
আজ ৮ই জুন সোমবার, ঠিক দুপুর পৌনে বারোটা নাগাদ, আলিপুর থানা ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গ্রেফতার স্বরূপ বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে নিউ আলিপুরের সাহা কলোনীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান।
কয়েকদিন আগেই একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে, অর্থাৎ শ্লীলতাহানি, ভয়দেখানো , গুন্ডামি ,জোর করে দখল, বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকায় তাকে কয়েকদিন আগে গ্রেফতার করা হয়।।
দিকে যখন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে মেশি কাণ্ডে বিধান নগর পুলিশ ডিকে পাঠান, ঠিক অন্যদিকে প্রাক্তন ক্রীড়া মন্ত্রীর অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে নিউ আলিপুর থানা ও কেন্দ্র বাহিনী, সাহাপুর কলোনীর তিনতলার ফ্ল্যাটে দুপুর পৌনে বারোটা থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত তল্লাশি চালান।
নিউ আলিপুর থানার অফিসাররা কেন্দ্র বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এখন তল্লাশিতে উঠেন, এবং বাড়ির চাবি খুলতে না পারায় প্রায় দেড় ঘন্টা পরে চাবিওয়ালা কে ডেকে পাঠান তাহারা এসে , তারপর চলে তদন্ত।
এলাকার মানুষের অভিযোগ, এতদিন আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলাম, হুমকি রাহাজানি সহ কুৎসিত ভাষায় কথা বলতেন, এমনকি যদি কেউ এসি বসান, ব্যবসা করেন, বাড়ির কাজের জন্য যদি বালি ও ইট রাখতে হয়, সবকিছুর জন্য বড় বড় অংকের টাকা দিতে হয়। তা না হলে বসাতে দিতো না বা কাজ করতে দিতো না। একজন ডেকোরেটরের মালিক কে ব্যবসা করার জন্য 15 লক্ষ টাকা ডিমান্ড করেন যদি এই ১৫ লক্ষ টাকা দিতে পারে তবে সে ব্যবসা করতে পারবে। এইভাবে সারা এলাকার মানুষদের জোর করে ঠেড দিয়ে নিজের আধিপত্য তৈরি করতেন। এমনকি বাড়ির সামনের রাস্তায় কারো গাড়ি রাখা যেত না নিজের গাড়ি ছাড়া, কিভাবে একের পর এক অভিযোগ উঠে আসে।
দুপুর থেকে টানা চার থেকে সাড়ে চার ঘন্টা তল্লাশি চলার পর স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে পুনরায় নিউ আলিপুর থানা কেন্দ্র বাহিনী চলে যান।
সাংবাদিকরা বারবার স্বরূপ বিশ্বাসকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন উত্তর দেন না, তাহার কাছে জানতে চান আপনাকে এতগুলো অপরাধে গ্রেফতার করেছে নিউ আলিপুর থানা কি বলবেন, কোনো উত্তরই তিনি দেননি, বাড়ির সামনে বেশ কিছু প্রতিবেশী ও উপস্থিত হন।
অনেকে বলেন টালিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রি টাকে শেষ করে ফেলেছে।, সাধারণ শিল্পীরা অভিনেতা অভিনেত্রীরা করে খাচ্ছিল, তাদেরকে করে খেতে দেয় না, এমনকি কাজ করতে গেলে তাহার কথামতো সবকিছু শুনতে হবে, যাহারা তার কথামতো সঙ্গ না দিতেন তাদেরকে আর কাজে নিতেন না, এভাবে দিনের পর দিন স্বরূপ বিশ্বাস অভিনেতা অভিনেত্রীদের সাধারণ মানুষের পেটে লাথি মেরেছে। তবে তল্লাশি করে কি জানতে পেরেছেন তাহা জানা যায়নি। তবে আমাদের অনুমান হয়তো কিছু তথ্যের সন্ধানে এসেছিলেন।।
রিপোর্টার ,সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ 



























