এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের বদলি আবেদনে থাকা ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য নতুন সময়সূচি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে সংশোধিত তথ্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবারও বদলির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
সম্প্রতি মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক প্রফেসর মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সময়সূচি জানানো হয়।
কোন তথ্য সংশোধন করা যাবে
মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, বদলির আবেদনে নিজ জেলা, স্বামী বা স্ত্রীর জেলা ও কর্মস্থল, মোবাইল নম্বরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ পাবেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা।
‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুসরণ করে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় তৈরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হচ্ছে।
নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রদর্শক, ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা গত ২১ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বদলির আবেদন করেন।
স্কুল পর্যায়ে যাচাইয়ের সময়
মাউশির নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, স্কুল পর্যায়ের আবেদনকারীদের তথ্য সংশোধন, যাচাই ও অনুমোদনের প্রথম ধাপ ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর সম্পন্ন করতে হবে।
এ সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের শিক্ষকদের তথ্য ইনপুট, যাচাই এবং অনুমোদনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এরপর ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং জেলা শিক্ষা অফিসাররা সংশ্লিষ্ট আবেদন ও তথ্য যাচাই করে অনুমোদন দেবেন।
কলেজের ক্ষেত্রেও একই সময়
কলেজ পর্যায়েও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ে আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
পরবর্তী ধাপে ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আঞ্চলিক উপপরিচালক (কলেজ) এবং আঞ্চলিক পরিচালকরা সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের কার্যক্রম শেষ করবেন।
পুনরায় আবেদন করা যাবে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর
তথ্য সংশোধন ও অনুমোদনের ধাপ শেষ হওয়ার পর যেসব শিক্ষক তাদের আবেদনে সংশোধন করবেন, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর পুনরায় বদলির আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
তবে আগে যারা সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করেছেন এবং তাদের আবেদন সফলভাবে গ্রহণ হয়েছে, তাদের আবার আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুনরায় আবেদনের এই সুযোগ মূলত আগের আবেদনে থাকা ভুল তথ্য সংশোধনকারী শিক্ষকদের জন্য প্রযোজ্য হবে।
Reporter Name 




























