মোছাঃ নাছিমা খাতুন সুলতানা:
ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের কোনা পাঁচরুখী গ্রামের মোঃ জুয়েল মিয়ার মেয়ে মোছাঃ মরিয়ম আক্তারকে ঘিরে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ, বুধবার বিকেল আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে মরিয়ম আক্তার নিজ বসতঘরের বারান্দায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একই বাড়ির গোষ্ঠীর চাচা মোঃ মোস্তফা মিয়ার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বসতঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার বিষয়টি মরিয়ম আক্তারের দাদি মোছাঃ মনোয়ার খাতুন এলাকায় জানিয়ে দিলে পুরো পাড়াজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে এলাকার মাতব্বররা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। স্থানীয়দের দাবি, তদন্তে অভিযোগটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।
এ ঘটনায় মরিয়ম আক্তারের দাদি মোছাঃ মনোয়ার খাতুন বাদী হয়ে নান্দাইল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে মোঃ মোস্তফা মিয়াকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে থানার একজন এসআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ও ভিকটিমের মধ্যে চাচা-ভাতিজির সম্পর্ক হওয়ায় এলাকার মাতব্বরদের সমন্বয়ে বিষয়টি আপস-মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন আসামিপক্ষ ও এলাকাবাসী।
শালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ জিয়া উদ্দিন ফকির, যুবদল নেতা মোঃ স্বপন মিয়া, মোঃ রুনু ডাক্তার, মোঃ মোবারক মিয়া, বাচ্চু মিয়া, মোঃ রতন মিয়া, মোঃ ইসরাফিল, মোঃ মোসলেম উদ্দিন, আনারুল, মোঃ শামছু মিয়া, মোঃ হাবি মিয়া, মোঃ মানিক মিয়া, সবিকুল, রবিন মিয়া, মোঃ সাদ্দাম মিয়া, মোঃ হেলিম উদ্দিনসহ আরও অনেকে।