মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:
ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর
নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা যার যার অবস্থান থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যদিয়ে দল-মত নির্বিশেষে নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। দেওয়ালে ও সড়কে শোভা পাচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের রঙিন পোস্টার ও ব্যানার। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ সালকে বরণ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীরা জানান দিচ্ছেন তাদের প্রার্থীতার কথা। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার মাঝ বরাবর অবস্থিত শিক্ষা, অর্থনীতি ও বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানে অগ্রসরমান আবাসিক এলাকা ১৪ নং লালখানবাজার ওয়ার্ড। খুলশী থানার অন্তর্গত এই ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে গণমানুষের ভালোবাসা ও আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব মুস্তাফিজুর রহমান সুমন। লালখানবাজারের স্থায়ী বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের পিতা মরহুম আবু মুছা ভূাঁঞা ছিলেন লালখানবাজার ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি। দলের প্রতি ভালোবাসা ও কর্তব্য পরায়ন ব্যক্তি হিসেবে বিভিন্ন নির্বাচনে তিনি কেন্দ্র কমিটির দায়িত্ব পালন করে গেছেন। ১৯৮৫ সালে রাজনৈতিক পরিবারে জন্মনেয়া সুমন লালখানবাজারের আলো-বাসাতে বেড়ে উঠেন। তিনি নাসিরাবাদ সরকারি বালক বিদ্যালয় হতে এসএসসি উত্তীর্ণ হয়ে পাহাড়তলী সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ ও গণমানুষের সেবার প্রত্যয়ে ছাত্রদল করার মাধ্যমে রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। দলীয় শৃঙ্খলা ও কর্তব্য নিষ্ঠার ফলস্বরূপ দায়িত্ব পান লালখানবাজার ইউনিট ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের। পরবর্তীতে সফলতার সাথে ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন, বর্তমানে ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব এর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। পেশায় একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান সুমন দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর যাবত জাতীয়তাবাদী দলের কর্মী হিসেবে একাগ্রতার সহিত কাজ করে যাচ্ছেন। দলের প্রয়াত চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও আদর্শের প্রতি আস্থা রেখে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি বিগত সময়ে প্রতিপক্ষের হামলা, একাধিক মামলা ও নির্যাতনের শিকার হন। বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মিথ্যা মামলার রায় ও সাবেক মন্ত্রী চট্টগ্রামের সিংহ পুরুষ সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি গ্রেফতার হন।
উদীয়মান এই রাজনীতিবিদ ব্যবসা ও সমাজসেবামূলক কাজের মধ্যে অত্র এলাকার সাধারণ জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হন। তিনি একাধিক ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে সর্বস্তরের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেন। নগরীর ব্যবসা বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র রিয়াজউদ্দিন বাজার সংলগ্ন শাহ আমানত সিটি কর্পোরেশন সুপার মার্কেটে তার রয়েছে একাধিক আইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে-শাহ পীর ট্রেডার্স ও রাঙ্গুনিয়া কম্পিউটার্স সেলস এন্ড সার্ভিস সেন্টার। সংগঠনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি-চট্টগ্রাম শাখার সম্মানিত পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। চট্টগ্রামের শিল্পপতি ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ীদের সংগঠন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর তিনি সদস্য। আত্মমানবতার সেবায় নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংগঠন লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং এডভান্স সিটির কার্যকরী কমিটির সদস্য। ধর্মীয় অনুভূতি লালন করে লালখানবাজারস্থ মতিঝর্ণা জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এছাড়াও তিনি মানবাধিকার ও বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার সাথে জড়িত থেকে সেবা ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। সুন্দর মনের মানুষটি নম্র ও ভদ্র আচরণের মধ্যদিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীসহ জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে লালখানবাজার এলাকায় বসবাসরত সকল শ্রেণীর মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন ইতোমধ্যে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চন্দনাইশের আলোকিতজন এডভোকেট আয়েশা কালাম এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।
তার সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে বিগত সরকারের রোসানলে পড়ে অর্থনৈতিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছি।
…