মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার
সিএমপির খুলশী থানা পুলিশের দ্রুত ও সফল অভিযানে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তরুণীকে হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার বাদী মোছাঃ জমিলা বেগম (৫১) খুলশী থানায় দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করেন, তাঁর কন্যা রিয়া আক্তার রিতা (২০) চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় বসবাস করে সিডিএ মার্কেটস্থ একটি গার্মেন্টসে চাকুরি করতেন। একই প্রতিষ্ঠানে চাকুরির সুবাদে আসামী আব্দুর রহমান শেখ (২১) এর সাথে ভিকটিমের পরিচয় হয়। প্রায় ৩/৪ মাস পূর্বে মারামারির ঘটনায় আসামীর চাকুরি চলে যায়। চাকুরি হারানোর পরও আসামী বিভিন্ন সময় ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করত। গত ২৩/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাতে গার্মেন্টস ছুটির পর কৌশলে ভিকটিমকে ফয়েজ লেক এলাকায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে ইউএসটিসি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ের উত্তর পাশে ৫ম তলার গ্রীলবিহীন সিঁড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামী ভিকটিমকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। এতে ভিকটিম গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।এ ঘটনায় খুলশী থানায় মামলা নং-১৭, তারিখ-২৫/০৫/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোডে মামলা রুজু করা হয়।
ঘটনার পরপরই খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আরিফুর রহমান এর নেতৃত্বে একাধিক চৌকস টিম আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। পরবর্তীতে ২৫/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দল ফেনী জেলার সোনাগাজী মডেল থানাধীন বাদামতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামী ১| আব্দুর রহমান শেখ (২১), পিতা-মৃত সোহরাব শেখ, মাতা-রেহেনা বেগম, সাং-ভাটখালী, শেখ বাড়ী, থানা-মোড়েলগঞ্জ, জেলা-বাগেরহাট, এ/পি-ফয়েজ লেক, আব্দুল হামিদ সড়ক, শামীমের ভাড়াবাসা, থানা-আকবরশাহ, জেলা-চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করেন। এ ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাতনামা অন্যান্য আসামীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।