
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বড়নাল গ্রামে সোমবার রাতে সংঘটিত চুরির ঘটনায় এক মালিকের ৫টি গরু লুট হয়। গরু গুলোর মালিক পারখালি গ্রামের হাজি সারোয়ার ফকির অভিযোগ করে বলেন, তাদের বাড়ি থেকে রাতের অন্ধকারে গরু গুলো চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
তবে, উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
বুধবার সকাল ১১টায় নড়াগাতী থানা পুলিশ ও বড়নাল পুলিশ ফাড়ির যৌথ অভিযানে ৩টি গরু উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে।
ভুক্তভোগী হাজি সারোয়ার ফকির জানান, সোমবার রাতে পার্শ্ববর্তী গ্রামে কৃষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়ি থেকে গরু চুরি করে নিয়ে যায়, কিন্তু তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং তাঁর ছেলেরা বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর পুত্রবধু সালেহা বেগম বলেন, “আমরা খুঁজতে খুঁজতে বড়নাল গ্রামে এসে গরুগুলো খুঁজে পাই, পরে পুলিশে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থল থেকে গরুগুলো উদ্ধার করে।”
অভিযুক্ত গরু ব্যবসায়ী কালু সরদারের স্ত্রী জানান, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না, আমার স্বামী গরুর ব্যবসা করেন । সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি এই গরু গুলোকে গোয়ালে দেখতে পায় । মেজবা মোল্যার স্ত্রী হালিমা বলেন, গত সোমবার রাতে স্থানীয় মিলু মল্লিকের ছেলে রাব্বি মল্লিক গভীর রাতে আমার স্বামীর কাছে এসে গরু বিক্রির প্রস্তাব দেয় । প্রাথমিক ভাবে মেজবাহ মোল্যা গরু কিনতে অস্বকৃতি জানালে রাব্বি মল্লিক আসস্থ করে বলে , কিছু বললে আমার নাম বলবেন কোন সমস্যা হবে না, গরু বিক্রেতা রাব্বির আশ্বস্ততায় দর দাম করে আমার স্বামী গরুটি কিনে রাখেন । এ বিষয়ে আমি আর কিছুই জানি না।
এ ঘটনায় বড়নাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মল্লিক মানিরুল ইসলাম জানান, “আইনের উর্ধে কেউ নয়। অপরাধী যেই হোক না কেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
স্হানীয় সূত্রে জানা যায় গরুর খাওয়ার পর বিক্রেতা রাব্বি মল্লিক কলাবাড়ীয়া ইউনিয়নের বেলে ডাঙ্গা গ্রামের সদ্য প্রতিপক্ষের আঘাতে নিহত ইউসুফ মোল্লার ভগ্নিপতি।
নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, “খবর পেয়ে কালিয়া সার্কেল অফিসার রবিন হালদারের নির্দেশে নড়াগাতী থানা পুলিশ ও বড়নাল পুলিশ ফাড়ির একটি যৌথ দল গরুগুলো উদ্ধার করেছে। যদিও ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দেননি, তবে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।
Reporter Name 
























