Dhaka ০৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বগুড়া–নাটোর মহাসড়কে উল্টে যাওয়া ইটবোঝাই ট্রাক উদ্ধার, হাইওয়ে পুলিশের রেকার ব্যবহার টিনা মেরি ভ‍্যালোনের ফিউনারেলে খোকন ও মানিক কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত রাহুল ( অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়)এর অকাল প্রয়ানে বাংলা চলচ্চিত্রে শোকের ছায়া সান্তাহারে স্বামীর সঙ্গে বিরোধের জেরে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ, গুরুতর আহত নারী কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীর উপর প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ, ব্যয় ১৬৫৮৭১.৮৬ লক্ষ টাকা সংসদে নামায পড়তে গিয়ে জুতা খোয়ালেন এমপি হানজালা স্কুল ভবন থেকে পড়ে গুরুতর আহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফা আলম ঢাকায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন, দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা কালের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্যের খেলা মার্বেল হরিপুরে মাইক্রোবাস ও চার্জার ভ্যানের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ভ্যানচালকের
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

রাহুল ( অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়)এর অকাল প্রয়ানে বাংলা চলচ্চিত্রে শোকের ছায়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ১৩ Time View

রাহুল

 

৩০ শে মার্চ সোমবার, কলকাতা বাংলা চলচ্চিত্র জগতে ও টলিউড পাড়ায় শোকের ছায়া, ২৯শে মার্চ রবিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার,দীঘার তালসারি ওড়িশায় , টেলিভিশন এর ধারাবাহিক সিরিয়াল—ভোলে বাবা পার করে গা- শুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রের জলে তলিয়ে মারা গেলেন, অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়, মাত্র ৪৩ বছর বয়সে, পারলো না ধরে রাখতে অভিনেতাকে কেউ, সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন অনন্ত লোকে

রাহুলের জন্ম ১৬ই অক্টোবর ১৯৮৩, শিক্ষা প্রথম নাকতলা হাই স্কুল এবং সেখান থেকে আশুতোষ কলেজ পড়াশুনা। রাহুল ছিলো একদিকে অভিনেতা অন্যদিকে লেখক হিসাবে পরিচিত। নম্র, ভদ্র স্বভাবের, প্রত্যেকের কাছে প্রিয় হয়ে উঠে ছিলেন। তাহার এই মৃত্যুর খবর টলিউডের কেউ বিশ্বাস করতে পারেনি আর মানতেও পারছেন না।

 

তিন বছর বয়সে বাবা বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ধরে বিজয়গর থিয়েটার এ আশা ও‌ যোগ দেওয়া। রাজদর্শন -নাটকের মাধ্যমে অভিনয় জগতে প্রবেশ।প্রায় ৪৫০টি নাটকে অভিনয় করেছেন, ২০১০ সালে প্রিয়াংকার সাথে বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হয়,

প্রথম নজরে পড়েন মিঠুন চক্রবর্তী ও দেবশ্রী রায অভিনীত ২০০০ সালে চাকা ছবিতে ফটিকের ভূমিকায়। এবং জি বাংলার একটি সিরিয়াল খেলাতে আদিত্য চরিত্রে। প্রথম চলচ্চিত্র ১৯৯৫ সালে রনজিত রায় পরিচালিত – প্রবাল রঙের আলো। ২০০৪ সালে রবি ওঝা পরিচালিত -আবার আসবো ফিরে। ২০০৯ কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত ছবি -জ্যাকপট, রবি কিনাগী পরিচালিত- পরান যায় জ্বলিয়া রে, রেশমি মিত্র পরিচালিত- ভালোবাসা জিন্দাবাদ,


২০১০ এ দুলাল ভৌমিক পরিচালিত- লাভ সার্কাস, প্রদীপ সাহা পরিচালিত -শোন মন বলি তোমায়। জগন্নাথ বুৌপ পরিচালিত- বড় বউ খেলা। প্রভাত রায় পরিচালিত- ভালবাসা ডট কম, লম্বত চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত- জিয়ো কাকা, ২০১১ কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় পরিচালিত – মেঘে ঢাকা তারা, 2017 সুজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত- জুলফিকার, ২০২২ সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত- ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি, ২০২৩এ রাজশ্রী দে পরিচালিত- মায়া, রায় চক্রবর্তী পরিচালিত- চিরদিনই তুমি যে আমার ২০০৮।
এছাড়াও আরো বহু নাটক ও সিনেমা এবং সিরিয়ালের অভিনয় করেছেন।

তবে কিভাবে শুটিং এর সময় জলে তলিয়ে গেলো, সকলের মনে একটা ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।, নায়িকা কাল থেকে জীবন ফিরে পেলেও , রাহুল না ফেরায় আর্তনাদে ও কান্নায় ফেটে পড়েছিলেন , বারবার বলেন রাহুল দাকে বাঁচান। শেষ রক্ষা হলো না, জল থেকে তুলে আনলেও, বাড়িতে ফিরল তার নিথর দেহ, তবে টেকনিশিয়ানরা ধার করে দীঘা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাহার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়, তবে সম্ভাব্য কারণ জানা যায় জলের ডুবেই মারা গিয়েছেন, এটা কেউ মেনে নিতে পারছেন না, ঘটনার পর মরদেহ নিয়ে যা হয় দীঘা হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য,
তবে কেউ কেউ বলেন জল থেকে উদ্ধারের পরেও প্রাণ ছিল রাহুল দার। দাবী ইউনিটের সাথীদের। তবে সাথে সাথে কেন রাহুল দাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো না এনিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, আবার অনেকেই বলেছিলেন, আগে রাহুল দার পেট থেকে জল বের করে দেয়া হোক, একথা কেউ কর্ণপাত করেননি, ইউনিটির অনেকের মধ্যেই একটা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়, কিভাবে ঘটে গেল এরকম একটি ঘটনা, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এরকম একটি জায়গায় শুটিং করার সমস্ত রকম প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল কিনা, এমন কি দুর্ঘটনা মোকাবিলার, কেউ সদ উত্তর দিতে পারেননি, প্রশাসনের তরফ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং ময়না তদন্তে জানা গিয়েছে, নোনা জল খেয়ে ফেলায় এই বিপত্তি,

টলিউড ও চলচ্চিত্র জগতের সকল অভিনেতা অভিনেত্রীদের মনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, এরকম একটি সুন্দর তাজা অভিনেতা কে হারিয়ে। অল্প বয়সে চলে যাওয়া এইভাবে কেউ মেনে নিতে পারেননি, রেখে গেলেন তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ও সন্তানকে, আমির এই মর্মান্তিক ঘটনা শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। যারা শুটিংয়ে গিয়েছিলেন তাদের কাছে এই দিনটি হয়ে রইল স্মরণীয় অধ্যায়,

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় নিউজ

বগুড়া–নাটোর মহাসড়কে উল্টে যাওয়া ইটবোঝাই ট্রাক উদ্ধার, হাইওয়ে পুলিশের রেকার ব্যবহার

রাহুল ( অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়)এর অকাল প্রয়ানে বাংলা চলচ্চিত্রে শোকের ছায়া

Update Time : ০৭:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

 

৩০ শে মার্চ সোমবার, কলকাতা বাংলা চলচ্চিত্র জগতে ও টলিউড পাড়ায় শোকের ছায়া, ২৯শে মার্চ রবিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার,দীঘার তালসারি ওড়িশায় , টেলিভিশন এর ধারাবাহিক সিরিয়াল—ভোলে বাবা পার করে গা- শুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রের জলে তলিয়ে মারা গেলেন, অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়, মাত্র ৪৩ বছর বয়সে, পারলো না ধরে রাখতে অভিনেতাকে কেউ, সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন অনন্ত লোকে

রাহুলের জন্ম ১৬ই অক্টোবর ১৯৮৩, শিক্ষা প্রথম নাকতলা হাই স্কুল এবং সেখান থেকে আশুতোষ কলেজ পড়াশুনা। রাহুল ছিলো একদিকে অভিনেতা অন্যদিকে লেখক হিসাবে পরিচিত। নম্র, ভদ্র স্বভাবের, প্রত্যেকের কাছে প্রিয় হয়ে উঠে ছিলেন। তাহার এই মৃত্যুর খবর টলিউডের কেউ বিশ্বাস করতে পারেনি আর মানতেও পারছেন না।

 

তিন বছর বয়সে বাবা বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ধরে বিজয়গর থিয়েটার এ আশা ও‌ যোগ দেওয়া। রাজদর্শন -নাটকের মাধ্যমে অভিনয় জগতে প্রবেশ।প্রায় ৪৫০টি নাটকে অভিনয় করেছেন, ২০১০ সালে প্রিয়াংকার সাথে বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হয়,

প্রথম নজরে পড়েন মিঠুন চক্রবর্তী ও দেবশ্রী রায অভিনীত ২০০০ সালে চাকা ছবিতে ফটিকের ভূমিকায়। এবং জি বাংলার একটি সিরিয়াল খেলাতে আদিত্য চরিত্রে। প্রথম চলচ্চিত্র ১৯৯৫ সালে রনজিত রায় পরিচালিত – প্রবাল রঙের আলো। ২০০৪ সালে রবি ওঝা পরিচালিত -আবার আসবো ফিরে। ২০০৯ কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত ছবি -জ্যাকপট, রবি কিনাগী পরিচালিত- পরান যায় জ্বলিয়া রে, রেশমি মিত্র পরিচালিত- ভালোবাসা জিন্দাবাদ,


২০১০ এ দুলাল ভৌমিক পরিচালিত- লাভ সার্কাস, প্রদীপ সাহা পরিচালিত -শোন মন বলি তোমায়। জগন্নাথ বুৌপ পরিচালিত- বড় বউ খেলা। প্রভাত রায় পরিচালিত- ভালবাসা ডট কম, লম্বত চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত- জিয়ো কাকা, ২০১১ কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় পরিচালিত – মেঘে ঢাকা তারা, 2017 সুজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত- জুলফিকার, ২০২২ সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত- ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি, ২০২৩এ রাজশ্রী দে পরিচালিত- মায়া, রায় চক্রবর্তী পরিচালিত- চিরদিনই তুমি যে আমার ২০০৮।
এছাড়াও আরো বহু নাটক ও সিনেমা এবং সিরিয়ালের অভিনয় করেছেন।

তবে কিভাবে শুটিং এর সময় জলে তলিয়ে গেলো, সকলের মনে একটা ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।, নায়িকা কাল থেকে জীবন ফিরে পেলেও , রাহুল না ফেরায় আর্তনাদে ও কান্নায় ফেটে পড়েছিলেন , বারবার বলেন রাহুল দাকে বাঁচান। শেষ রক্ষা হলো না, জল থেকে তুলে আনলেও, বাড়িতে ফিরল তার নিথর দেহ, তবে টেকনিশিয়ানরা ধার করে দীঘা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাহার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়, তবে সম্ভাব্য কারণ জানা যায় জলের ডুবেই মারা গিয়েছেন, এটা কেউ মেনে নিতে পারছেন না, ঘটনার পর মরদেহ নিয়ে যা হয় দীঘা হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য,
তবে কেউ কেউ বলেন জল থেকে উদ্ধারের পরেও প্রাণ ছিল রাহুল দার। দাবী ইউনিটের সাথীদের। তবে সাথে সাথে কেন রাহুল দাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো না এনিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, আবার অনেকেই বলেছিলেন, আগে রাহুল দার পেট থেকে জল বের করে দেয়া হোক, একথা কেউ কর্ণপাত করেননি, ইউনিটির অনেকের মধ্যেই একটা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়, কিভাবে ঘটে গেল এরকম একটি ঘটনা, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এরকম একটি জায়গায় শুটিং করার সমস্ত রকম প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল কিনা, এমন কি দুর্ঘটনা মোকাবিলার, কেউ সদ উত্তর দিতে পারেননি, প্রশাসনের তরফ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং ময়না তদন্তে জানা গিয়েছে, নোনা জল খেয়ে ফেলায় এই বিপত্তি,

টলিউড ও চলচ্চিত্র জগতের সকল অভিনেতা অভিনেত্রীদের মনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, এরকম একটি সুন্দর তাজা অভিনেতা কে হারিয়ে। অল্প বয়সে চলে যাওয়া এইভাবে কেউ মেনে নিতে পারেননি, রেখে গেলেন তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ও সন্তানকে, আমির এই মর্মান্তিক ঘটনা শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। যারা শুটিংয়ে গিয়েছিলেন তাদের কাছে এই দিনটি হয়ে রইল স্মরণীয় অধ্যায়,

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ