Dhaka ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, সাংবাদিকদের ব্যঙ্গ করে চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্ট,’ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ গঙ্গা চুক্তি শুধু নবায়ন নয়, নতুন করে করতে হবে: নাহিদ ইসলাম মধুপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুইজনের যাবজ্জীবন মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে ভাসমান দোকান উচ্ছেদ, জব্দ সরঞ্জাম দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না: রিজভী সড়ক, রেল ও বিদ্যুৎ খাতসহ ১৩ প্রকল্পে ১৬ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা বাড়াতে ডিসিএইচ ট্রাস্টকে আহ্বান রাষ্ট্রপতির আপসনামার ভিত্তিতে গাজী নজরুলকে জামিন দিলে ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন উঠবে: আদালত লালমনিরহাট সদরে প্রকল্পের রক্ষক যখন ভক্ষক, পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রোহিঙ্গা সংকট ছাড়িয়েছে মানবিকতার গণ্ডি, যুক্ত হয়েছে নিরাপত্তা ও অভিবাসন উদ্বেগ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

শিশুর হাসিতেই আগামীর বাংলাদেশ, নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৪ Time View

প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, সুন্দর ও ঝুঁকিমুক্ত শৈশব নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিশুদের আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সোমবার (৫ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেশে শিশু অধিকার দিবস পালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি মানবিক, সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশের বিকল্প নেই। কিন্তু শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে, সামাজিক সহিংসতা ও বৈষম্যের মতো নানা সমস্যা এখনো শিশুদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার পথে বাধা হয়ে আছে। এসব সমস্যা দূর করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিশু একটি সম্ভাবনার প্রতীক। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, উদ্যোক্তা, অভিভাবক ও রাষ্ট্রের নেতৃত্বে থাকবে। তাই তাদের ভালোবাসা, যত্ন, সঠিক শিক্ষা ও নিরাপদ পরিবেশের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলার দায়িত্ব সবার।

তারেক রহমান বলেন, শিশুদের নিষ্পাপ হাসি নতুন বাংলাদেশের আশা ও সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি। তাদের ভেতরে থাকা সুপ্ত প্রতিভা, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বিকশিত হওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি করা নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছরের পথচলার কথাও বাণীতে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের অক্টোবরে ৫০ বছর পূর্ণ করেছে। এ উপলক্ষে ৬ থেকে ৮ অক্টোবর তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু অধিকার দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।

শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে শিশু একাডেমির ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৮ সাল থেকে ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। শিশুদের প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুনঃ  ফ্যামিলি কার্ডে ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক

শিশুদের নিরাপদ বেড়ে ওঠা ও তাদের অধিকার সুরক্ষায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আইপিইসি প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা অনন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ক্রীড়া, শিল্প ও সাহিত্যসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে আরও মর্যাদার আসনে নিয়ে যাবে। তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করা তাই বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম বড় দায়িত্ব।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী নতুন স্বপ্ন ও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। শিশুদের নির্মল হাসি, সৃজনশীলতা ও সাফল্যের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে নিরাপদ, সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ।

শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে দেশের সব শিশু, অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিশুকল্যাণে নিয়োজিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, সাংবাদিকদের ব্যঙ্গ করে চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্ট,’ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’

শিশুর হাসিতেই আগামীর বাংলাদেশ, নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার

সময়: ১১:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, সুন্দর ও ঝুঁকিমুক্ত শৈশব নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিশুদের আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সোমবার (৫ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেশে শিশু অধিকার দিবস পালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি মানবিক, সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশের বিকল্প নেই। কিন্তু শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে, সামাজিক সহিংসতা ও বৈষম্যের মতো নানা সমস্যা এখনো শিশুদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার পথে বাধা হয়ে আছে। এসব সমস্যা দূর করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিশু একটি সম্ভাবনার প্রতীক। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, উদ্যোক্তা, অভিভাবক ও রাষ্ট্রের নেতৃত্বে থাকবে। তাই তাদের ভালোবাসা, যত্ন, সঠিক শিক্ষা ও নিরাপদ পরিবেশের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলার দায়িত্ব সবার।

তারেক রহমান বলেন, শিশুদের নিষ্পাপ হাসি নতুন বাংলাদেশের আশা ও সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি। তাদের ভেতরে থাকা সুপ্ত প্রতিভা, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বিকশিত হওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি করা নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছরের পথচলার কথাও বাণীতে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের অক্টোবরে ৫০ বছর পূর্ণ করেছে। এ উপলক্ষে ৬ থেকে ৮ অক্টোবর তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু অধিকার দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।

শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে শিশু একাডেমির ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৮ সাল থেকে ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। শিশুদের প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুনঃ  জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিশুদের নিরাপদ বেড়ে ওঠা ও তাদের অধিকার সুরক্ষায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আইপিইসি প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা অনন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ক্রীড়া, শিল্প ও সাহিত্যসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে আরও মর্যাদার আসনে নিয়ে যাবে। তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করা তাই বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম বড় দায়িত্ব।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী নতুন স্বপ্ন ও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। শিশুদের নির্মল হাসি, সৃজনশীলতা ও সাফল্যের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে নিরাপদ, সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ।

শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে দেশের সব শিশু, অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিশুকল্যাণে নিয়োজিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।