Dhaka ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
উপজেলা বিএনপির শীর্ষ দুই পদে প্রধান শিক্ষক বললেন, ‘আমরা সরকারি চাকরি ছেড়ে দেবো’ উপজেলা বিএনপির শীর্ষ দুই পদে প্রধান শিক্ষক বললেন, ‘আমরা সরকারি চাকরি ছেড়ে দেবো’ জঙ্গল সলিমপুরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত ‘রাজনীতি ছেড়ে পড়াশোনায় মনোযোগ দিন’, সারজিস-পাটওয়ারীকে ফারুক হাসানের পাল্টা জবাব ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন আধা ঘণ্টা সময় দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ৫০০ তরুণ আইনজীবীকে দক্ষ করার লক্ষ্য, শুরু ইন্টার্নশিপের তৃতীয় ব্যাচ সুস্থ হয়ে চুয়েটে ফিরবেন উপাচার্য, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শিক্ষার্থীদের আত্রাইয়ে মাদকদ্রব্যসহ ছাত্রদল নেতাকে এক দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল অফিস: ইউজিসি সদস্য ড. মামুন লামায় তিন কিশোরী নিখোঁজ, পাঁচ দিনেও মেলেনি সন্ধান
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

২০০ শয্যা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রস্তাব,ক্ষোভে ফুঁসছে রংপুর বিভাগ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৪ Time View

 

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর

রংপুর বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান পরিবর্তন করে লালমনিরহাট সদর উপজেলায় বাস্তবায়নের প্রস্তাব ঘিরে আলোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে, বিভাগীয় শহরের জন্য অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা নিয়ে। প্রাপ্ত নথিতে দেখা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আওতায় রংপুর বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। এ জন্য রংপুর সদরের মন্থনা মৌজায় ১০ একর জমি একোয়ারের কাজ চলমান। তবে পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি লালমনিরহাট সদর উপজেলায় স্থানান্তরের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

নথি অনুযায়ী, রংপুরের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রকল্পটি রংপুর সদর উপজেলার নির্ধারিত স্থানে বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে রংপুর বিভাগের ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা এবং বিভাগের বিভিন্ন জেলার মানুষের সেবা গ্রহণের সুবিধার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। রংপুরে বাস্তবায়নের পক্ষে যুক্তিঃ রংপুর বিভাগে রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়—এই আটটি জেলা রয়েছে। বিভাগীয় শহর রংপুর তুলনামূলকভাবে কেন্দ্রীয় অবস্থানে থাকায় এখান থেকে বিভিন্ন জেলার মানুষের যাতায়াত ও সেবা গ্রহণ সহজ হতে পারে বলে মনে করছেন প্রকল্পের স্থান পরিবর্তনের বিরোধিতাকারীরা। তাঁদের মতে, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্যসেবা। এ ধরনের বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান এমন স্থানে হওয়া প্রয়োজন, যেখানে অধিকসংখ্যক মানুষ সহজে পৌঁছাতে পারবেন। লালমনিরহাটে প্রকল্পটি স্থানান্তর করা হলে বিভাগের দূরবর্তী কয়েকটি জেলার মানুষের যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় ও ব্যয় হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। সম্প্রতি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রটি রংপুর থেকে সরিয়ে নিজ জেলা লালমনিরহাটে নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি  দিয়েছেন  দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ রংপুরের নানামহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নতুন প্রকল্প নেওয়ার দাবিঃ এ নিয়ে সমালোচনাকারীদের বক্তব্য, লালমনিরহাটে এ ধরনের কেন্দ্রের প্রয়োজন থাকলে সেখানে পৃথক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তবে রংপুরের জন্য অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান পরিবর্তনের আগে জনস্বার্থ, ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা ও সেবাপ্রাপ্তির সুবিধা বিবেচনা করা জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  ভোলাহাটে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এমন যুবকের মরদেহ উদ্ধার

এ ছাড়া রংপুর বিভাগীয় শহরে সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপনের প্রকল্প অন্য জেলায় বাস্তবায়নের প্রসঙ্গও আলোচনায় টানা হচ্ছে। তাঁদের মতে, বিভাগীয় শহরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের অবস্থান নির্ধারণে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। আঞ্চলিক বৈষম্য নয়,সমন্বিত উন্নয়নের প্রত্যাশাঃ রংপুরের উন্নয়নসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যাশা, কোনো জেলার উন্নয়ন যেন অন্য জেলার মানুষের সেবা পাওয়ার সুযোগ সীমিত না করে। বরং প্রতিটি জেলার প্রয়োজন বিবেচনায় পৃথক প্রকল্প গ্রহণ এবং বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সমন্বিত পরিকল্পনা করা উচিত। তবে প্রকল্পটির স্থান পরিবর্তনের প্রস্তাবের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা, চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং সম্ভাব্য বাস্তবায়নস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। এখন মূল প্রশ্ন—রংপুরের জন্য অনুমোদিত ২০০ শয্যার মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রকল্পটি কোথায় বাস্তবায়িত হবে, আর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে? এটি এখন দেখার বিষয়।

অন্যদিকে রংপুরেই মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রটি স্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে রংপুর বিভাগের দায়িত্বে থাকা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম চিঠিতে বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের দিক থেকে রংপুর বিভাগীয় শহর বিভিন্ন জেলার জনগণের জন্য তুলনামূলক সহজগম্য। তিনি আরও উল্লেখ করেন,ইতিমধ্যে রংপুর সদর উপজেলার মন্থনা মৌজায় ১০ একর জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

উপজেলা বিএনপির শীর্ষ দুই পদে প্রধান শিক্ষক বললেন, ‘আমরা সরকারি চাকরি ছেড়ে দেবো’

২০০ শয্যা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রস্তাব,ক্ষোভে ফুঁসছে রংপুর বিভাগ

সময়: ০৯:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

 

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর

রংপুর বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান পরিবর্তন করে লালমনিরহাট সদর উপজেলায় বাস্তবায়নের প্রস্তাব ঘিরে আলোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে, বিভাগীয় শহরের জন্য অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা নিয়ে। প্রাপ্ত নথিতে দেখা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আওতায় রংপুর বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। এ জন্য রংপুর সদরের মন্থনা মৌজায় ১০ একর জমি একোয়ারের কাজ চলমান। তবে পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি লালমনিরহাট সদর উপজেলায় স্থানান্তরের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

নথি অনুযায়ী, রংপুরের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রকল্পটি রংপুর সদর উপজেলার নির্ধারিত স্থানে বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে রংপুর বিভাগের ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা এবং বিভাগের বিভিন্ন জেলার মানুষের সেবা গ্রহণের সুবিধার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। রংপুরে বাস্তবায়নের পক্ষে যুক্তিঃ রংপুর বিভাগে রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়—এই আটটি জেলা রয়েছে। বিভাগীয় শহর রংপুর তুলনামূলকভাবে কেন্দ্রীয় অবস্থানে থাকায় এখান থেকে বিভিন্ন জেলার মানুষের যাতায়াত ও সেবা গ্রহণ সহজ হতে পারে বলে মনে করছেন প্রকল্পের স্থান পরিবর্তনের বিরোধিতাকারীরা। তাঁদের মতে, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্যসেবা। এ ধরনের বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান এমন স্থানে হওয়া প্রয়োজন, যেখানে অধিকসংখ্যক মানুষ সহজে পৌঁছাতে পারবেন। লালমনিরহাটে প্রকল্পটি স্থানান্তর করা হলে বিভাগের দূরবর্তী কয়েকটি জেলার মানুষের যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় ও ব্যয় হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। সম্প্রতি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রটি রংপুর থেকে সরিয়ে নিজ জেলা লালমনিরহাটে নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি  দিয়েছেন  দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ রংপুরের নানামহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নতুন প্রকল্প নেওয়ার দাবিঃ এ নিয়ে সমালোচনাকারীদের বক্তব্য, লালমনিরহাটে এ ধরনের কেন্দ্রের প্রয়োজন থাকলে সেখানে পৃথক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তবে রংপুরের জন্য অনুমোদিত প্রকল্পের স্থান পরিবর্তনের আগে জনস্বার্থ, ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা ও সেবাপ্রাপ্তির সুবিধা বিবেচনা করা জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার জেলা কার্যালয় উদ্বোধন

এ ছাড়া রংপুর বিভাগীয় শহরে সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপনের প্রকল্প অন্য জেলায় বাস্তবায়নের প্রসঙ্গও আলোচনায় টানা হচ্ছে। তাঁদের মতে, বিভাগীয় শহরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের অবস্থান নির্ধারণে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। আঞ্চলিক বৈষম্য নয়,সমন্বিত উন্নয়নের প্রত্যাশাঃ রংপুরের উন্নয়নসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যাশা, কোনো জেলার উন্নয়ন যেন অন্য জেলার মানুষের সেবা পাওয়ার সুযোগ সীমিত না করে। বরং প্রতিটি জেলার প্রয়োজন বিবেচনায় পৃথক প্রকল্প গ্রহণ এবং বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সমন্বিত পরিকল্পনা করা উচিত। তবে প্রকল্পটির স্থান পরিবর্তনের প্রস্তাবের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা, চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং সম্ভাব্য বাস্তবায়নস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। এখন মূল প্রশ্ন—রংপুরের জন্য অনুমোদিত ২০০ শয্যার মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রকল্পটি কোথায় বাস্তবায়িত হবে, আর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে? এটি এখন দেখার বিষয়।

অন্যদিকে রংপুরেই মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রটি স্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে রংপুর বিভাগের দায়িত্বে থাকা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম চিঠিতে বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের দিক থেকে রংপুর বিভাগীয় শহর বিভিন্ন জেলার জনগণের জন্য তুলনামূলক সহজগম্য। তিনি আরও উল্লেখ করেন,ইতিমধ্যে রংপুর সদর উপজেলার মন্থনা মৌজায় ১০ একর জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।