Dhaka ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চমেক হাসপাতালের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন রামপালে স্বস্তির বৃষ্টি, থেকে থেকে অব্যাহত থাকতে পারে কয়েকদিন নবীগঞ্জের ৩টি ক্ষুদ্র দৃ:গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ- শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সামগ্রী পেয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন বগুড়ায় ডিবির সাঁড়াশি অভিযান: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার-মোটরসাইকেল পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের!! নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান সিরাজদিখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জ, দৌলতপুরের চরকাটারীতে
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ডিমলা সদর ইউনিয়নের ইসলামিয়া কলেজ থেকে নাউতরা সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

 

মোঃবাদশা সেকেন্দার ভুট্টো ডিমলা( নীলফামারী) প্রতিনিধি:  নীলফামারী জেলার ডিমলা ৩নং সদর ইউনিয়নের ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে নাউতারা পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি এখন চরম বেহাল অবস্থায়। বহু বছর ধরে সংস্কারবিহীন এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী, শ্রমজীবী ও ব্যবসায়ীরা চলাচল করেন।

 

স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, ফলে ভ্যান, মোটরসাইকেল কিংবা যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে স্কুল–কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না।
৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ দুলাল হোসেন বলেন,বৃষ্টির সময় ভ্যান চালানো যায় না। এনজিও থেকে টাকা নিয়ে ভ্যান কিনেছি, কিন্তু রাস্তায় কাদা হলে ভ্যান চালাতে পারি না। তখন কিস্তি দেওয়া আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। কাদায় ভ্যান চালাতে গিয়ে গাড়ি নষ্ট হয় — গরিব মানুষের জন্য এটা বড় কষ্ট।

 

এমনই অভিমত দেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশেদ। তিনি বলেন,বৃষ্টি হলেই দোকানে যাওয়া–আসা করতে ভোগান্তি হয়। আবাদের সন্তানের স্কুল–কলেজে যাওয়া নিয়েও দুশ্চিন্তা থাকে। সামান্য বৃষ্টিতে পথ চলা কঠিন হয়ে পড়ে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ বাবলু হোসেন অভিযোগ করে বলেন,কত নেতা এল, কত প্রতিশ্রুতি দিল—কেউ রাস্তা পাকাকরণ করলো না। এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান সবাই জানেন, কিন্তু রাস্তা এখনও কাঁচা। আমাদের কষ্টের শেষ নেই।

 

অভিযোগ রয়েছে, প্রায় দশ বছর ধরে সড়কটি সংস্কারবিহীন, মাঝে মধ্যে বরাদ্দের কথা শোনা গেলেও কাজ হয়নি। সম্প্রতি এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে, সড়কের ২ কিলোমিটার অংশের জন্য নতুন করে বরাদ্দ এসেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি আগেও এমন প্রতিশ্রুতি তারা বহুবার শুনেছেন, কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।

 

এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ কামনা করে বলেন,এবার যেন কথার ফুলঝুরি না হয়ে বাস্তব উন্নয়ন হয় এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় ডিবির সাঁড়াশি অভিযান: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার-মোটরসাইকেল
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চমেক হাসপাতালের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন

ডিমলা সদর ইউনিয়নের ইসলামিয়া কলেজ থেকে নাউতরা সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

সময়: ১১:৩৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

 

মোঃবাদশা সেকেন্দার ভুট্টো ডিমলা( নীলফামারী) প্রতিনিধি:  নীলফামারী জেলার ডিমলা ৩নং সদর ইউনিয়নের ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে নাউতারা পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি এখন চরম বেহাল অবস্থায়। বহু বছর ধরে সংস্কারবিহীন এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী, শ্রমজীবী ও ব্যবসায়ীরা চলাচল করেন।

 

স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, ফলে ভ্যান, মোটরসাইকেল কিংবা যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে স্কুল–কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না।
৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ দুলাল হোসেন বলেন,বৃষ্টির সময় ভ্যান চালানো যায় না। এনজিও থেকে টাকা নিয়ে ভ্যান কিনেছি, কিন্তু রাস্তায় কাদা হলে ভ্যান চালাতে পারি না। তখন কিস্তি দেওয়া আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। কাদায় ভ্যান চালাতে গিয়ে গাড়ি নষ্ট হয় — গরিব মানুষের জন্য এটা বড় কষ্ট।

 

এমনই অভিমত দেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশেদ। তিনি বলেন,বৃষ্টি হলেই দোকানে যাওয়া–আসা করতে ভোগান্তি হয়। আবাদের সন্তানের স্কুল–কলেজে যাওয়া নিয়েও দুশ্চিন্তা থাকে। সামান্য বৃষ্টিতে পথ চলা কঠিন হয়ে পড়ে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ বাবলু হোসেন অভিযোগ করে বলেন,কত নেতা এল, কত প্রতিশ্রুতি দিল—কেউ রাস্তা পাকাকরণ করলো না। এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান সবাই জানেন, কিন্তু রাস্তা এখনও কাঁচা। আমাদের কষ্টের শেষ নেই।

 

অভিযোগ রয়েছে, প্রায় দশ বছর ধরে সড়কটি সংস্কারবিহীন, মাঝে মধ্যে বরাদ্দের কথা শোনা গেলেও কাজ হয়নি। সম্প্রতি এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে, সড়কের ২ কিলোমিটার অংশের জন্য নতুন করে বরাদ্দ এসেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি আগেও এমন প্রতিশ্রুতি তারা বহুবার শুনেছেন, কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।

 

এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ কামনা করে বলেন,এবার যেন কথার ফুলঝুরি না হয়ে বাস্তব উন্নয়ন হয় এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় ফল কাঁঠালের সমারোহে মুখর উঠোন, শিশুদের উচ্ছ্বাস