
মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:
ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর,
চট্টগ্রামের খ্যাতিমান ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ এম. এ. আউয়াল—চিকিৎসা দক্ষতা ও ব্যবহারে যিনি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু তাঁর চেম্বারের সময়সূচি যেন এক নির্মম প্রহসনে পরিণত হয়েছে রোগীদের জন্য।
চেম্বারের দরজায় সময় নির্ধারিত থাকে বিকেল ৫টা। অথচ তিনি আসেন রাত ৮টা কিংবা ৯টায়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ অপেক্ষা—যা প্রায়ই গভীর রাত পেরিয়ে ভোরের দিকে গড়ায়। প্রশ্ন জাগে, প্রাইভেট চেম্বার বলেই কি রোগীদের সময় ও কষ্টের কোনো মূল্য নেই? কোনো জবাবদিহিতা নেই বলেই কি এমন অনিয়ম স্বাভাবিক হয়ে গেছে?
একজন ক্যান্সার রোগী, যিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে আগেই বিপর্যস্ত, তাকে যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়—তা কি মানবিক? সিরিয়াল নম্বর ১৫ বা ২০ হলেও প্রতিষ্ঠান থেকে সময় দেওয়া হয় সন্ধ্যা ৭–৮টা। কিন্তু সেই সিরিয়াল আসতে আসতে রাত ২টা বা ৩টা বেজে যায়। এত দীর্ঘ সময় একজন অসুস্থ মানুষ কীভাবে জেগে থাকতে পারে?
সিরিয়াল পাওয়ার দুর্ভোগ তো আছেই, কিন্তু সিরিয়াল পাওয়ার পরও যেন দুর্ভোগের শেষ নেই।
রাতের বেলায় চেম্বার করায় রোগীদের আর্তনাদের শেষ নেই।
রোগীদের কথা ভেবে কি দিনের বেলায় চেম্বার করা সম্ভব নয়?
এমন সময়ও গেছে যে রাত ৩/৪টায় ডাক্তার দেখানোর পর কোনো হোটেল না পাওয়ায় হাসপাতালের বারান্দায় বসে রাত কাটানো লাগছে।
এটা কি চিকিৎসা, নাকি রোগীদের সহ্যশক্তি পরীক্ষা?
নাকি রোগীদের দুর্ভোগটাই এখানে স্বাভাবিক নিয়ম?
মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার 

























