Dhaka ০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
কৃষক কার্ডে জানা যাবে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চান:প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার, নাগরিক অধিকার সবার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা শাহজালাল বিমানবন্দরের স্টোর ভবনে আগুনের খবর, ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নজরুল-সিঁথির মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওর সম্পর্ক নেই, জানাল সৌদি কর্তৃপক্ষ রাজশাহীতে জনসভায় যোগ দিয়ে এক ক্লিকেই প্রায় ৩৯ হাজার আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকার সরকারি প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শুরু ও শেষ করব: প্রধানমন্ত্রী রংপুর ও রাজশাহী সফর শেষে চট্টগ্রামের পথে প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট, ৪ মোটরসাইকেল আরোহীকে জরিমানা সরিষাবাড়ীতে ২৭৮.৩০ মিটার দীর্ঘ গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শুরু ও শেষ করব: প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:১৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ Time View

 

পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শুরু করে তা শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নদী দুটিতে ব্যারাজ নির্মাণের মাধ্যমে দেশের পানিসংকট দূর করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, রাজশাহীতে পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাচ্ছে এবং নদীটি শুকিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এ কারণে দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নদী—তিস্তা ও পদ্মায় ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পানির সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, পানির সংকট যারা তৈরি করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে যত দূর যেতে হয়, সরকার সেই চেষ্টা করবে। পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শুরু করে শেষ করারও অঙ্গীকার করেন তিনি।

আখচাষিদের প্রণোদনা ও কৃষিঋণ মওকুফ

কৃষকদের সহায়তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় চার হাজার আখচাষিকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে আগামী মৌসুমে তাঁদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে। নির্বাচনের আগে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সরকার তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের সাত দিনের মাথায় দেশের ১৩ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বছর ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা

কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, ক্ষুদ্র, মাঝারি, প্রান্তিক, ভূমিহীন ও বড় কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তালিকা তৈরির কাজ শেষ হলে ধাপে ধাপে কার্ড বিতরণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  প্রবাসী সমাজকল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থার বর্ষপূর্তি উদযাপন, সহায়তা পেয়েছেন ৯৪৬ জন অসহায় মানুষ

তারেক রহমান বলেন, চলতি বছর দেশের ৪০ লাখ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের কাছে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের অন্তত একটি ফসলের জন্য সার, বীজ ও কীটনাশক সরবরাহের চেষ্টা করা হবে।

এ ছাড়া কৃষক কার্ড ব্যবহার করে ফসলের বিমা এবং ব্যাংকঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য

দেশজুড়ে খাল খনন ও নদী সংস্কার কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, গত আট মাসে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, খাল খনন ও নদী সংস্কারের মাধ্যমে কৃষকেরা সেচের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি রাজশাহীতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার যে সমস্যা রয়েছে, তা মোকাবিলায়ও এ উদ্যোগ সহায়ক হতে পারে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ১ হাজার ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৫০০ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এর ফলে গ্রামের মানুষকে সাধারণ অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য দূরের জেলা সদর হাসপাতালে যেতে কম ভোগান্তি পোহাতে হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশে স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব

জনসভায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার দেশে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বন্ধ কলকারখানা চালু করা, কৃষকদের স্বাবলম্বী করা এবং শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়িয়ে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তারেক রহমানের অভিযোগ, কিছু রাজনৈতিক দল রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এসব উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে সরকার: এমপি ফজলুল হক মিলন

তিনি আরও বলেন, দেশীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করা এবং বেকারত্ব ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

কৃষক কার্ডে জানা যাবে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শুরু ও শেষ করব: প্রধানমন্ত্রী

সময়: ০৭:১৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

 

পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শুরু করে তা শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নদী দুটিতে ব্যারাজ নির্মাণের মাধ্যমে দেশের পানিসংকট দূর করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, রাজশাহীতে পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাচ্ছে এবং নদীটি শুকিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এ কারণে দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নদী—তিস্তা ও পদ্মায় ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পানির সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, পানির সংকট যারা তৈরি করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে যত দূর যেতে হয়, সরকার সেই চেষ্টা করবে। পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শুরু করে শেষ করারও অঙ্গীকার করেন তিনি।

আখচাষিদের প্রণোদনা ও কৃষিঋণ মওকুফ

কৃষকদের সহায়তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় চার হাজার আখচাষিকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে আগামী মৌসুমে তাঁদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে। নির্বাচনের আগে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সরকার তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের সাত দিনের মাথায় দেশের ১৩ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বছর ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা

কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, ক্ষুদ্র, মাঝারি, প্রান্তিক, ভূমিহীন ও বড় কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তালিকা তৈরির কাজ শেষ হলে ধাপে ধাপে কার্ড বিতরণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান প্রদান: সম্প্রীতি, মানবিকতা ও জনকল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

তারেক রহমান বলেন, চলতি বছর দেশের ৪০ লাখ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের কাছে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের অন্তত একটি ফসলের জন্য সার, বীজ ও কীটনাশক সরবরাহের চেষ্টা করা হবে।

এ ছাড়া কৃষক কার্ড ব্যবহার করে ফসলের বিমা এবং ব্যাংকঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য

দেশজুড়ে খাল খনন ও নদী সংস্কার কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, গত আট মাসে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, খাল খনন ও নদী সংস্কারের মাধ্যমে কৃষকেরা সেচের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি রাজশাহীতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার যে সমস্যা রয়েছে, তা মোকাবিলায়ও এ উদ্যোগ সহায়ক হতে পারে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ১ হাজার ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৫০০ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এর ফলে গ্রামের মানুষকে সাধারণ অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য দূরের জেলা সদর হাসপাতালে যেতে কম ভোগান্তি পোহাতে হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশে স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব

জনসভায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার দেশে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বন্ধ কলকারখানা চালু করা, কৃষকদের স্বাবলম্বী করা এবং শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়িয়ে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তারেক রহমানের অভিযোগ, কিছু রাজনৈতিক দল রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এসব উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  রংপুর ও রাজশাহী সফর শেষে চট্টগ্রামের পথে প্রধানমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, দেশীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করা এবং বেকারত্ব ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য।