
মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠান:
নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার কাইটাল ইউনিয়নের পাঁচহাড় বড়বাড়ি গ্রামের মৃত সামছুদ্দিন এর ছেলে মোঃ আমান উল্লাহ সাগর একটি মাদ্রাসার শিক্ষক/পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।ওই মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী মোছাঃ মেঘলা আক্তার ( ১২) কে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে বলেন অভিযোগ তুলেছে মেয়েটি মা মোছাঃ সুমা আক্তার। সূত্রে জানা যায় মেয়েটি তার নানার বাড়ি থেকে উল্লেখিত হযরত ফাতেমা তুযযুহরা (রাঃ)মহিলা কওমি মাদ্রাসার ছাত্রী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েটি কে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয় মাদ্রাসার পরিচালক, মজিদের ইমাম মোঃ সাগর মিয়া। এই নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে উক্ত মাদ্রাসার কোন শিক্ষক গংকে পাওয়া যায়নি। মাদ্রাসা তালা ঝুলিয়ে রাখা হয়। গ্রাম সূত্রে জানা যায় উল্লেখিত মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক সহ দুই জন পুরুষ শিক্ষক ও চার জন মহিলা শিক্ষক ছিলেন এবং উক্ত মাদ্রাসার প্রায় ১০০ ছাত্রী রয়েছে।এই ঘটনার অন্যান্য ছাত্রী দের লেখা পড়া বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।কেউ কেউ বলছে তিনি ও তার সহযোগী গং যদি দোষী না হত তাহলে মাদ্রাসা তালা ঝুলছে কেন? এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মেয়ে মা সুমা আক্তার বাদী হয়ে মদন থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মাদ্রাসার পরিচালক আমান উল্লাহ সাগর সহ আরও এক কে আসামি করে। এদিকে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসনাত জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ লোকজন আসামিদের হুমকিতে প্রাণ রক্ষার ভয়ে অন্য জায়গায় বসবাস করছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর দূত পদক্ষেপ কামনা করছে। ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ ও গ্রামবাসী সাধারণ জনগণ। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ভোক্তভোগী মেয়েটি প্রায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
Reporter Name 



















