Dhaka ১১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
‎সাব-রেজিস্ট্রার জাকির ও স্ত্রীর সব ব্যাংক হিসাব তলব আদমদীঘিতে ৭৫ লাখ টাকার সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন, স্বস্তি ফিরছে স্থানীয়দের যাতায়াতে!! লালমনিরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাপাহারে এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল চট্টগ্রামের ডিএপি সার কারখানা চট্টগ্রামে হাম-রুবেলার জরুরি টিকাদান শুরু ২০ মে ৭ লাখ ৬৭ হাজার শিশুকে টিকার লক্ষ্যমাত্রা ঝিকরগাছায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক : ঋণ বিতরণে স্বজনপ্রীতি ভাঙ্গুড়ায় উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: কাগজে রাস্তা, বাস্তবে নেই তেঁতুলিয়ায় ওয়েল্ডিং মেশিন চুরির দায়ে দুই ভাইসহ চারজন আটক পুলিশ বোয়ালমারীতে ২০ মামলার আসামি মাদকসহ গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী প্রচার মঞ্চে–সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ Time View

 

১৮ ই এপ্রিল শনিবার, ঠিক বিকেল পাঁচটায়, আহেরীটলা দোলনা পার্কের সংযোগস্থলে, শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তীর সমর্থনে, শ্যামপুকুরের ভূমিপুত্র সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে, ভোটকে সামনে রেখে এক বিশাল জনসভা। এই জনসভার মূল উদ্দেশ্য, ২০২৬ হবে জনগণের শেষ রাই, আর জনগণই পাল্টাবে দুর্নীতিকে দূর করে নতুন সরকার।

এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী, উপস্থিত ছিলেন মানিকতলার প্রার্থী তাপস রায়, উপস্থিত ছিলেন রাহুল সিনহা, তমঘ্ন ঘোষ, বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সুবোধ দাস, পূর্ণিমা কোঠারী, শশী গণ, রবি তেওয়ারি, বিশ্বজিৎ সাহা সহ অন্যান্য বিজেপির কর্মীবৃন্দরা,

সভা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই, বিজেপি কর্মীদের ভিড় জমতে থাকে , সন্ধ্যে সাতটার পর রাস্তা বন্ধ করে দিতে হয়, মিঠুন চক্রবর্তী দেখার জন্য এবং তার কথা শোনার জন্য বিকেল পাঁচটা থেকেই এলাকার মানুষ ও পথ চলতি মানুষ এবং বিজেপি সমর্থকরা অধীর আগ্রহে বসে থাকেন, ঠিক রাত আটটা নাগাদ মিঠুন চক্রবর্তী মঞ্চে উপস্থিত হন, মঞ্চে উঠার সাথে সাথে তাকে সম্বর্ধনা দেওয়ার জন্য সকলে তাড়াহুড়ো ফেলে দেন। অন্যদিকে প্রশাসনের অফিসাররা হিমশিম খেতে থাকেন দর্শকদের সামলাতে। মঞ্চে সকল অতিথিদের একে একে উত্তরীয় পরিয়ে এবং মিঠুনদা কে পুষ্পস্তবক ও মালা পরিয়ে সম্বর্ধনা জানান।

সভা শুরুর সাথে সাথে একে একে বিজেপি কর্মীরা গর্জে উঠেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তারা বলেন যেভাবে তৃণমূল অরাজকতা চালাচ্ছে, ধর্ষণ নারী নিপীড়ন, হত্যা, লুঠ, এমনকি গরিবের টাকা আত্মসাৎ করে এদের অট্টালিকা ও গাড়ি বানাচ্ছে, তাই এই নৈরাজ্য থেকে সরকারকে বিতাড়িত করার জন্য জনগণকে রায় দিতে হবে আর এই রায় ২০২৬ এর শেষ রায়।, আর নাই দরকার তৃণমূল সরকার, যাহারা নারীদের সম্মান দিতে পারেনা, এমনকি আগামীকাল নারীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন বিল পাস করতে দেননি, সেই সরকারকে পাল্টাতে হবে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে সকল প্রকল্প ঘোষণা করেছেন আমরা জোর গলায় বলতে পারি, ভোটে ৩০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে সেই সকল প্রকল্প মানুষের হাতে তুলে দেবো। আপনারা জানেন নরেন্দ্র মোদীজি যখন সভাপতি এসেছিলেন শ্যামপুকুর বিধানসভার বিধায়িকা ও মন্ত্রী শশী পাঁজা ঘরের মধ্যে গুন্ডা ও ইঁট রেখে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করে রটিয়ে দিয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা তার বাড়ি ভাঙচুর করেছে। কিন্তু তিনি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছেন, আপনারা জানেন কয়েকদিন আগে আমাদের বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী ব্যানার ছিড়তে এসে এবং মিঠুন দার ছবি ছিঁড়তে ও কালি লাগাতে এসে ধরা পড়েছিলেন, তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের দেখে বিভিন্ন রাস্তা ধরে দৌড়ে পালিয়ে ছিলেন। শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের জনগণ সেই দিন সমস্ত কিছু লক্ষ্য করেছিলেন, কারণ এবারে বুঝে গেছেন বিধায়িকা শ্যামপুকুরে জেতা অসম্ভব, তাই এখন নাটক করার চেষ্টা করছেন, কিন্তু পারবেনা এবারে বিজেপিকে হারাতে।।

আরও পড়ুনঃ  চৈত্র সেলের শেষ দিনে জমে উঠেছে কেনাকাটা ও অন্যদিকে লক্ষ্মী গণেশ বিক্রি

আপনারা জানেন যিনি আপনাদের এলাকার প্রার্থী তিনি কে এবং কিভাবে আমাদের পাশে থাকেন, তাহার সংকল্প কি, কেন তিনি তাহার স্বামীর চাকরি নেননি, কেন তাহার স্বামীকে প্রাণ দিতে হয়েছিল ডিউটিরত অবস্থায়, তাই তৃণমূল সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করেও তাহার স্ত্রীকে চাকরিতে ঢোকাতে পারেননি। পূর্ণিমা চক্রবর্তী চেয়েছেন মানুষের সেবা করতে তিনি রাধা মাধব জির সেবায়ত, সেই রাধামাধবজিকে সামনে রেখেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, মাঝে মাঝেই তিনি রাধামাধবের প্রসাদ নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে চলে যান। তিনি শুধু একটা কথাই বলেছেন আপনারা আমাকে জিতিয়ে দেখান, আমি আপনাদের জন্য কি করি সেটা দেখতে থাকুন। আর যদি না করতে পারি আমি বিধায়িকা পদ সদ ইচ্ছায় ছেড়ে দেব।

একইভাবে মিঠুন চক্রবর্তী মঞ্চে উঠে বলেন, এই শ্যামপুকুর আমার জন্মভূমি, যেখানে আমি বড় হয়েছি, যেখান থেকে আজ আমি সুপারস্টার, চোখগুলোকে মানুষের আমি নয়নের মনি , আমি রাজনীতি না করলেও শুধু একটা কথাই বলবো এলাকার মানুষকে, যেভাবে শ্যামপুকুরের ভূমি পুত্রকে সুপারস্টার বানিয়েছেন, ২০২৬-এ পূর্ণিমা চক্রবর্তীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আপনাদের বাড়ির বোন কে আশীর্বাদ করুন, সরকারকে পাল্টে দিন। এলাকার উন্নয়ন করবে নতুন সরকার, বিজেপি সরকার

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

‎সাব-রেজিস্ট্রার জাকির ও স্ত্রীর সব ব্যাংক হিসাব তলব

বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী প্রচার মঞ্চে–সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী

সময়: ০৮:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

১৮ ই এপ্রিল শনিবার, ঠিক বিকেল পাঁচটায়, আহেরীটলা দোলনা পার্কের সংযোগস্থলে, শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তীর সমর্থনে, শ্যামপুকুরের ভূমিপুত্র সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে, ভোটকে সামনে রেখে এক বিশাল জনসভা। এই জনসভার মূল উদ্দেশ্য, ২০২৬ হবে জনগণের শেষ রাই, আর জনগণই পাল্টাবে দুর্নীতিকে দূর করে নতুন সরকার।

এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী, উপস্থিত ছিলেন মানিকতলার প্রার্থী তাপস রায়, উপস্থিত ছিলেন রাহুল সিনহা, তমঘ্ন ঘোষ, বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সুবোধ দাস, পূর্ণিমা কোঠারী, শশী গণ, রবি তেওয়ারি, বিশ্বজিৎ সাহা সহ অন্যান্য বিজেপির কর্মীবৃন্দরা,

সভা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই, বিজেপি কর্মীদের ভিড় জমতে থাকে , সন্ধ্যে সাতটার পর রাস্তা বন্ধ করে দিতে হয়, মিঠুন চক্রবর্তী দেখার জন্য এবং তার কথা শোনার জন্য বিকেল পাঁচটা থেকেই এলাকার মানুষ ও পথ চলতি মানুষ এবং বিজেপি সমর্থকরা অধীর আগ্রহে বসে থাকেন, ঠিক রাত আটটা নাগাদ মিঠুন চক্রবর্তী মঞ্চে উপস্থিত হন, মঞ্চে উঠার সাথে সাথে তাকে সম্বর্ধনা দেওয়ার জন্য সকলে তাড়াহুড়ো ফেলে দেন। অন্যদিকে প্রশাসনের অফিসাররা হিমশিম খেতে থাকেন দর্শকদের সামলাতে। মঞ্চে সকল অতিথিদের একে একে উত্তরীয় পরিয়ে এবং মিঠুনদা কে পুষ্পস্তবক ও মালা পরিয়ে সম্বর্ধনা জানান।

সভা শুরুর সাথে সাথে একে একে বিজেপি কর্মীরা গর্জে উঠেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তারা বলেন যেভাবে তৃণমূল অরাজকতা চালাচ্ছে, ধর্ষণ নারী নিপীড়ন, হত্যা, লুঠ, এমনকি গরিবের টাকা আত্মসাৎ করে এদের অট্টালিকা ও গাড়ি বানাচ্ছে, তাই এই নৈরাজ্য থেকে সরকারকে বিতাড়িত করার জন্য জনগণকে রায় দিতে হবে আর এই রায় ২০২৬ এর শেষ রায়।, আর নাই দরকার তৃণমূল সরকার, যাহারা নারীদের সম্মান দিতে পারেনা, এমনকি আগামীকাল নারীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন বিল পাস করতে দেননি, সেই সরকারকে পাল্টাতে হবে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে সকল প্রকল্প ঘোষণা করেছেন আমরা জোর গলায় বলতে পারি, ভোটে ৩০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে সেই সকল প্রকল্প মানুষের হাতে তুলে দেবো। আপনারা জানেন নরেন্দ্র মোদীজি যখন সভাপতি এসেছিলেন শ্যামপুকুর বিধানসভার বিধায়িকা ও মন্ত্রী শশী পাঁজা ঘরের মধ্যে গুন্ডা ও ইঁট রেখে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করে রটিয়ে দিয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা তার বাড়ি ভাঙচুর করেছে। কিন্তু তিনি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছেন, আপনারা জানেন কয়েকদিন আগে আমাদের বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী ব্যানার ছিড়তে এসে এবং মিঠুন দার ছবি ছিঁড়তে ও কালি লাগাতে এসে ধরা পড়েছিলেন, তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের দেখে বিভিন্ন রাস্তা ধরে দৌড়ে পালিয়ে ছিলেন। শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের জনগণ সেই দিন সমস্ত কিছু লক্ষ্য করেছিলেন, কারণ এবারে বুঝে গেছেন বিধায়িকা শ্যামপুকুরে জেতা অসম্ভব, তাই এখন নাটক করার চেষ্টা করছেন, কিন্তু পারবেনা এবারে বিজেপিকে হারাতে।।

আরও পড়ুনঃ  দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ নিউক্যাসেল শাখা ইউকের ২১ সদস‍্য কমিটি গঠন

আপনারা জানেন যিনি আপনাদের এলাকার প্রার্থী তিনি কে এবং কিভাবে আমাদের পাশে থাকেন, তাহার সংকল্প কি, কেন তিনি তাহার স্বামীর চাকরি নেননি, কেন তাহার স্বামীকে প্রাণ দিতে হয়েছিল ডিউটিরত অবস্থায়, তাই তৃণমূল সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করেও তাহার স্ত্রীকে চাকরিতে ঢোকাতে পারেননি। পূর্ণিমা চক্রবর্তী চেয়েছেন মানুষের সেবা করতে তিনি রাধা মাধব জির সেবায়ত, সেই রাধামাধবজিকে সামনে রেখেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, মাঝে মাঝেই তিনি রাধামাধবের প্রসাদ নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে চলে যান। তিনি শুধু একটা কথাই বলেছেন আপনারা আমাকে জিতিয়ে দেখান, আমি আপনাদের জন্য কি করি সেটা দেখতে থাকুন। আর যদি না করতে পারি আমি বিধায়িকা পদ সদ ইচ্ছায় ছেড়ে দেব।

একইভাবে মিঠুন চক্রবর্তী মঞ্চে উঠে বলেন, এই শ্যামপুকুর আমার জন্মভূমি, যেখানে আমি বড় হয়েছি, যেখান থেকে আজ আমি সুপারস্টার, চোখগুলোকে মানুষের আমি নয়নের মনি , আমি রাজনীতি না করলেও শুধু একটা কথাই বলবো এলাকার মানুষকে, যেভাবে শ্যামপুকুরের ভূমি পুত্রকে সুপারস্টার বানিয়েছেন, ২০২৬-এ পূর্ণিমা চক্রবর্তীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আপনাদের বাড়ির বোন কে আশীর্বাদ করুন, সরকারকে পাল্টে দিন। এলাকার উন্নয়ন করবে নতুন সরকার, বিজেপি সরকার

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ