Dhaka ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
তসলিমা আক্তার শিলা নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে ঢাকা গেছেন বটিয়াঘাটায়উপজেলা আমির পুর ইউনিয়নে জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত নানিয়ারচরে বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি জুঁই চাকমার গণসংযোগ ও পথসভা ১৯৮, গাজীপুর-৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা বিশিষ্ট সমাজসেবী দানবীর আলহাজ্ব বশির আহমদ সাহেব হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরছেন কুড়িগ্রামের দূর্গম চরে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বাফলা’র কম্বল বিতরণ ডিমলায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রেখে গয়াবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজে সাংবাদিক সম্মেলন “সব ধর্মের মানুষের নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তেই ধানের শীষে ভোট দিন” — দুর্গাপুরে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম জামালপুর-১: জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি নড়াইলে নিখোঁজের ৬ দিন পর মনোজ পাইকের মরদেহ উদ্ধার
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন যেনো সমাজসেবার এক উজ্জল নক্ষত্র

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৯৮ Time View

 

…মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক, সভাপতি, হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন।

ইমদাদুল হক তৈয়ব:

মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক একজন দ্বীনদার আলেম, সমাজসেবক ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। ইসলামী জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর জীবনের প্রধান ব্রত। তিনি বিশ্বাস করেন—ইলম তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

নীরবতা, বিনয় ও আমানতদারিতা তাঁর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে তিনি কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাঁর নেতৃত্বে হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন আজ একটি বিশ্বাসযোগ্য মানবিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।

যে সমাজে মানুষ মানুষকে ভুলে যায়, যে সময়ে স্বার্থ মানবতাকে গ্রাস করে—ঠিক সেই অন্ধকার সময়ে কিছু মানুষ জন্ম নেন আলো হয়ে, কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে দয়ার মিনার হয়ে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, দরদী রাহবার হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন তেমনই এক আলোকিত মানুষ—যার জীবন ছিল ইমান, ইখলাস ও মানবসেবার এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত।

তাঁর সেই অমর আদর্শ, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও আল্লাহভীরু জীবনবোধকে হৃদয়ে ধারণ করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি সেবা সংস্থা—একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, সম্পূর্ণ মানবিক কল্যাণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান।

খিদমত—ইবাদতেরই আরেক নাম, হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) আজীবন শিখিয়েছেন— “ক্ষুধার্তের মুখে অন্ন তুলে দেওয়াই সবচেয়ে বড় নফল ইবাদত।”

এই বাণীকেই পাথেয় করে সেবা সংস্থাটি সমাজের প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে।

যে ঘরে চুলা জ্বলে না, যে মায়ের চোখে কান্না, যে শিশুর পেটে ক্ষুধা—সেই ঘরেই ছুটে যায় এই সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকেরা। নিয়মিত খাদ্য সহায়তা, রমজানে ইফতার ও সাহরি বিতরণ, কোরবানির সময় অসহায়দের মাঝে গোশত পৌঁছে দেওয়া—এসব কার্যক্রম আজ তাদের পরিচয়ের অংশ।

ফাউন্ডেশনের পরিচিতি:

হাফেজ্জী হুজুর সেবা ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি মানবসেবা, দ্বীনি মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে কেন্দ্র করে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য:

অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তার মাধ্যমে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা, দ্বীনি ও নৈতিক চেতনায় সমাজকে উদ্ভোদ্ধ করা। এই ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে—সেবাই সবচেয়ে বড় ইবাদত এবং মানবতাই সর্বোচ্চ পরিচয়।

প্রধান কার্যক্রম: দরিদ্র ও অসহায়দের খাদ্য সহায়তা, শীতবস্ত্র ও মৌসুমি সহায়তা, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, এতিম, বিধবা ও অসহায় নারীদের পাশে দাঁড়ানো, দুর্যোগকালীন ত্রাণ কার্যক্রম, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি ইদ্যাদি।

শীতের রাতে উষ্ণতা, দুর্যোগে আশ্রয়:

শীতের হিমেল রাতে যখন অসহায় মানুষ কাঁপে, তখন শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হয় হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) সেবা সংস্থা। বন্যা, অগ্নিকাণ্ড, ঝড় বা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে ঘরের চাল, খাবার ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়াও তাদের নীরব অথচ গর্বিত ভূমিকা।

এই সংস্থা বিশ্বাস করে—মানুষের বিপদই আমাদের দাওয়াতের ময়দান।

 

অসুস্থের পাশে দাঁড়ানো—সবচেয়ে বড় মানবিকতা:

চিকিৎসার অভাবে যে মানুষটি ধুঁকছে, যে রোগী শুধু টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছে না—তাদের জন্য এই সংস্থা হয়ে ওঠে আশার শেষ ঠিকানা।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, দরিদ্র রোগীদের ওষুধ সহায়তা, জরুরি অপারেশন ও চিকিৎসা ব্যয়ে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে সংস্থাটি অসংখ্য পরিবারের চোখের জল মুছে দিয়েছে।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) বলতেন—“একজন রোগীর সেবা করা মানে আল্লাহর এক বান্দার পাশে দাঁড়ানো।”

শিক্ষা ও দীনী চেতনায় সমাজ গঠন:

এই সেবা সংস্থা শুধু ক্ষুধা বা রোগ সারায় না—বরং মানুষের মন ও চরিত্র গঠনের দাওয়াতও দেয়। দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় সহায়তা, মাদরাসা ও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান, কুরআন-হাদিসভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তারা একটি নৈতিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে।

এই সংস্থার সবচেয়ে বড় সম্পদ তার স্বেচ্ছাসেবকেরা—যারা নাম-যশের লোভ ছাড়াই আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মানুষের সেবা করে যান। তাদের হাতেই বাস্তব রূপ পায় হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)-এর স্বপ্ন—একটি সহমর্মী, ঈমানদার ও মানবিক সমাজ। সেবা কেবল কয়েকজনের দায়িত্ব নয়, এটি পুরো উম্মাহর আমানত।

আপনার দোয়া, আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা, আপনার একটি ছোট অংশগ্রহণ—হতে পারে কারো বেঁচে থাকার অবলম্বন, কারো ঈমান ফিরে পাওয়ার কারণ।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি সেবা ফাউন্ডেশন কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি একটি দাওয়াত, একটি আন্দোলন, একটি মানবিক চেতনার নাম। মানবতার সেবায়, দ্বীনের দাওয়াতে, আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে—এই কাফেলায় আপনিও শামিল হোন। খিদমতেই হোক আমাদের ইবাদত। মানবতাই হোক আমাদের পরিচয়।

সভাপতি মনে করেন, “মানুষের কষ্ট লাঘব করতে পারাই একজন মুমিনের প্রকৃত দায়িত্ব।” তাঁর স্বপ্ন—একটি এমন সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে ক্ষুধার্ত মানুষ ক্ষুধায় কাঁদবে না । অসুস্থ মানুষ চিকিৎসার অভাবে মরবে না এতিম ও অসহায়রা অবহেলিত হবে না। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই তিনি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে মানবিক সেবার কাজে নিয়োজিত রেখেছেন।

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় নিউজ

তসলিমা আক্তার শিলা নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে ঢাকা গেছেন

হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন যেনো সমাজসেবার এক উজ্জল নক্ষত্র

Update Time : ০২:০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

…মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক, সভাপতি, হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন।

ইমদাদুল হক তৈয়ব:

মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক একজন দ্বীনদার আলেম, সমাজসেবক ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। ইসলামী জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর জীবনের প্রধান ব্রত। তিনি বিশ্বাস করেন—ইলম তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

নীরবতা, বিনয় ও আমানতদারিতা তাঁর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে তিনি কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাঁর নেতৃত্বে হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন আজ একটি বিশ্বাসযোগ্য মানবিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।

যে সমাজে মানুষ মানুষকে ভুলে যায়, যে সময়ে স্বার্থ মানবতাকে গ্রাস করে—ঠিক সেই অন্ধকার সময়ে কিছু মানুষ জন্ম নেন আলো হয়ে, কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে দয়ার মিনার হয়ে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, দরদী রাহবার হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন তেমনই এক আলোকিত মানুষ—যার জীবন ছিল ইমান, ইখলাস ও মানবসেবার এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত।

তাঁর সেই অমর আদর্শ, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও আল্লাহভীরু জীবনবোধকে হৃদয়ে ধারণ করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি সেবা সংস্থা—একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, সম্পূর্ণ মানবিক কল্যাণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান।

খিদমত—ইবাদতেরই আরেক নাম, হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) আজীবন শিখিয়েছেন— “ক্ষুধার্তের মুখে অন্ন তুলে দেওয়াই সবচেয়ে বড় নফল ইবাদত।”

এই বাণীকেই পাথেয় করে সেবা সংস্থাটি সমাজের প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে।

যে ঘরে চুলা জ্বলে না, যে মায়ের চোখে কান্না, যে শিশুর পেটে ক্ষুধা—সেই ঘরেই ছুটে যায় এই সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকেরা। নিয়মিত খাদ্য সহায়তা, রমজানে ইফতার ও সাহরি বিতরণ, কোরবানির সময় অসহায়দের মাঝে গোশত পৌঁছে দেওয়া—এসব কার্যক্রম আজ তাদের পরিচয়ের অংশ।

ফাউন্ডেশনের পরিচিতি:

হাফেজ্জী হুজুর সেবা ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি মানবসেবা, দ্বীনি মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে কেন্দ্র করে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য:

অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তার মাধ্যমে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা, দ্বীনি ও নৈতিক চেতনায় সমাজকে উদ্ভোদ্ধ করা। এই ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে—সেবাই সবচেয়ে বড় ইবাদত এবং মানবতাই সর্বোচ্চ পরিচয়।

প্রধান কার্যক্রম: দরিদ্র ও অসহায়দের খাদ্য সহায়তা, শীতবস্ত্র ও মৌসুমি সহায়তা, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, এতিম, বিধবা ও অসহায় নারীদের পাশে দাঁড়ানো, দুর্যোগকালীন ত্রাণ কার্যক্রম, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি ইদ্যাদি।

শীতের রাতে উষ্ণতা, দুর্যোগে আশ্রয়:

শীতের হিমেল রাতে যখন অসহায় মানুষ কাঁপে, তখন শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হয় হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) সেবা সংস্থা। বন্যা, অগ্নিকাণ্ড, ঝড় বা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে ঘরের চাল, খাবার ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়াও তাদের নীরব অথচ গর্বিত ভূমিকা।

এই সংস্থা বিশ্বাস করে—মানুষের বিপদই আমাদের দাওয়াতের ময়দান।

 

অসুস্থের পাশে দাঁড়ানো—সবচেয়ে বড় মানবিকতা:

চিকিৎসার অভাবে যে মানুষটি ধুঁকছে, যে রোগী শুধু টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছে না—তাদের জন্য এই সংস্থা হয়ে ওঠে আশার শেষ ঠিকানা।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, দরিদ্র রোগীদের ওষুধ সহায়তা, জরুরি অপারেশন ও চিকিৎসা ব্যয়ে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে সংস্থাটি অসংখ্য পরিবারের চোখের জল মুছে দিয়েছে।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) বলতেন—“একজন রোগীর সেবা করা মানে আল্লাহর এক বান্দার পাশে দাঁড়ানো।”

শিক্ষা ও দীনী চেতনায় সমাজ গঠন:

এই সেবা সংস্থা শুধু ক্ষুধা বা রোগ সারায় না—বরং মানুষের মন ও চরিত্র গঠনের দাওয়াতও দেয়। দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় সহায়তা, মাদরাসা ও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান, কুরআন-হাদিসভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তারা একটি নৈতিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে।

এই সংস্থার সবচেয়ে বড় সম্পদ তার স্বেচ্ছাসেবকেরা—যারা নাম-যশের লোভ ছাড়াই আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মানুষের সেবা করে যান। তাদের হাতেই বাস্তব রূপ পায় হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)-এর স্বপ্ন—একটি সহমর্মী, ঈমানদার ও মানবিক সমাজ। সেবা কেবল কয়েকজনের দায়িত্ব নয়, এটি পুরো উম্মাহর আমানত।

আপনার দোয়া, আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা, আপনার একটি ছোট অংশগ্রহণ—হতে পারে কারো বেঁচে থাকার অবলম্বন, কারো ঈমান ফিরে পাওয়ার কারণ।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি সেবা ফাউন্ডেশন কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি একটি দাওয়াত, একটি আন্দোলন, একটি মানবিক চেতনার নাম। মানবতার সেবায়, দ্বীনের দাওয়াতে, আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে—এই কাফেলায় আপনিও শামিল হোন। খিদমতেই হোক আমাদের ইবাদত। মানবতাই হোক আমাদের পরিচয়।

সভাপতি মনে করেন, “মানুষের কষ্ট লাঘব করতে পারাই একজন মুমিনের প্রকৃত দায়িত্ব।” তাঁর স্বপ্ন—একটি এমন সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে ক্ষুধার্ত মানুষ ক্ষুধায় কাঁদবে না । অসুস্থ মানুষ চিকিৎসার অভাবে মরবে না এতিম ও অসহায়রা অবহেলিত হবে না। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই তিনি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে মানবিক সেবার কাজে নিয়োজিত রেখেছেন।