Dhaka ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
মানবিকতায় উজ্জ্বল এমপি সাঈদ আল নোমান: ইমরানের হাতে হুইলচেয়ার কালীগঞ্জে গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি: দক্ষিণ হালিশহরে ২৯৩ জেলে পরিবার পেল ৮০ কেজি করে চাল ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশন অব চন্দনাইশ এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত “মোঃ সালাউদ্দিন আহমেদ একেএম ফজলুল হক মিলনের পক্ষ থেকে অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা প্রকাশ” ওয়েস্ট বেঙ্গল রেকগনাইজড আন এডেড মাদ্রাসা ঐক্য মঞ্চের ডাকে- নবান্ন অভিযান ইপিজেডে বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল ধামইরহাটে ইউনিয়ন পরিষদের জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ সাইফুল ইসলামের বিদায়ী সংবর্ধনা নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা‌র উপজেলা শাখার পরিচিতি,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

৬টি পারমাণবিক বোমার হদিস নেই, নতুন করে উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্র

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ১৭ Time View

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্র। কয়েক দশক ধরে নিখোঁজ থাকা অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্র

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর জানায়, গত কয়েক দশকে অন্তত ছয়টি ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনার পর হারিয়ে গেছে এবং এখনো সেগুলোর কোনো সন্ধান মেলেনি। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনার কারণে হারিয়ে যায় বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

মার্কিন নথি অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার রেকর্ড রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের অবস্থান এখনও অজানা।

উল্লেখযোগ্য দুর্ঘটনা

  • ১৯৫৮ সালে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে টাইবি দ্বীপ: দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বিমান মার্ক-১৫ হাইড্রোজেন বোমা বহন করছিল। সংঘর্ষের পর বোমাটি সমুদ্রে ফেলা হয়। এটি প্রায় ৩.৮ মেগাটন বিস্ফোরণ ক্ষমতার, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকিতে নিক্ষেপিত ‘ফ্যাট ম্যান’ বোমার চেয়ে ১৯০ গুণ শক্তিশালী।

  • ১৯৬৬ সালে ভূমধ্যসাগর: দুটি মার্কিন সামরিক বিমানের সংঘর্ষের পর একটি বি-২৬ থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা হারিয়ে যায়, যার ওয়ারহেড এখনো নিখোঁজ।

নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক প্রভাব

বর্তমান সময়ে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই নিখোঁজ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এগুলো যদি কোনো শত্রু রাষ্ট্র বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে পড়ে, তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জেফ্রি লুইস বলেন, প্রযুক্তিটি পুরোনো হলেও প্রতিহিংসাপরায়ণ কোনো রাষ্ট্র পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের পথ বেছে নিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তির বিরুদ্ধে নিরাপত্তার একমাত্র উপায় হিসেবে তারা পারমাণবিক অস্ত্র পুনর্গঠন করতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় নিউজ

মানবিকতায় উজ্জ্বল এমপি সাঈদ আল নোমান: ইমরানের হাতে হুইলচেয়ার

৬টি পারমাণবিক বোমার হদিস নেই, নতুন করে উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্র

Update Time : ০২:৩৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্র। কয়েক দশক ধরে নিখোঁজ থাকা অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্র

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর জানায়, গত কয়েক দশকে অন্তত ছয়টি ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনার পর হারিয়ে গেছে এবং এখনো সেগুলোর কোনো সন্ধান মেলেনি। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনার কারণে হারিয়ে যায় বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

মার্কিন নথি অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার রেকর্ড রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের অবস্থান এখনও অজানা।

উল্লেখযোগ্য দুর্ঘটনা

  • ১৯৫৮ সালে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে টাইবি দ্বীপ: দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বিমান মার্ক-১৫ হাইড্রোজেন বোমা বহন করছিল। সংঘর্ষের পর বোমাটি সমুদ্রে ফেলা হয়। এটি প্রায় ৩.৮ মেগাটন বিস্ফোরণ ক্ষমতার, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকিতে নিক্ষেপিত ‘ফ্যাট ম্যান’ বোমার চেয়ে ১৯০ গুণ শক্তিশালী।

  • ১৯৬৬ সালে ভূমধ্যসাগর: দুটি মার্কিন সামরিক বিমানের সংঘর্ষের পর একটি বি-২৬ থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা হারিয়ে যায়, যার ওয়ারহেড এখনো নিখোঁজ।

নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক প্রভাব

বর্তমান সময়ে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই নিখোঁজ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এগুলো যদি কোনো শত্রু রাষ্ট্র বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে পড়ে, তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জেফ্রি লুইস বলেন, প্রযুক্তিটি পুরোনো হলেও প্রতিহিংসাপরায়ণ কোনো রাষ্ট্র পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের পথ বেছে নিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তির বিরুদ্ধে নিরাপত্তার একমাত্র উপায় হিসেবে তারা পারমাণবিক অস্ত্র পুনর্গঠন করতে পারে।