
মানবজীবন ডেস্ক | প্রকাশিত: 01 মার্চ 2026, 05:35 PM
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন:
আলী শামখানি – সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি
মোহাম্মদ পাকপুর – আইআরজিসি গ্রাউন্ড ফোর্স কমান্ডার
আমির নাসিরজাদেহ – প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং খামেনির বাসভবনকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় প্রায় ২০০ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে কয়েক ডজন শীর্ষ নেতা রয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিবিসি নিউজ ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলেছেন, “শান্তির জন্য দরকার হলে হামলা চালিয়ে যাব।”
আল জাজিরার প্রতিবেদনে শামখানিকে খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি পারমাণবিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।
ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (বিবিসি) জানিয়েছে, ইরানি নেতৃত্বে বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে, যদিও উত্তরাধিকার নিয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। হামলার পর ইরানি রাষ্ট্রীয় টিভিতে ‘নিপীড়কদের বিরুদ্ধে উত্থান’ ঘোষণা করা হয়েছে, এবং আইআরজিসি প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। হামলা তেহরান, কোম ও ইসফাহানে দ্বিতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে।