Dhaka ০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
নাগেশ্বরী অ্যাপোলো ক্লিনিকে সিজারের পর চিকিৎসায় অবহেলার মৃত্যুর অভিযোগ নির্বিঘ্ন দুর্গোৎসব নিশ্চিত করতে নগরীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিএমপি কমিশনার চরভদ্রাসনে ১৫ মণ্ডপে শুরু শারদীয় দুর্গাপূজা, চলবে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক শিবির নেতা সুমন গ্রেপ্তার চরভদ্রাসনে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় তৎপর পুলিশ, ১৫ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ওসির বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো সংগঠন ও মানবতার ফেরিওয়ালাদের সংবর্ধনা দেবে প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন চন্দনাইশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩ পরিবারের বসতঘর ভস্মীভূত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ডিমলায় প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা হচ্ছে গুজব সুনামগঞ্জে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক ছেলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে ভেঙ্গে দেওয়া হলো জামায়াতের কুমিল্লা মহানগর সংগঠন ও ইমারাত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

২,২০০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি সাড়ে ৩ হাজার রোগী, জনবল ও যন্ত্রপাতির ঘাটতিতে সেবায় চাপ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ১৩৫ Time View

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিত্রে, আপোষ জয়ধর,


চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ৬৯ বছর পেরিয়ে গেলেও জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট এখনো কাটেনি। ১৯৫৭ সালে ১২০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করা হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২০২২ সালে ২,২০০-তে উন্নীত করা হলেও বর্তমানে গড়ে সাড়ে ৩ হাজার রোগী ভর্তি থাকছেন।

অতিরিক্ত রোগীর চাপে অনেক ওয়ার্ডে বারান্দা ও মেঝেতে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের সীমাবদ্ধতার কারণে গুরুতর রোগীরাও অনেক সময় প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালটি এখনও ৫০০ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ৩০০ থেকে ৪০০ জন নার্সের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি এনেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞের সংকটও অপারেশন ও আইসিইউ সেবায় প্রভাব ফেলছে।

হাসপাতালে এমআরআই মেশিন রয়েছে মাত্র একটি, সিটি স্ক্যান মেশিন দুটি। ম্যামোগ্রাফি ও চক্ষু বিভাগের ল্যাসিক মেশিন দীর্ঘদিন ধরে অচল। এছাড়া অনেক প্রয়োজনীয় প্যাথলজি পরীক্ষা না হওয়ায় রোগীদের বেসরকারি ল্যাবের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতাল চত্বরে দালাল চক্র ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যও রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বেসরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসকের সংকট না থাকলেও নার্সের ঘাটতি প্রকট। শয্যার তুলনায় অনেক বেশি রোগী ভর্তি থাকলেও কাউকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। দালাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রামসহ আশপাশের জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে চমেক হাসপাতালের ওপর চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া নির্মাণাধীন ১৫ তলা ক্যান্সার ভবনের কাজ শেষ হলে স্থান সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘অন্যের অপমান আর অসম্মান কবে থেকে উপার্জনের মাধ্যম হলো?’: মেহজাবীন
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

নাগেশ্বরী অ্যাপোলো ক্লিনিকে সিজারের পর চিকিৎসায় অবহেলার মৃত্যুর অভিযোগ

২,২০০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি সাড়ে ৩ হাজার রোগী, জনবল ও যন্ত্রপাতির ঘাটতিতে সেবায় চাপ

সময়: ০৭:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিত্রে, আপোষ জয়ধর,


চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ৬৯ বছর পেরিয়ে গেলেও জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট এখনো কাটেনি। ১৯৫৭ সালে ১২০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করা হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২০২২ সালে ২,২০০-তে উন্নীত করা হলেও বর্তমানে গড়ে সাড়ে ৩ হাজার রোগী ভর্তি থাকছেন।

অতিরিক্ত রোগীর চাপে অনেক ওয়ার্ডে বারান্দা ও মেঝেতে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের সীমাবদ্ধতার কারণে গুরুতর রোগীরাও অনেক সময় প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালটি এখনও ৫০০ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ৩০০ থেকে ৪০০ জন নার্সের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি এনেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞের সংকটও অপারেশন ও আইসিইউ সেবায় প্রভাব ফেলছে।

হাসপাতালে এমআরআই মেশিন রয়েছে মাত্র একটি, সিটি স্ক্যান মেশিন দুটি। ম্যামোগ্রাফি ও চক্ষু বিভাগের ল্যাসিক মেশিন দীর্ঘদিন ধরে অচল। এছাড়া অনেক প্রয়োজনীয় প্যাথলজি পরীক্ষা না হওয়ায় রোগীদের বেসরকারি ল্যাবের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতাল চত্বরে দালাল চক্র ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যও রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বেসরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসকের সংকট না থাকলেও নার্সের ঘাটতি প্রকট। শয্যার তুলনায় অনেক বেশি রোগী ভর্তি থাকলেও কাউকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। দালাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রামসহ আশপাশের জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে চমেক হাসপাতালের ওপর চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া নির্মাণাধীন ১৫ তলা ক্যান্সার ভবনের কাজ শেষ হলে স্থান সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘অন্যের অপমান আর অসম্মান কবে থেকে উপার্জনের মাধ্যম হলো?’: মেহজাবীন