয়ার জন্য, বাংলায় ফিরে আসুক শান্তি। আর সেই শান্তির বার্তা দিতে সারা ভারত বর্ষের অভিভাবক আসছেন।

 

এই পরিবর্তনের বার্তা শোনার জন্য লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ সমাবেশে হাজির, যতই পুলিশ গাড়ি আট কাক পারবে না স্তব্ধ করতেই পরিবর্তন, তাই প্রশাসনকে বলবো সুস্থ ভাবে গাড়ি গুলি সভাস্থলে আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, আপনাদের দিদি যতই চেষ্টা করুক না কেন আর পারবেনা এই পরিবর্তনের ঝড় আটকাতে, বিদায় ঘন্টা বাজার সময় হয়েছে, জনগণ বুঝতে শিখেছে, চোরের রানী ও রাজাকে ২০২৬ এই বিদায় দেবে, অনেক হয়েছে চুরি ছ্যাচড়ামি বাটপারী , চাকরি চুরি আর নয়, যতই আপনি ধর্ণা দেন, যতই যুবসাথী খুলুন, পনেরশো টাকা দিয়ে পারবেন না পরিবর্তন আটকাতে। বাংলায় সব শেষ করেছেন।

বাংলায় যদি পরিবর্তন আসে আমরা কথা দিচ্ছি ৪৫ দিনের মধ্যে বাংলার মানুষের জন্য কাজ করে দেখাবো, বাংলার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার সবকিছু পাবে। মঞ্চে উপস্থিত সকল মন্ত্রী ও বিধায়কদের গর্জনে কেঁপে উঠেছিল ব্রিগেড মাঠ।

তবে পরিবর্তন যে মানুষ চায় আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যে ভালোবাসে তাছাড়া মার জুড়ে প্রমাণ পাওয়া গেল, মেদিনীপুর, বর্ধমান, নদীয়া, হুগলি, আসানসোল, বারুইপুর, সমস্ত এলাকা থেকে যে সকল বিজেপি কর্মী ও সদস্যরা এসেছিলেন, তাহারা ব্রিগেড সমাবেশের মাঠ থেকে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিজীর ছবি খুলে মাথায় করে নিয়ে যেতে, তাদের কাছে জানতে গেলে বলেন, এটাই পুণ্যের কাজ, এমন একটা মানুষকে আমার বাড়িতে রাখবো, আমাদের কে অনেক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ভোটের সময় বাংলার চোরের রানী, একটা প্রতিশ্রুতি রাখেননি, আজ আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, তাই সত্যি কারের একটা মানুষকে ও দেবতাকে আমরা বয়ে নিয়ে যাচ্ছি, আমাদের বাড়ির সামনে রাখার জন্য, যিনি গরিবদের কথা ভাবেন, যিনি সব কিছু দিয়েও বাংলায় অপমানিত, যার দেওয়া জিনিস লুট করে খাচ্ছে চোরের রানী চোরের রাজা, আমরাই আবার তাকে বিদায় দেবো,

শুধু তাই নয় এবার এই সমাবেশ জুড়ে, বহু কুটির শিল্পরা এসেছেন, বিভিন্ন জিনিসের উপর ও শাড়ির উপর ভারতীয় জনতা পার্টির বিভিন্ন ভাষা ও দলীয় পতাকা তৈরি করে এনে, তারাও বলেন আর আমরা পারছি না, কুটির শিল্প শেষের পথে, আমাদেরও দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি, অথচ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দিকে এক বারো ফিরে তাকাননি। শুধু প্রতিশ্রুতির বন্যা। এবার বাংলায় পরিবর্তন হোক।

ঠিক দুপুর দুটো থেকে আড়াইটার মধ্যে যখন প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টার সমাবেশের উপর দিয়ে ‌ মাঠে নামছেন, সারা মাঠ জুড়ে সকলে উঠে দাড়িয়ে দলীয় পতাকা ও জাতীয় পতাকা নেড়ে ‌ প্রধানমন্ত্রীকে সম্বর্ধনা জানান ,আর তাহার সাথে সাথে জয় শ্রীরাম জয়ধ্বনি। মঞ্চে ওঠার সাথে সাথে আরো উল্লাস চোখে পড়ার মতো, যাহার জন্য এই প্রখরও রোদে সকলে অপেক্ষা করছিলেন তাকে মঞ্চে উঠতে দেখে খুশি, এবং পরিবর্তনের বার্তা শোনার জন্য লক্ষ্য মঞ্চের দিকে। আর পরিবর্তনের বার্তা শোনার পর সকলে খুশি,

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় নিউজ

বুড়িচংয়ে অর্ধশতাধিক অসহায়দের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ

প্রধানমন্ত্রী ব্রিগেড সমাবেশে, বাংলায় পরিবর্তন আনতে–মাঠে স্বয়ং রামের আবির্ভাব

Update Time : ১২:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

 

১৫ই মার্চ রবিবার, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে, ১৪ই মার্চ শনিবার ঠিক দুপুর সাড়ে বারোটায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমাবেশ জুড়ে একদিকে যেমন পরিবর্তনের ঝড় তুললেন, অন্যদিকে এই পরিবর্তন বদলে দিতে সমাবেশে হাজির স্বয়ং শ্রী রামচন্দ্র, লোকনাথ বাবা ও অন্যান্য দেবী রুপে, সকল দেবতাদের একটাই বার্তা পরিবর্তন হবেই একইসাথে জনগণও চাই 2026 এই পরিবর্তন হোক।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, শমিক ভট্টাচার্য্য, সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী,তাপস রায়, শান্তনু ঠাকুর, রাহুল সিনহা লকেট চ্যাটার্জি, অগ্নি মিত্রা পল সহ সকল বিভিন্ন জেলার মন্ত্রী, বিধায়করা।

 

সকাল থেকেই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড সমাবেশ উত্তাল, বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ সমাবেশ স্থলে, যতবেলা গরিয়ে আসছে তারা ব্রিগের মাঠ পরিপূর্ণ, আর মাঝে মাঝেই ভেসে আসছে জয় শ্রী রামের স্লোগান, মঞ্চ থেকে শুরু করে সারা মাঠ, প্রচন্ড গরমের দাবদাহ কে পেছনে ঠেলে সকলে অপেক্ষায় কখন প্রধানমন্ত্রী কাছ থেকে পরিবর্তনের বার্তা পাবেন।

তবে পরিবর্তনের সাথে সাথে, এবারের প্রধানমন্ত্রী সমাবেশ মন্ত্রী ও পরিবর্তন দেখা গেল দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের আদলে তৈরি এবারের মঞ্চ, আর সারা ব্রিগেড মাঠ জুড়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি, আর মাঠ জুড়ে ছিলো শ্রী রাম ও লোকনাথ বাবার জয় ধ্বনি। দেবতা রূপে পরিবর্তন চায় বাংলায়, তাহারা জানান বাংলায় কেউ শান্তিতে নাই, সারা বাংলা জুড়ে চলছে ভয়ংকর পরিস্থিতি, দেবতারা পর্যন্ত অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন, তাই আজ রোদের মধ্যেও এই মাঠে সকল দেবতা ঘোরাঘুরি করছে। ২০২৬ এ বিসর্জনের বার্তা দেওয়ার জন্য, বাংলায় ফিরে আসুক শান্তি। আর সেই শান্তির বার্তা দিতে সারা ভারত বর্ষের অভিভাবক আসছেন।

 

এই পরিবর্তনের বার্তা শোনার জন্য লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ সমাবেশে হাজির, যতই পুলিশ গাড়ি আট কাক পারবে না স্তব্ধ করতেই পরিবর্তন, তাই প্রশাসনকে বলবো সুস্থ ভাবে গাড়ি গুলি সভাস্থলে আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, আপনাদের দিদি যতই চেষ্টা করুক না কেন আর পারবেনা এই পরিবর্তনের ঝড় আটকাতে, বিদায় ঘন্টা বাজার সময় হয়েছে, জনগণ বুঝতে শিখেছে, চোরের রানী ও রাজাকে ২০২৬ এই বিদায় দেবে, অনেক হয়েছে চুরি ছ্যাচড়ামি বাটপারী , চাকরি চুরি আর নয়, যতই আপনি ধর্ণা দেন, যতই যুবসাথী খুলুন, পনেরশো টাকা দিয়ে পারবেন না পরিবর্তন আটকাতে। বাংলায় সব শেষ করেছেন।

বাংলায় যদি পরিবর্তন আসে আমরা কথা দিচ্ছি ৪৫ দিনের মধ্যে বাংলার মানুষের জন্য কাজ করে দেখাবো, বাংলার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার সবকিছু পাবে। মঞ্চে উপস্থিত সকল মন্ত্রী ও বিধায়কদের গর্জনে কেঁপে উঠেছিল ব্রিগেড মাঠ।

তবে পরিবর্তন যে মানুষ চায় আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যে ভালোবাসে তাছাড়া মার জুড়ে প্রমাণ পাওয়া গেল, মেদিনীপুর, বর্ধমান, নদীয়া, হুগলি, আসানসোল, বারুইপুর, সমস্ত এলাকা থেকে যে সকল বিজেপি কর্মী ও সদস্যরা এসেছিলেন, তাহারা ব্রিগেড সমাবেশের মাঠ থেকে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিজীর ছবি খুলে মাথায় করে নিয়ে যেতে, তাদের কাছে জানতে গেলে বলেন, এটাই পুণ্যের কাজ, এমন একটা মানুষকে আমার বাড়িতে রাখবো, আমাদের কে অনেক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ভোটের সময় বাংলার চোরের রানী, একটা প্রতিশ্রুতি রাখেননি, আজ আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, তাই সত্যি কারের একটা মানুষকে ও দেবতাকে আমরা বয়ে নিয়ে যাচ্ছি, আমাদের বাড়ির সামনে রাখার জন্য, যিনি গরিবদের কথা ভাবেন, যিনি সব কিছু দিয়েও বাংলায় অপমানিত, যার দেওয়া জিনিস লুট করে খাচ্ছে চোরের রানী চোরের রাজা, আমরাই আবার তাকে বিদায় দেবো,

শুধু তাই নয় এবার এই সমাবেশ জুড়ে, বহু কুটির শিল্পরা এসেছেন, বিভিন্ন জিনিসের উপর ও শাড়ির উপর ভারতীয় জনতা পার্টির বিভিন্ন ভাষা ও দলীয় পতাকা তৈরি করে এনে, তারাও বলেন আর আমরা পারছি না, কুটির শিল্প শেষের পথে, আমাদেরও দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি, অথচ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দিকে এক বারো ফিরে তাকাননি। শুধু প্রতিশ্রুতির বন্যা। এবার বাংলায় পরিবর্তন হোক।

ঠিক দুপুর দুটো থেকে আড়াইটার মধ্যে যখন প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টার সমাবেশের উপর দিয়ে ‌ মাঠে নামছেন, সারা মাঠ জুড়ে সকলে উঠে দাড়িয়ে দলীয় পতাকা ও জাতীয় পতাকা নেড়ে ‌ প্রধানমন্ত্রীকে সম্বর্ধনা জানান ,আর তাহার সাথে সাথে জয় শ্রীরাম জয়ধ্বনি। মঞ্চে ওঠার সাথে সাথে আরো উল্লাস চোখে পড়ার মতো, যাহার জন্য এই প্রখরও রোদে সকলে অপেক্ষা করছিলেন তাকে মঞ্চে উঠতে দেখে খুশি, এবং পরিবর্তনের বার্তা শোনার জন্য লক্ষ্য মঞ্চের দিকে। আর পরিবর্তনের বার্তা শোনার পর সকলে খুশি,

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ