Dhaka ০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন বগুড়ায় ডিবির সাঁড়াশি অভিযান: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার-মোটরসাইকেল পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের!! নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান সিরাজদিখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জ, দৌলতপুরের চরকাটারীতে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফল কাঁঠালের সমারোহে মুখর উঠোন, শিশুদের উচ্ছ্বাস চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

১৯৭১ এর ঢাকায় ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানে ভাষনরত অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:১৮:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ১৬৭ Time View

 

-রুনু হাসান,


আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের ঐতিহাসিক একটি দিন বাংলাদেশের স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক দিন। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে পাকিস্তান নামক একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্বের রাষ্ট্রের জন্ম হলেও পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান নামের ২টি খন্ডে জন্ম নেয়া পূর্ব পাকিস্তান নামক খন্ডটি ছিলো ভারত বর্ষের অপর প্রান্তে ১২ শত কিলোমিটার দূরে। তার পরে ও বৃটিশ বেনিয়াদের সূক্ষ্ম পলিসি তৎকালীন ভারত বর্ষের আভ্যান্তরিন চতুরতায় সকল কিছু মিলিয়ে দীর্ঘ ২৪ বছরের পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্য ও শোষন নীতির যাঁতা কল থেকে ৫২ ,এর মাতৃভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থান পরিশেষে ১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম তৎকালীন সাড়ে সাত কোটি বাঙালির একমাত্র প্রানের স্পন্দন বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।

 

মূলত পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর একতরফা শাসন শোষন থেকে মুক্তি পেতেই পূর্ব পাকিস্তান এর জনগন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে। যার ফল শ্রুতিতে ঢাকা,চট্রগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর সহ সারা পূর্ব পাকিস্তান তখন স্বাধীন সার্বভৌমত্বের বাংলাদেশ এর জন্য অগ্নিগর্ভ অবস্থানে থাকাবস্হায় ১৯৭১ এর ৭ ই মার্চ ঢাকায় ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষন প্রচার ও বক্তৃতা করার ব্যবস্হার আয়োজন করে ফেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর তৎসময়ের ছাএ নেতাদের নেতৃত্বে।

 

পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক ইয়াহিয়ার সরকার পূর্ব বাংলার মানুষের বাঁধভাঙা গনজোয়ার রুখতে পারেনি। তাই ১৯৭১ এর ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর উপস্হিতিতে লক্ষ কোটি জনতার উপস্হিতিতে ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানের জনসভা সফল হয়। ঐতিহাসিক এই জনসভায় শেখ মজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা করেন। যেমনঃ তিনি বলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,, তিনি তাঁর এই ঐতিহাসিক বক্তব্যে আরো বলেন,আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমাদের যার যা কিছু আছে,, তাই নিয়ে শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ো।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের!!

গণমানুষের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের মন্রমুগ্ধ ভাষনের সাথে সাথে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা পূর্ব বাংলার জনগন স্বশস্র যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে যুদ্ধ শুরু করে। পরিশেষে দীর্ঘ ৯ মাস স্বশস্র মুক্তি যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ শহীদদের ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে ১৯৭১ র,১৬ ডিসেম্বর বাংলার স্বাধীনতার লাল সূর্য উদিত হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌমত্বের বাংলাদেশ হিসাবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়ায়। তাই বাংলার স্বাধীনতার সূতিকাগার হিসাবে আজও এবং অনাগত দিন গুলিতে ঢাকার ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানের গুরুত্ব অপরিসীম হিসাবে ছিলো, আছে এবং থাকবে। এই ময়দানের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক রের্সকোর্স এর ৭ ই মার্চ এর মহামূল্যবান ভাষনকে ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ভাষন হিসাবে ইতোপূর্বে রেকর্ডের আর্কাইভে নিয়েছে। যাহা পৃথিবীর মহা মূল্যবান ভাষন হিসাবে অনাগত পৃথিবীতে ও থাকবে।।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন

১৯৭১ এর ঢাকায় ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানে ভাষনরত অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।

সময়: ০৮:১৮:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

 

-রুনু হাসান,


আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের ঐতিহাসিক একটি দিন বাংলাদেশের স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক দিন। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে পাকিস্তান নামক একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্বের রাষ্ট্রের জন্ম হলেও পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান নামের ২টি খন্ডে জন্ম নেয়া পূর্ব পাকিস্তান নামক খন্ডটি ছিলো ভারত বর্ষের অপর প্রান্তে ১২ শত কিলোমিটার দূরে। তার পরে ও বৃটিশ বেনিয়াদের সূক্ষ্ম পলিসি তৎকালীন ভারত বর্ষের আভ্যান্তরিন চতুরতায় সকল কিছু মিলিয়ে দীর্ঘ ২৪ বছরের পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্য ও শোষন নীতির যাঁতা কল থেকে ৫২ ,এর মাতৃভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থান পরিশেষে ১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম তৎকালীন সাড়ে সাত কোটি বাঙালির একমাত্র প্রানের স্পন্দন বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।

 

মূলত পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর একতরফা শাসন শোষন থেকে মুক্তি পেতেই পূর্ব পাকিস্তান এর জনগন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে। যার ফল শ্রুতিতে ঢাকা,চট্রগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর সহ সারা পূর্ব পাকিস্তান তখন স্বাধীন সার্বভৌমত্বের বাংলাদেশ এর জন্য অগ্নিগর্ভ অবস্থানে থাকাবস্হায় ১৯৭১ এর ৭ ই মার্চ ঢাকায় ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষন প্রচার ও বক্তৃতা করার ব্যবস্হার আয়োজন করে ফেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর তৎসময়ের ছাএ নেতাদের নেতৃত্বে।

 

পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক ইয়াহিয়ার সরকার পূর্ব বাংলার মানুষের বাঁধভাঙা গনজোয়ার রুখতে পারেনি। তাই ১৯৭১ এর ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর উপস্হিতিতে লক্ষ কোটি জনতার উপস্হিতিতে ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানের জনসভা সফল হয়। ঐতিহাসিক এই জনসভায় শেখ মজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা করেন। যেমনঃ তিনি বলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,, তিনি তাঁর এই ঐতিহাসিক বক্তব্যে আরো বলেন,আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমাদের যার যা কিছু আছে,, তাই নিয়ে শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ো।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ

গণমানুষের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের মন্রমুগ্ধ ভাষনের সাথে সাথে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা পূর্ব বাংলার জনগন স্বশস্র যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে যুদ্ধ শুরু করে। পরিশেষে দীর্ঘ ৯ মাস স্বশস্র মুক্তি যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ শহীদদের ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে ১৯৭১ র,১৬ ডিসেম্বর বাংলার স্বাধীনতার লাল সূর্য উদিত হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌমত্বের বাংলাদেশ হিসাবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়ায়। তাই বাংলার স্বাধীনতার সূতিকাগার হিসাবে আজও এবং অনাগত দিন গুলিতে ঢাকার ঐতিহাসিক রের্সকোর্স ময়দানের গুরুত্ব অপরিসীম হিসাবে ছিলো, আছে এবং থাকবে। এই ময়দানের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক রের্সকোর্স এর ৭ ই মার্চ এর মহামূল্যবান ভাষনকে ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ভাষন হিসাবে ইতোপূর্বে রেকর্ডের আর্কাইভে নিয়েছে। যাহা পৃথিবীর মহা মূল্যবান ভাষন হিসাবে অনাগত পৃথিবীতে ও থাকবে।।