Dhaka ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ব্রাহ্মণপাড়ায় তাহেরিয়া বখশীয়া দরবার শরীফের ৩৮ তম বাৎসরিক ওরশ অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়-২ আসনে আটজনের মধ্যে জামানত হারালেন ৬ জন পদ প্রার্থী রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার নড়াইলে তাল গাছের স্বল্পতা অস্তিত্বের লড়াইয়ে বাবুই পাখির ৩০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক ডিবিপুলিশ এক নজরে জনাব সাঈদ আল নোমান  চট্টগ্রাম-১১-এ ধানের শীষের বিজয় ঘিরে তৃণমূলের শক্ত অবস্থান,দোয়া মাহফিল শেষে বিএনপি নেতাদের ফুলেল সংবর্ধনা,ঐক্যের বার্তা তেতুলিয়ায় মোটরসাইকেল ধাক্কায় একজন পথচারীর মৃত্যু আরোহী আশাংখাজনক দানবীর আলহাজ্ব বশির আহমদ এর মৃত্যুতে হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর শোক মরিচ্যা চেকপোস্টে বাসে লুকানো ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

এক নজরে জনাব সাঈদ আল নোমান 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৩ Time View

একনজরে জনাব সাঈদ আল নোমান 

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:


জনাব সাঈদ আল নোমান যার সততা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও বিচক্ষণতা, তারুণ্যের প্রতিনিধিত্ব, শিক্ষাগত উৎকর্ষতা ও দূরদর্শীতা প্রমাণিত সত্য।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

সাঈদ আল নোমানের একাডেমিক যাত্রা তিনটি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত এক নিবিড় অন্বেষণের কাহিনি। ব্যবসায়িক দক্ষতা থেকে শুরু করে জননীতি, শাসনতত্ত্ব এবং প্রযুক্তিচালিত নেতৃত্বের জটিল কাঠামো পর্যন্ত—প্রতিটি পর্যায়ে তিনি নিজেকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের Central Michigan University থেকে ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতক সম্পন্ন করার সময় তিনি অর্জন করেন Summa Cum Laude সম্মাননা—একটি স্বীকৃতি যা তাঁর মেধা ও শৃঙ্খলার প্রাথমিক প্রমাণ। এই পর্বে গড়ে ওঠে ব্যবস্থাপনা, সাংগঠনিক আচরণ এবং কৌশলগত চিন্তার মৌলিক ভিত্তি।

পরবর্তীকালে যুক্তরাজ্যের London School of Economics and Political Science (LSE) থেকে তিনি সম্পন্ন করেন MSc in Public Policy and Public Administration, যেখানে গবেষণাকেন্দ্রিক পদ্ধতিতে অধ্যয়ন করেন রাষ্ট্রীয় নীতি প্রণয়ন, শাসনের কার্যকারিতা এবং সামাজিক উন্নয়নের তাত্ত্বিক ও প্রয়োগিক দিকগুলো। এই পর্যায়ে তাঁর মধ্যে বিকশিত হয় তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও নীতিভিত্তিক সমাধান খোঁজার সক্ষমতা।

University of Oxford-এ MPhil পর্যায়ে তিনি নিমগ্ন হন তুলনামূলক সামাজিক নীতি ও শাসনব্যবস্থার গবেষণায়, যা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নীতির প্রভাব বিশ্লেষণের গভীরতা।

এরপর তিনি আবার ফিরে আসেন LSE-তে, এবার PhD গবেষণার জন্য। কিন্তু তত্ত্বের চেয়ে বাস্তবতায় অবদান রাখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা তাঁকে টেনে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার পথে।

এই শিক্ষাযাত্রা কেবল সনদের সংগ্রহ নয়—এটি এক ধরনের বৌদ্ধিক তপস্যা, যা তাঁকে সজ্জিত করেছে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্লেষণী তীক্ষ্ণতা এবং নীতিনির্ভর নেতৃত্বের জন্য।

পেশাগত অভিজ্ঞতা ও অবদান

পেশাগত জীবনে সাঈদ আল নোমান কেবল প্রশাসক নন—তিনি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা ও স্থপতি। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ভূমিতে তিনি রোপণ করেছেন দূরদর্শিতার বীজ, যা আজ বৃক্ষরূপে দাঁড়িয়ে আছে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি (East Delta University) তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ ইনোভেশন অফিসার হিসেবে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি আধুনিক, গবেষণামুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান। কেবল ভবন বা পাঠ্যক্রম নয়, তিনি নির্মাণ করেছেন একটি দর্শন—যেখানে শিক্ষা হবে প্রাসঙ্গিক, উদ্ভাবনী এবং ভবিষ্যতের জন্য।

তাঁর উদ্যোগে EDU তে চালু হয়েছে যুগান্তকারী সব প্রোগ্রাম:

– Master of Public Policy and Leadership (MPPL)—যা শাসনব্যবস্থায় দক্ষ, নৈতিক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে পরিচালিত।

– MSc in Data Analytics and Design Thinking for Business—যেখানে উপাত্ত বিশ্লেষণ ও সৃজনশীল চিন্তার সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে নতুন প্রজন্মের সমস্যা সমাধানকারী।

– BSc in Business Administration and Artificial Intelligence—যা ব্যবসায়িক বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সংযুক্ত করছে।

এই প্রোগ্রামগুলো নিছক একাডেমিক কার্যক্রম নয়, বরং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও ভবিষ্যতের দক্ষতার চাহিদার সঙ্গে সেতুবন্ধন।

শিক্ষার মূলে ফিরে যাওয়ার গুরুত্ব উপলব্ধি করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন East Delta International School। এখানে প্রাথমিক শিক্ষার পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, সৃজনশীলতা, খেলাধুলার মাধ্যমে শেখা এবং মানবিক মূল্যবোধ—যা তাঁর বিশ্বাস অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার প্রকৃত ভিত্তি।

S A P (এস এ পি)-এ পেশাগত সার্টিফিকেশন ও ERP সিস্টেমে তাঁর দক্ষতা তাঁকে প্রযুক্তিনির্ভর শাসনব্যবস্থা ও ডিজিটাল রূপান্তরের একজন সক্ষম স্থপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তথ্যব্যবস্থাপনা, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা তাঁকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের উপযুক্ত কারিগর হিসেবে উপস্থাপন করে।

কেন তিনি মন্ত্রিত্বের জন্য দারুণভাবে উপযুক্ত:

সাঈদ আল নোমানের যোগ্যতা কেবল সনদ বা পদে সীমাবদ্ধ নয়—এটি একটি পরিপূর্ণ দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়, যা রাষ্ট্র পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য অপরিহার্য।

পারিবারিক ও মানসিক উত্তরাধিকার 

সাঈদ আল নোমানের ব্যক্তিত্বের শিকড় প্রোথিত রয়েছে তাঁর পরিবারে। মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমান জাতীয় রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে যে নিষ্ঠা, সততা ও দূরদর্শিতা প্রদর্শন করেছেন, তা তাঁর পুত্রের চিন্তা ও কর্মে প্রতিফলিত। এই উত্তরাধিকার কেবল রাজনৈতিক নয়—এটি নৈতিক, যা ক্ষমতার চেয়ে দায়িত্বকে বড় করে দেখতে শেখায়।

সাঈদ আল নোমান একজন শিক্ষানেতা, নীতিবিশ্লেষক, প্রযুক্তিবিদ এবং রূপান্তরকামী নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁর শিক্ষা আন্তর্জাতিক মানের, তাঁর অভিজ্ঞতা বহুমাত্রিক, এবং তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতমুখী। বাংলাদেশের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও পরিকল্পনা খাতে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজন এমন নেতৃত্ব—যা তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক সক্ষমতার বিরল সমন্বয়ে গঠিত।

তিনি কেবল যোগ্য নন—তিনি আজকের সময়ের জন্য প্রয়োজনীয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় নিউজ

ব্রাহ্মণপাড়ায় তাহেরিয়া বখশীয়া দরবার শরীফের ৩৮ তম বাৎসরিক ওরশ অনুষ্ঠিত

এক নজরে জনাব সাঈদ আল নোমান 

Update Time : ০৫:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:


জনাব সাঈদ আল নোমান যার সততা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও বিচক্ষণতা, তারুণ্যের প্রতিনিধিত্ব, শিক্ষাগত উৎকর্ষতা ও দূরদর্শীতা প্রমাণিত সত্য।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

সাঈদ আল নোমানের একাডেমিক যাত্রা তিনটি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত এক নিবিড় অন্বেষণের কাহিনি। ব্যবসায়িক দক্ষতা থেকে শুরু করে জননীতি, শাসনতত্ত্ব এবং প্রযুক্তিচালিত নেতৃত্বের জটিল কাঠামো পর্যন্ত—প্রতিটি পর্যায়ে তিনি নিজেকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের Central Michigan University থেকে ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতক সম্পন্ন করার সময় তিনি অর্জন করেন Summa Cum Laude সম্মাননা—একটি স্বীকৃতি যা তাঁর মেধা ও শৃঙ্খলার প্রাথমিক প্রমাণ। এই পর্বে গড়ে ওঠে ব্যবস্থাপনা, সাংগঠনিক আচরণ এবং কৌশলগত চিন্তার মৌলিক ভিত্তি।

পরবর্তীকালে যুক্তরাজ্যের London School of Economics and Political Science (LSE) থেকে তিনি সম্পন্ন করেন MSc in Public Policy and Public Administration, যেখানে গবেষণাকেন্দ্রিক পদ্ধতিতে অধ্যয়ন করেন রাষ্ট্রীয় নীতি প্রণয়ন, শাসনের কার্যকারিতা এবং সামাজিক উন্নয়নের তাত্ত্বিক ও প্রয়োগিক দিকগুলো। এই পর্যায়ে তাঁর মধ্যে বিকশিত হয় তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও নীতিভিত্তিক সমাধান খোঁজার সক্ষমতা।

University of Oxford-এ MPhil পর্যায়ে তিনি নিমগ্ন হন তুলনামূলক সামাজিক নীতি ও শাসনব্যবস্থার গবেষণায়, যা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নীতির প্রভাব বিশ্লেষণের গভীরতা।

এরপর তিনি আবার ফিরে আসেন LSE-তে, এবার PhD গবেষণার জন্য। কিন্তু তত্ত্বের চেয়ে বাস্তবতায় অবদান রাখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা তাঁকে টেনে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার পথে।

এই শিক্ষাযাত্রা কেবল সনদের সংগ্রহ নয়—এটি এক ধরনের বৌদ্ধিক তপস্যা, যা তাঁকে সজ্জিত করেছে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্লেষণী তীক্ষ্ণতা এবং নীতিনির্ভর নেতৃত্বের জন্য।

পেশাগত অভিজ্ঞতা ও অবদান

পেশাগত জীবনে সাঈদ আল নোমান কেবল প্রশাসক নন—তিনি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা ও স্থপতি। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ভূমিতে তিনি রোপণ করেছেন দূরদর্শিতার বীজ, যা আজ বৃক্ষরূপে দাঁড়িয়ে আছে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি (East Delta University) তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ ইনোভেশন অফিসার হিসেবে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি আধুনিক, গবেষণামুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান। কেবল ভবন বা পাঠ্যক্রম নয়, তিনি নির্মাণ করেছেন একটি দর্শন—যেখানে শিক্ষা হবে প্রাসঙ্গিক, উদ্ভাবনী এবং ভবিষ্যতের জন্য।

তাঁর উদ্যোগে EDU তে চালু হয়েছে যুগান্তকারী সব প্রোগ্রাম:

– Master of Public Policy and Leadership (MPPL)—যা শাসনব্যবস্থায় দক্ষ, নৈতিক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে পরিচালিত।

– MSc in Data Analytics and Design Thinking for Business—যেখানে উপাত্ত বিশ্লেষণ ও সৃজনশীল চিন্তার সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে নতুন প্রজন্মের সমস্যা সমাধানকারী।

– BSc in Business Administration and Artificial Intelligence—যা ব্যবসায়িক বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সংযুক্ত করছে।

এই প্রোগ্রামগুলো নিছক একাডেমিক কার্যক্রম নয়, বরং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও ভবিষ্যতের দক্ষতার চাহিদার সঙ্গে সেতুবন্ধন।

শিক্ষার মূলে ফিরে যাওয়ার গুরুত্ব উপলব্ধি করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন East Delta International School। এখানে প্রাথমিক শিক্ষার পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, সৃজনশীলতা, খেলাধুলার মাধ্যমে শেখা এবং মানবিক মূল্যবোধ—যা তাঁর বিশ্বাস অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার প্রকৃত ভিত্তি।

S A P (এস এ পি)-এ পেশাগত সার্টিফিকেশন ও ERP সিস্টেমে তাঁর দক্ষতা তাঁকে প্রযুক্তিনির্ভর শাসনব্যবস্থা ও ডিজিটাল রূপান্তরের একজন সক্ষম স্থপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তথ্যব্যবস্থাপনা, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা তাঁকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের উপযুক্ত কারিগর হিসেবে উপস্থাপন করে।

কেন তিনি মন্ত্রিত্বের জন্য দারুণভাবে উপযুক্ত:

সাঈদ আল নোমানের যোগ্যতা কেবল সনদ বা পদে সীমাবদ্ধ নয়—এটি একটি পরিপূর্ণ দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়, যা রাষ্ট্র পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য অপরিহার্য।

পারিবারিক ও মানসিক উত্তরাধিকার 

সাঈদ আল নোমানের ব্যক্তিত্বের শিকড় প্রোথিত রয়েছে তাঁর পরিবারে। মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমান জাতীয় রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে যে নিষ্ঠা, সততা ও দূরদর্শিতা প্রদর্শন করেছেন, তা তাঁর পুত্রের চিন্তা ও কর্মে প্রতিফলিত। এই উত্তরাধিকার কেবল রাজনৈতিক নয়—এটি নৈতিক, যা ক্ষমতার চেয়ে দায়িত্বকে বড় করে দেখতে শেখায়।

সাঈদ আল নোমান একজন শিক্ষানেতা, নীতিবিশ্লেষক, প্রযুক্তিবিদ এবং রূপান্তরকামী নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁর শিক্ষা আন্তর্জাতিক মানের, তাঁর অভিজ্ঞতা বহুমাত্রিক, এবং তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতমুখী। বাংলাদেশের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও পরিকল্পনা খাতে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজন এমন নেতৃত্ব—যা তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক সক্ষমতার বিরল সমন্বয়ে গঠিত।

তিনি কেবল যোগ্য নন—তিনি আজকের সময়ের জন্য প্রয়োজনীয়।