Dhaka ০৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন বগুড়ায় ডিবির সাঁড়াশি অভিযান: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার-মোটরসাইকেল পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের!! নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান সিরাজদিখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জ, দৌলতপুরের চরকাটারীতে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফল কাঁঠালের সমারোহে মুখর উঠোন, শিশুদের উচ্ছ্বাস চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোতে বাধা, অত্যাচার-নির্যাতন এবং গ্রেফতারের প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৫১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • ৮৯ Time View

 

৭ই মার্চ বাঙালির জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্মুখ লড়াই মূলত ১৯৭১ সালের সাতই মার্চ থেকেই শুরু হয় এবং ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি সমাপ্ত হয়। ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধ, জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে।

অতীতে সামরিক-বেসামরিক ও সুশীল নামধারী অনেক সরকারই ৭ই মার্চকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করেছে। কিন্তু গণমানুষের স্বতঃস্ফূর্ত স্মরণে এর গুরুত্ব বরং বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বর্তমানে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃত। খবর আইবিএননিউজ।

আওয়ামী লীগ বলেছেন অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বর্তমান সরকারও অতীতের সামরিক-বেসামরিক ও সুশীল নামধারী সরকারের পথেই হাঁটছে। ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ বাজানোকে অপরাধ গণ্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীকে শাহবাগ থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারের পূর্বে উগ্রবাদীরা নির্যাতন করেছে। অপরদিকে ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বরের বাড়ি, যা ইতোমধ্যে জঙ্গিদের আক্রমণ ও ভাঙচুরে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে, সেই ঐতিহাসিক বাড়ি অঙ্গনে জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর অপরাধে কয়েকজন রিক্সাচালককে গ্রেফতার করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে। একইভাবে সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে এবং একই কারণে অনেক নেতাকর্মীকে হয়রানি ও মবের শিকার হতে হয়েছে। যার মাধ্যমে প্রশ্ন উঠছে দেশে আদৌ কোন সরকার রয়েছে?

এই ধরণের গ্রেফতার ও নির্যাতনের বিষয়ে শুধু এটুকু বলতে চাই- ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন। কেননা ইতিহাসের প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে সাতই মার্চ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরস্মরণীয় ও ক্রমশ উজ্জ্বলতর হতে থাকবেন। যা মিথ্যা ও বিকৃত ইতিহাস দিয়ে চেপে রাখা যাবে না।

তথ্যসূত্র:

  • আইবিএননিউজ

  • হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ

আরও পড়ুনঃ  পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের!!
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোতে বাধা, অত্যাচার-নির্যাতন এবং গ্রেফতারের প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ

সময়: ০৭:৫১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

 

৭ই মার্চ বাঙালির জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্মুখ লড়াই মূলত ১৯৭১ সালের সাতই মার্চ থেকেই শুরু হয় এবং ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি সমাপ্ত হয়। ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধ, জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে।

অতীতে সামরিক-বেসামরিক ও সুশীল নামধারী অনেক সরকারই ৭ই মার্চকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করেছে। কিন্তু গণমানুষের স্বতঃস্ফূর্ত স্মরণে এর গুরুত্ব বরং বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বর্তমানে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃত। খবর আইবিএননিউজ।

আওয়ামী লীগ বলেছেন অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বর্তমান সরকারও অতীতের সামরিক-বেসামরিক ও সুশীল নামধারী সরকারের পথেই হাঁটছে। ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ বাজানোকে অপরাধ গণ্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীকে শাহবাগ থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারের পূর্বে উগ্রবাদীরা নির্যাতন করেছে। অপরদিকে ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বরের বাড়ি, যা ইতোমধ্যে জঙ্গিদের আক্রমণ ও ভাঙচুরে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে, সেই ঐতিহাসিক বাড়ি অঙ্গনে জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর অপরাধে কয়েকজন রিক্সাচালককে গ্রেফতার করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে। একইভাবে সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে এবং একই কারণে অনেক নেতাকর্মীকে হয়রানি ও মবের শিকার হতে হয়েছে। যার মাধ্যমে প্রশ্ন উঠছে দেশে আদৌ কোন সরকার রয়েছে?

এই ধরণের গ্রেফতার ও নির্যাতনের বিষয়ে শুধু এটুকু বলতে চাই- ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন। কেননা ইতিহাসের প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে সাতই মার্চ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরস্মরণীয় ও ক্রমশ উজ্জ্বলতর হতে থাকবেন। যা মিথ্যা ও বিকৃত ইতিহাস দিয়ে চেপে রাখা যাবে না।

তথ্যসূত্র:

  • আইবিএননিউজ

  • হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ