
আজ সংসদে বর্তমানের ‘লটারি’ ভিত্তিক স্কুল ভর্তি পদ্ধতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন Hasnat Abdullah। আগে যেখানে মেধার ভিত্তিতে প্রতিযোগিতা করে শিক্ষার্থীরা স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেত, সেখানে এখন ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল এই পদ্ধতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
তার মতে, লটারি পদ্ধতি চালু থাকার ফলে মেধাবী শিক্ষার্থীরা শুরুতেই প্রতিযোগিতার সুযোগ হারাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই পদ্ধতি কি আগামীর মেধাবীদের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে না?
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, প্রাথমিক স্তরে এই পদ্ধতির প্রভাব ইতিমধ্যেই শিক্ষার মানে পড়তে শুরু করেছে। এর ফল উচ্চশিক্ষায়ও দেখা যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আজ দক্ষ ও প্রস্তুত শিক্ষার্থীর অভাবে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।
শিক্ষা ব্যবস্থার বৈষম্য নিয়েও তিনি কঠোর সমালোচনা করেন। তার মতে, দেশে শিক্ষা এখন তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে—বিত্তবানদের জন্য ইংরেজি মাধ্যম, মধ্যবিত্তের জন্য বাংলা মাধ্যম এবং দরিদ্রদের শেষ আশ্রয় মাদ্রাসা শিক্ষা।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, শিক্ষা যদি সবার মৌলিক অধিকার হয়, তাহলে এই বৈষম্য কেন থাকবে? তিন ধারার শিক্ষা ব্যবস্থা বজায় রেখে কীভাবে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা’ নিশ্চিত করা সম্ভব—এ বিষয়েও সরকারের কাছে জবাব চান তিনি।
তার এসব বক্তব্য দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
Reporter Name 





















