Dhaka ০৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন বগুড়ায় ডিবির সাঁড়াশি অভিযান: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার-মোটরসাইকেল পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের!! নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান সিরাজদিখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জ, দৌলতপুরের চরকাটারীতে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফল কাঁঠালের সমারোহে মুখর উঠোন, শিশুদের উচ্ছ্বাস চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৫ Time View

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:


২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিডিআর-এ সৈনিক বিদ্রোহের ঘটনায় নিহত সকল শহিদের প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছে। বিডিআর (পরে বিজিবি)-এর তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ নিহত ৫৭ জন বীর সেনা কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক নাগরিক মিলিয়ে মোট ৭৪ শহিদের জীবন ও কর্মের প্রতি আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম।

২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দেড় মাসের মাথায় দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়ে নতুন সরকারকে উৎখাত করতে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও কৌশলী নেতৃত্ব ও তত্বাবধানে বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণ করে এবং জিম্মিদের মুক্তি দেয়’ পরিণতিতে বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

শোকাবহ নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, মামলা ও বিচার কাজ দ্রুততম সময়ে স্বচ্ছ্ব প্রক্রিয়া মেনে শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৫ই নভেম্বর বিচারিক আদালত বিদ্রোহীদের ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৭ই নভেম্বর হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে; ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়।

 

প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার সরকার ঘটনার শুধু বিচারই করেনি। সকল শহিদ পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিত করেছেন। প্রতিটি পরিবারকে বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট এবং অন্যান্য সকল রকমের সুযোগ-সুবিধা দেয়। যদিও কোন মৃত্যুরই কোন প্রতিদান হয় না, কিন্তু সমব্যথী ও সহানুভূতি প্রদানে সরকারের কোন কার্পণ্য ছিল না।

দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়, সদ্যবিদায়ী অসাংবিধানিক ড. ইউনূসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ২৯৩ জন শাস্তিপ্রাপ্ত ও দণ্ডিত আসামীকে অন্যায়ভাবে ছেড়ে দেয়। শহিদ পরিবারের কোন সদস্যকে এই বিষয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে নতুন তদন্ত ও বিচারের দাবি তুলে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। ইউনূসের মনোবাঞ্ছা পূরণে একটি তদন্ত প্রতিবেদনও জমা সেই কমিটি। সেই তদন্ত প্রতিবেদন অপ্রকাশিতই রয়েছে। এদিকে ইউনূস সরকার মুক্তি দিয়েছে প্রায় সকল আসামীদের। বিচার প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে হ্যাকাণ্ডের দায় বর্তানো হচ্ছে আওয়ামী লীগের কাঁধে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুনঃ  ‘শিক্ষার জয়যাত্রা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত, সহযোগিতায় জাস ফাউন্ডেশন

এই বেদনার দিনে কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নয়, বরং একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে এবং শহিদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে হলে পিলখানার ঘটনা নিয়ে ইউনূস সরকারের মববাজি ও রাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে। বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা বা ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখতে হবে।

আই বিএন নিউজ

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

সময়: ০৯:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:


২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিডিআর-এ সৈনিক বিদ্রোহের ঘটনায় নিহত সকল শহিদের প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছে। বিডিআর (পরে বিজিবি)-এর তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ নিহত ৫৭ জন বীর সেনা কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক নাগরিক মিলিয়ে মোট ৭৪ শহিদের জীবন ও কর্মের প্রতি আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম।

২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দেড় মাসের মাথায় দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়ে নতুন সরকারকে উৎখাত করতে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও কৌশলী নেতৃত্ব ও তত্বাবধানে বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণ করে এবং জিম্মিদের মুক্তি দেয়’ পরিণতিতে বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

শোকাবহ নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, মামলা ও বিচার কাজ দ্রুততম সময়ে স্বচ্ছ্ব প্রক্রিয়া মেনে শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৫ই নভেম্বর বিচারিক আদালত বিদ্রোহীদের ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৭ই নভেম্বর হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে; ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়।

 

প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার সরকার ঘটনার শুধু বিচারই করেনি। সকল শহিদ পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিত করেছেন। প্রতিটি পরিবারকে বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট এবং অন্যান্য সকল রকমের সুযোগ-সুবিধা দেয়। যদিও কোন মৃত্যুরই কোন প্রতিদান হয় না, কিন্তু সমব্যথী ও সহানুভূতি প্রদানে সরকারের কোন কার্পণ্য ছিল না।

দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়, সদ্যবিদায়ী অসাংবিধানিক ড. ইউনূসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ২৯৩ জন শাস্তিপ্রাপ্ত ও দণ্ডিত আসামীকে অন্যায়ভাবে ছেড়ে দেয়। শহিদ পরিবারের কোন সদস্যকে এই বিষয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে নতুন তদন্ত ও বিচারের দাবি তুলে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। ইউনূসের মনোবাঞ্ছা পূরণে একটি তদন্ত প্রতিবেদনও জমা সেই কমিটি। সেই তদন্ত প্রতিবেদন অপ্রকাশিতই রয়েছে। এদিকে ইউনূস সরকার মুক্তি দিয়েছে প্রায় সকল আসামীদের। বিচার প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে হ্যাকাণ্ডের দায় বর্তানো হচ্ছে আওয়ামী লীগের কাঁধে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুনঃ  জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে

এই বেদনার দিনে কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নয়, বরং একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে এবং শহিদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে হলে পিলখানার ঘটনা নিয়ে ইউনূস সরকারের মববাজি ও রাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে। বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা বা ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখতে হবে।

আই বিএন নিউজ