রাজধানীর ভাটারা থানাধীন দি মার্জেন্ট গির্জায় গত ইং ২৮/ ০৪/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০২,৩০ ঘটিকার সময় দস্যুতার ঘটনায় লুষ্ঠিত নগদ ২ ,৪৮ ,০০০/- (দুই লক্ষ আট চল্লিশ হাজার) টাকা, ০১টি পাসপোর্ট,০১টি জাতীয় পরিচয় পত্র সহ গ্ৰীল কাঁটার ০১ টি অত্যাধুনিক সেলাই রেঞ্জ সহ দস্যুতার ঘটনার সাথে জড়িত ০৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ গ্রেফতারকৃতরা হলো,১৷।আবুল হোসেন রতন ওরফে হাবু(৩৬)২।মোহাম্মদ নিজাম মিজান ওরফে মিজান ৩।আক্তার হোসেন মনা ওরফে মনির (৩৮)গত ইং২৮ /০৪/ ২০২৬ তারিখ রাত ০২,৩০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাতনামা ০২ জন দুষ্কৃতিকারী মুখে মাস্ক পরিহিত অবস্থায় ডি মাজেন্ড গির্জার কম্পাউন্ড এর দেয়াল টপকে ভিতরে ঢুকে প্রথমে গির্জার স্টাফদের রুমের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেয় পরবর্তীতে তারা উক্ত গির্জার পরিচালক ফাদার সুবাস পুলক গমেজ এর অফিস রুমরে গ্ৰীল কেটে ভেতরে ঢুকে ফাদার এর হাত-পা ও মখ বেঁধে রেখে গির্জার অফিস রুমের আলমারি খুলে নগদ ২ ,৫০ ,০০০/-(দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ০১ টি পাসপোর্ট ও ০১ টি জাতীয় পরিচয়পত্র সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র লন্ঠন করে অজ্ঞাতনামা অপর ০১ জন দুষ্কৃতিকারীর সহযোগিতায় দেয়াল টপকে ব্যাটারি চালিত রিক্সায় করে পালিয়ে যায়।
দস্যুতার ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্বাতোপ করে উধ্বতন অফিসারগণ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের ঘটনা স্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করেন
পরবর্তীতে ভাটারা থানার একটি চৌকস অভিযানিক টিম ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং সোর্স নিয়োগ করে সিসিটিভি ফুটেজে দস্যুতা সংগঠনের সময় গির্জার পাশে একটি ব্যাটারি চালিত রিক্সার সন্দেহ জনক ঘোরাফেরা করে। পরবর্তীতে উক্ত রিক্সার সূত্র ধরে ভাটার থানা সহ পার্শ্ববর্তী থানা সমূহের কয়েক হাজার রিক্সা ও চালকদের তথ্য সংগ্রহ পূর্বক পর্যালোচনা করে আখতার হোসেন( ২) মনা নামের এক রিক্সা চালককে সনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ভাটারা থানার একটি আভিযানিক টিম কর্তৃক সংগৃহীত সিসি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তত্ত্বের ভিত্তিতে ঢাকা শহরের কয়েক হাজার রিক্সা গ্যারেজ পর্যালোচনা শেষে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও সোর্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং এছাড়াও অপরাধের ধরন দুস্কতিকারীদের অপরাধের মডাস অপরেন্ডি পর্যালোচনা সহ সিডিএমএস তথ্য যাচাই বাছাই করে দস্যু তার ঘটনায় জড়িত ০৩ জনকে সনাক্ত করা হয়।

পরবর্তীতে ভাটরা থানার অভিযানিক টিম ধারাবাহিক অভিযানে রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় হতে আক্তার হোসেন মনা ওরফে মনিরফ গ্রেফতার এবং তার হেফাজত হতে দস্যাতার ঘটনায় ব্যবহৃত ব্যাটারী চালিত রিক্সা ও লণ্ঠিত নগদ ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ) টাকা উদ্ধার করা হয় । গ্রেপ্তারকৃত আক্তার হোসেন মনা ওরফে মনির এর দেয়া তথ্য মতে মোহাম্মদপুর নিজাম ওরফে মিজানকে লক্ষীপুর জেলার চরাঞ্চলের প্রত্যস্ত এলাকা হতে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার হেফাজত হতে লণ্ঠিত মূল পরিকল্পনাকারী আবুল হোসেন রতন ওরফে হাবুকে রাজধানীর খিলখেত থানাধীন আমতলা এলাকা হতে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার হেফাজত হতে ০১টি পাসপোর্ট, ০১টি জাতীয় পরিচয় পত্রসহ লুন্ঠিত নগদ ১,০০,০০/-(এক লক্ষ) টাকা উদ্ধার করা হয় ।
গ্রেফতারকৃত আবুল হোসেন রতন ওরফে হাবুর বিরুদ্ধে রাজধানীর খিলক্ষেত সহ দেশের বিভিন্ন থানায় ০৮ টি মামলা রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ নিজাম ওরফে মিজান এর বিরুদ্ধে কুমিল্লার লালমাই থানায় ০১ টি দস্যুতার মামলাসহ গ্রেফতারকৃত আক্তার হোসেন মনা ওরফে মনির এর বিরুদ্ধে সিএমপির হালিশহর থানায় ০১ টি মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা কৃতরা মাদকাসক্ত ও অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। মূলত মাদক ও অনলাইন জুয়ার টাকা সংগ্রহের জন্য তারা রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি ছিনতাই দস্যুরা সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে থাকে।