Dhaka ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
মন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুলের তোড়া নিলেন ইউএনও ডুমুরিয়ায় এসিআই বীজ কোম্পানির বন্ধু ধানের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে আদমদীঘিতে আবেগঘন বিদায়: পদোন্নতিপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড মাহমুদা সুলতানাকে সম্মাননা রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলা জামাতের সেক্রেটারির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা আরেকটি গণঅভ্যুত্থানের প্রয়োজনীয়তা: ব্যক্তিজীবন, ইতিহাস ও রাষ্ট্রচিন্তার আলোকে কালিয়াকৈরে ৭০ কেজি গাজা সহ আটক ২ নগদ তিনলক্ষ সত্তর হাজার টাকা মণিরামপুরে পরিত্যক্ত স্কুল ভবন এখন মাদকের নিরাপদ আস্তানা: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি ডুমুরিয়ায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁ থানার ওসির দিকনির্দেশনায় এসআই আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে সফল অভিযান রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মাষ্টারের দাফন সম্পন্ন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ, দুদকে তদন্তের দাবি

  • Reporter Name
  • সময়: ০৪:২২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩ Time View

 

নিজস্ব প্রতিবেদক


সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। এ নিয়ে ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় নিজের ও স্বজনদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে আফতাব নগর এলাকায় তার একটি বিলাসবহুল ভবনে প্রায় ২৯টি ফ্ল্যাট থাকার অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোর অধিকাংশের মূল্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা করে।

এছাড়া গুলশান, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, নিকেতন, বনশ্রী, মগবাজার, পান্থপথ, তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তার নামে ও বেনামে একাধিক সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গেছে। গুলশানের বিভিন্ন সড়কে একাধিক ফ্ল্যাট, ডুপ্লেক্স বাসভবন এবং বাণিজ্যিক স্পেসের মালিকানার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু রাজধানী নয়, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমি, মাছের ঘের, ইটভাটা এবং আবাসিক প্রকল্পে বিনিয়োগের তথ্যও উঠে এসেছে। অভিযোগে বলা হয়, তার গ্রামের বাড়িসহ বিভিন্ন জেলায় শত শত বিঘা জমির মালিক তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি সাব-রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ পান এবং পরবর্তীতে বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেন। সাবেক সরকারের আমলে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে অবস্থান বজায় রাখেন।

দুদকে দায়ের করা অভিযোগে আরও বলা হয়, সাব-রেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়ায় শত শত কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যার অন্যতম কেন্দ্রীয় ব্যক্তি ছিলেন মাইকেল মহিউদ্দিন। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুনঃ  শ্রীমঙ্গলে জ্বালানি তেল মজুদে দুই ব্যক্তিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে সাব-রেজিস্ট্রারদের বদলি বাণিজ্য ও দুর্নীতির বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

মন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুলের তোড়া নিলেন ইউএনও

সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ, দুদকে তদন্তের দাবি

সময়: ০৪:২২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক


সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। এ নিয়ে ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় নিজের ও স্বজনদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে আফতাব নগর এলাকায় তার একটি বিলাসবহুল ভবনে প্রায় ২৯টি ফ্ল্যাট থাকার অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোর অধিকাংশের মূল্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা করে।

এছাড়া গুলশান, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, নিকেতন, বনশ্রী, মগবাজার, পান্থপথ, তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তার নামে ও বেনামে একাধিক সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গেছে। গুলশানের বিভিন্ন সড়কে একাধিক ফ্ল্যাট, ডুপ্লেক্স বাসভবন এবং বাণিজ্যিক স্পেসের মালিকানার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু রাজধানী নয়, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমি, মাছের ঘের, ইটভাটা এবং আবাসিক প্রকল্পে বিনিয়োগের তথ্যও উঠে এসেছে। অভিযোগে বলা হয়, তার গ্রামের বাড়িসহ বিভিন্ন জেলায় শত শত বিঘা জমির মালিক তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি সাব-রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ পান এবং পরবর্তীতে বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেন। সাবেক সরকারের আমলে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে অবস্থান বজায় রাখেন।

দুদকে দায়ের করা অভিযোগে আরও বলা হয়, সাব-রেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়ায় শত শত কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যার অন্যতম কেন্দ্রীয় ব্যক্তি ছিলেন মাইকেল মহিউদ্দিন। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুনঃ  কাপনা মাদ্রাসার শিক্ষক লতিফকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে আদালত

উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে সাব-রেজিস্ট্রারদের বদলি বাণিজ্য ও দুর্নীতির বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।