Dhaka ০৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় গোমস্তাপুরে প্রতিবাদ সভা “ডুমুরিয়ায় ‘রাজা মানিক’ গরু পালন করে স্বাবলম্বী মিনু সাহা” নড়াইলে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার বীরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজ পরিদর্শনে আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু _এমপি চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নয়, পাওয়া গেল ৪ কোটি টাকার ইয়াবা অস্থায়ীভাবে নতুন ঠিকানায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ ডুমুরিয়ায় উপজেলায় সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতারিত ও নির্যাতিতদের সহায়তার উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে ” জয় শ্রীরাম ” কৌশলে জিতে গেল বিজেপি
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:২২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • ১০ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ


জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম ( জেএসএফ) বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এক বিবৃতি ও ফেইসবুক লাইভে বলেছেন, আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট। আওয়ামী লীগ সাহাবুদ্দিনকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি এসাইনমেন্ট দিয়ে; খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর আমলে আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও প্রেসিডেন্ট হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।

সংসদ ও প্রশাসনকে ক্রিকেট বোর্ডের মতো পরিবারতন্ত্র বানিয়েছে এই সরকার। নিজের ছেলের স্ত্রী , নিজে এবং আপন বাপ মেয়ে , স্বামী স্ত্রী দিয়ে এখন জাতীয় সংসদের এমপি বানিয়ে এই সরকার পরিবারতন্ত্র সংসদে পরিণত করেছে।

জেএসএফ বাংলাদেশ বিবৃতিতে আরো বলেছে ,জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রণীত সনদের পক্ষে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী সমর্থন জানিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে সনদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলো এ সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করলেও বর্তমানে তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করছে। “জুলাই সনদ বাস্তবায়িত না হলে তা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে। তাই দেরি না করে দ্রুত সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”

গণভোটের আগে দীর্ঘ চার মাস সময় থাকা সত্ত্বেও সরকার বা সংশ্লিষ্টরা কেন কোনো আপত্তি তোলেননি। ১৭ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর, ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ, ২৫ নভেম্বর গণভোটের অধ্যাদেশ, ফেব্রুয়ারিতে ভোট এই পুরো সময়জুড়ে কেউ বলেননি এসব অসাংবিধানিক। অথচ ক্ষমতায় বসেই সবকিছু অবৈধ বলা হচ্ছে। এটি সুস্পষ্ট দ্বিচারিতা।জুলাই সনদের আড়ালে গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হচ্ছে। এটি কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে অবস্থান।

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ২ জন ডাকাত আটক
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় গোমস্তাপুরে প্রতিবাদ সভা

জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ

সময়: ১১:২২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ


জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম ( জেএসএফ) বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এক বিবৃতি ও ফেইসবুক লাইভে বলেছেন, আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট। আওয়ামী লীগ সাহাবুদ্দিনকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি এসাইনমেন্ট দিয়ে; খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর আমলে আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও প্রেসিডেন্ট হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।

সংসদ ও প্রশাসনকে ক্রিকেট বোর্ডের মতো পরিবারতন্ত্র বানিয়েছে এই সরকার। নিজের ছেলের স্ত্রী , নিজে এবং আপন বাপ মেয়ে , স্বামী স্ত্রী দিয়ে এখন জাতীয় সংসদের এমপি বানিয়ে এই সরকার পরিবারতন্ত্র সংসদে পরিণত করেছে।

জেএসএফ বাংলাদেশ বিবৃতিতে আরো বলেছে ,জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রণীত সনদের পক্ষে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী সমর্থন জানিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে সনদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলো এ সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করলেও বর্তমানে তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করছে। “জুলাই সনদ বাস্তবায়িত না হলে তা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে। তাই দেরি না করে দ্রুত সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”

গণভোটের আগে দীর্ঘ চার মাস সময় থাকা সত্ত্বেও সরকার বা সংশ্লিষ্টরা কেন কোনো আপত্তি তোলেননি। ১৭ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর, ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ, ২৫ নভেম্বর গণভোটের অধ্যাদেশ, ফেব্রুয়ারিতে ভোট এই পুরো সময়জুড়ে কেউ বলেননি এসব অসাংবিধানিক। অথচ ক্ষমতায় বসেই সবকিছু অবৈধ বলা হচ্ছে। এটি সুস্পষ্ট দ্বিচারিতা।জুলাই সনদের আড়ালে গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হচ্ছে। এটি কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে অবস্থান।

আরও পড়ুনঃ  মানববন্ধনের দাবির পর গ্রেফতার: মৌলভীবাজারে স্বস্তি, তবে ন্যায়বিচারের পূর্ণতা এখনো বাকি