২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বিভিন্ন নিত্যপণ্য ও আমদানি পণ্যের শুল্ক ও কর কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে, আবার কিছু পণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেটে শুল্ক ছাড় ও কর সমন্বয়ের মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব কাঠামো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বাজেটে শুল্ক ও কর ছাড়ের ফলে বেশ কিছু পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
এছাড়া রফতানিমুখী শিল্পের জন্য কাস্টম বন্ড সুবিধা বা ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কিছু পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধি ও ছাড় না থাকায় দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে—
বাজেটে সিগারেটের চারটি স্তরে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে—
বাজেটের নতুন কাঠামোয় প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও উৎপাদনমুখী খাতে কর ছাড় দেওয়া হলেও কিছু আমদানি নির্ভর ও বিলাসপণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির কারণে দাম বাড়ার চাপ তৈরি হতে পারে। সরকার বলছে, এসব পদক্ষেপে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও রাজস্ব সংগ্রহে ভারসাম্য আনা হবে।