Dhaka ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহাম, মিডল্যান্ডসের কার্যকরী পরিষদ এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত বিএনপির চক্রান্ত ফাঁস, দাম বাড়াতেই তেল ছাড়ছিল না সরকার! সেবা, নাকি প্রহসন? জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি: জনজীবন যখন দিশেহারা ইবিতে খালেদা জিয়াকে অবমাননার অভিযোগ: শিক্ষার্থীদের দুঃখপ্রকাশ রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের ওয়াইফাই সার্ভিসে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎপৃষ্টে তরুণের মৃত্যু অনুমতি ছাড়া বিদেশে চিকিৎসক, ব্যাহত স্বাস্থ্যসেবা কাপনা মাদ্রাসার শিক্ষক লতিফকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে আদালত বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি জেলার আয়োজনে শাহাদাত বার্ষিকী আলোচনা মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সেবা, নাকি প্রহসন?

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর,


চট্টগ্রামের খ্যাতিমান ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ এম. এ. আউয়াল—চিকিৎসা দক্ষতা ও ব্যবহারে যিনি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু তাঁর চেম্বারের সময়সূচি যেন এক নির্মম প্রহসনে পরিণত হয়েছে রোগীদের জন্য।

চেম্বারের দরজায় সময় নির্ধারিত থাকে বিকেল ৫টা। অথচ তিনি আসেন রাত ৮টা কিংবা ৯টায়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ অপেক্ষা—যা প্রায়ই গভীর রাত পেরিয়ে ভোরের দিকে গড়ায়। প্রশ্ন জাগে, প্রাইভেট চেম্বার বলেই কি রোগীদের সময় ও কষ্টের কোনো মূল্য নেই? কোনো জবাবদিহিতা নেই বলেই কি এমন অনিয়ম স্বাভাবিক হয়ে গেছে?

একজন ক্যান্সার রোগী, যিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে আগেই বিপর্যস্ত, তাকে যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়—তা কি মানবিক? সিরিয়াল নম্বর ১৫ বা ২০ হলেও প্রতিষ্ঠান থেকে সময় দেওয়া হয় সন্ধ্যা ৭–৮টা। কিন্তু সেই সিরিয়াল আসতে আসতে রাত ২টা বা ৩টা বেজে যায়। এত দীর্ঘ সময় একজন অসুস্থ মানুষ কীভাবে জেগে থাকতে পারে?

সিরিয়াল পাওয়ার দুর্ভোগ তো আছেই, কিন্তু সিরিয়াল পাওয়ার পরও যেন দুর্ভোগের শেষ নেই।
রাতের বেলায় চেম্বার করায় রোগীদের আর্তনাদের শেষ নেই।
রোগীদের কথা ভেবে কি দিনের বেলায় চেম্বার করা সম্ভব নয়?
এমন সময়ও গেছে যে রাত ৩/৪টায় ডাক্তার দেখানোর পর কোনো হোটেল না পাওয়ায় হাসপাতালের বারান্দায় বসে রাত কাটানো লাগছে।

এটা কি চিকিৎসা, নাকি রোগীদের সহ্যশক্তি পরীক্ষা?
নাকি রোগীদের দুর্ভোগটাই এখানে স্বাভাবিক নিয়ম?

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহাম, মিডল্যান্ডসের কার্যকরী পরিষদ এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

সেবা, নাকি প্রহসন?

সময়: ১১:১৩:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর,


চট্টগ্রামের খ্যাতিমান ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ এম. এ. আউয়াল—চিকিৎসা দক্ষতা ও ব্যবহারে যিনি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু তাঁর চেম্বারের সময়সূচি যেন এক নির্মম প্রহসনে পরিণত হয়েছে রোগীদের জন্য।

চেম্বারের দরজায় সময় নির্ধারিত থাকে বিকেল ৫টা। অথচ তিনি আসেন রাত ৮টা কিংবা ৯টায়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ অপেক্ষা—যা প্রায়ই গভীর রাত পেরিয়ে ভোরের দিকে গড়ায়। প্রশ্ন জাগে, প্রাইভেট চেম্বার বলেই কি রোগীদের সময় ও কষ্টের কোনো মূল্য নেই? কোনো জবাবদিহিতা নেই বলেই কি এমন অনিয়ম স্বাভাবিক হয়ে গেছে?

একজন ক্যান্সার রোগী, যিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে আগেই বিপর্যস্ত, তাকে যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়—তা কি মানবিক? সিরিয়াল নম্বর ১৫ বা ২০ হলেও প্রতিষ্ঠান থেকে সময় দেওয়া হয় সন্ধ্যা ৭–৮টা। কিন্তু সেই সিরিয়াল আসতে আসতে রাত ২টা বা ৩টা বেজে যায়। এত দীর্ঘ সময় একজন অসুস্থ মানুষ কীভাবে জেগে থাকতে পারে?

সিরিয়াল পাওয়ার দুর্ভোগ তো আছেই, কিন্তু সিরিয়াল পাওয়ার পরও যেন দুর্ভোগের শেষ নেই।
রাতের বেলায় চেম্বার করায় রোগীদের আর্তনাদের শেষ নেই।
রোগীদের কথা ভেবে কি দিনের বেলায় চেম্বার করা সম্ভব নয়?
এমন সময়ও গেছে যে রাত ৩/৪টায় ডাক্তার দেখানোর পর কোনো হোটেল না পাওয়ায় হাসপাতালের বারান্দায় বসে রাত কাটানো লাগছে।

এটা কি চিকিৎসা, নাকি রোগীদের সহ্যশক্তি পরীক্ষা?
নাকি রোগীদের দুর্ভোগটাই এখানে স্বাভাবিক নিয়ম?