Dhaka ০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
রাজনীতির বাইরে থেকেও আলোচনার শীর্ষে দানবীর মোঃ জাকির হোসেন—উপজেলায় নতুন মুখের প্রত্যাশা নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ২ চন্দনাইশ থানায় ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামী গ্রেপ্তার খোকসায় প্রকাশ্যে এক যুবককে গুলি ও অপর এক রংমিস্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করেছে দূর্বৃত্তরা দৌলতপুরে এক দরবারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, হামলায় কথিত পীর নিহত মণিরামপুরে শ্যালিকা ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হয়নি লম্পট ডাক্তার রাফসান জানি,সাংবাদিকদের ক্ষোভ ঘোড়াঘাটে মাইক্রোবাস–মিনি ট্রাক সংঘর্ষে ২ জন নিহত চন্দনাইশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রথমবারের মতো সম্মিলিত বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ নির্মানের ৫ দিন না যেতেই হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ সুনামগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধে দুর্নীতির অভিযোগ, কৃষকদের ক্ষোভ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সাবেক ছাএলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন এর রেল বানিজ্য

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬১ Time View

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর


বাংলাদেশ রেলওয়ের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন। তিনি যেনো রেলের অঘোষিত সম্রাট। রেলসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র বলছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ট্রেনগুলোর প্রায় নব্বই শতাংশই তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রেলওয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রিপনের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে দরপত্র প্রক্রিয়ায় সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকেও সক্রিয় ছিলেন সালাউদ্দিন রিপন। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ উপকমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন রেলওয়ে শ্রমিক লীগের উপদেষ্টাও। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে সেসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ট্রেন পরিচালনার দরপত্রে অংশ নেন সালাউদ্দিন রিপন। অভিযোগ রয়েছে, একই নিয়ন্ত্রণাধীন একাধিক প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং তুলনামূলক কম দরেও কাজ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৩৭টি ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৩২টির ইজারা রিপন ও তাঁর পরিবারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর।রিপনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারটি প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া গেছে। এগুলো হলো—মেসার্স এসআর ট্রেডিং, এলআর ট্রেডিং, এনএল ট্রেডিং এবং টিএম ট্রেডিং। এর মধ্যে প্রথম তিনটির মালিকানা সালাউদ্দিন রিপনের এবং টিএম ট্রেডিংয়ের মালিক তাঁর স্ত্রী মিফতাহুল জান্নাত লুনা। এসব প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা হিসেবে রাজধানীর মতিঝিলের একটি ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে।

এ ছাড়া একই ঠিকানায় পরিচালিত আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া গেছে, যেগুলোও ট্রেন পরিচালনার দরপত্রে অংশ নিয়েছে। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে পরিচালিত বলাকা, মহুয়া, জামালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, কর্ণফুলী, তিতাস ও সাগরিকা কমিউটার ট্রেনসহ একাধিক ট্রেনের ইজারা এই দম্পতির প্রতিষ্ঠানের অধীনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুনঃ  নিখোঁজ জেলে রিয়াকে ফেরাতে পরিবারের আকুতি
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

রাজনীতির বাইরে থেকেও আলোচনার শীর্ষে দানবীর মোঃ জাকির হোসেন—উপজেলায় নতুন মুখের প্রত্যাশা

সাবেক ছাএলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন এর রেল বানিজ্য

সময়: ০৯:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর


বাংলাদেশ রেলওয়ের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন। তিনি যেনো রেলের অঘোষিত সম্রাট। রেলসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র বলছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ট্রেনগুলোর প্রায় নব্বই শতাংশই তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রেলওয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রিপনের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে দরপত্র প্রক্রিয়ায় সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকেও সক্রিয় ছিলেন সালাউদ্দিন রিপন। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ উপকমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন রেলওয়ে শ্রমিক লীগের উপদেষ্টাও। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে সেসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ট্রেন পরিচালনার দরপত্রে অংশ নেন সালাউদ্দিন রিপন। অভিযোগ রয়েছে, একই নিয়ন্ত্রণাধীন একাধিক প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং তুলনামূলক কম দরেও কাজ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৩৭টি ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৩২টির ইজারা রিপন ও তাঁর পরিবারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর।রিপনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারটি প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া গেছে। এগুলো হলো—মেসার্স এসআর ট্রেডিং, এলআর ট্রেডিং, এনএল ট্রেডিং এবং টিএম ট্রেডিং। এর মধ্যে প্রথম তিনটির মালিকানা সালাউদ্দিন রিপনের এবং টিএম ট্রেডিংয়ের মালিক তাঁর স্ত্রী মিফতাহুল জান্নাত লুনা। এসব প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা হিসেবে রাজধানীর মতিঝিলের একটি ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে।

এ ছাড়া একই ঠিকানায় পরিচালিত আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া গেছে, যেগুলোও ট্রেন পরিচালনার দরপত্রে অংশ নিয়েছে। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে পরিচালিত বলাকা, মহুয়া, জামালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, কর্ণফুলী, তিতাস ও সাগরিকা কমিউটার ট্রেনসহ একাধিক ট্রেনের ইজারা এই দম্পতির প্রতিষ্ঠানের অধীনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুনঃ  আমরা মানবতার সেবক, সেবাই আমাদের পরিচয়- এ. এস. মাসুদুল করিম মাসুদ