
মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
ভন্ড কবিরাজ,বহুবিবাহের নায়ক ছয় নম্বর স্ত্রীকে দিয়ে দেহ ব্যবসা, মাদক বেচাকেনা,নিরিহ মানুষকে মামলা দিয়ে হয়রানি এবং গরু রাখাল সংখ্যালঘু ললিত মোহন দাস (৬৫)কে পিলারের সাথে বেঁধে মারধর ও মিথ্যা ধর্ষণ চেষ্টার মামলা প্রত্যাহার সহ শেখেরগাও গ্রামের মৃত করম আলীর ছেলে হাবিব মিয়ার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় মান্নারগাও ইউপির আইমাগাঁও গ্রামের কিত্তা গেদু মিয়ার ঝালাছাড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাও-সদর সীমান্তে নিরবে বসবাস করে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন কুরবাননগর ইউপি’র শেখেরগাঁও গ্রামের মৃত করম আলীর ছেলে হাবিব মিয়া। তার বসতভিটা সদর উপজেলার শেখেরগাও সীমান্তে এবং ভূঁয়া কবিরাজী, নেশা পান ও বেচাকেনার আস্তানা প্রায় ১শ’ ফুট দূরে দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তে। দুই উপজেলার সীমান্তে থেকে নির্বিঘ্নে দীর্ঘ ১০ বছর যাবত এই পেশায় জড়িত আছেন হাবিব মিয়া। তার রয়েছে ছয়জন স্ত্রী। এসব স্ত্রী দিয়ে চলে দৈনন্দিন দেহ ব্যবসা এবং এদের দিয়েই চলে মাদকের ব্যবসা।
দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের আইমা নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত লাল চান দাসের ছেলে নিরিহ ললিত মোহন দাসকে অতর্কিতভাবে দিনদুপুরে কিত্তা থেকে ধরে নিয়ে হাবিব মিয়ার বসতঘরে পিলারের সাথে বেঁধে বেদরক মারপিট করে। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ ললিত মোহন দাসকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন নির্যাতিত ললিত মোহন দাস।
দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউপির সাবেক মেম্বার আলাউদ্দিন,মান্নারগাও ইউপি সদস্য সৈয়দ মিয়া, ডাঃ অমিয় দাস, শালিশী ব্যক্তিত্ব মনির মিয়া, কাউসার আহমদ,সুরুজ আলী,আব্দুল হক, মদরিছ আলী তারা মিয়া, কালামন মিয়া,স্বপন দাস,সুহেল মিয়া,প্রযেশ দাস,দিলু মিয়া,শাহিদ মিয়া,বাদল দাস,আলী মিয়া,আজিম উদ্দীন, ললিত মোহন দাস, স্থানীয় সালিশ ব্যক্তিত্ব আব্দুস শহীদ প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হাবিব মিয়া তার পরিবারের মহিলা দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। একই সাথে সে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজী ও চুরির ব্যবসা করে আসছে। এই অপকর্মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী বার বার প্রতিবাদ করেও কোনো লাভ হয়নি। এসব অপকর্মে হাবিবের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে ২/৩ ঘন্টা পর আবার ছেড়ে দেয়। তার স্ত্রীকে দিয়ে সাজানো ধর্ষণ চেষ্টার মামলা প্রত্যাহার সহ হাবিবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাই।##
মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 





















