বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি নাগরিক সুরক্ষা ভোগ করছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানরা যখন রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের শিকার হচ্ছে, তখন বাংলাদেশে হিন্দুসহ সকল ধর্মাবলম্বী মানুষ সরকারি-বেসরকারি উচ্চ পদে সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এত সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরও কতিপয় সংখ্যালঘু ব্যক্তি বাংলাদেশকে আন্তরিকভাবে নিজের দেশ মনে করতে চান না। বরং কেউ কেউ প্রকাশ্যে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে ভারতের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছেন। সাম্প্রতিক চৈতালির মতো ঘটনা এরই প্রমাণ। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় জাতি হতাশ হয়েছে।
মাওলানা মিয়াজী আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পরও এদেশের আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা সংখ্যালঘুদের উপাসনালয় পাহারা দিয়েছেন। কিন্তু ভারত তার কতিপয় দালালকে দিয়ে শিব মন্দির স্থাপনসহ উস্কানিমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশে অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানরা কখনো ভারতের এই পাতানো ফাঁদে পা দেবে না। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সকলকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
গতকাল ২৪ জুন ২০২৬, বুধবার, বাদ আসর খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় দপ্তরে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ হাফেজ্জী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম জামালী, যুবনেতা মাওলানা মাসউদুর রহমান ও ছাত্রনেতা মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।