Dhaka ০৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
কর্মজীবনে চাকরি নয়, আত্মউন্নয়নই হোক লক্ষ্য নরসিংদীতে মু’ক্তিপ’ণ আদায় চ’ক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার” নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষ যে পরিবর্তন চেয়েছিল, তা পাওয়া যায়নি: মিয়া গোলাম পরওয়ার সেপ্টেম্বরেই মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার, নেওয়া হবে ২ লাখ শ্রমিক এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে তথ্য সংশোধনের সুযোগ, নতুন আবেদনের সময় ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: আমির খসরু জামায়াতের কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের আশঙ্কা, দাবি রাশেদ খাঁনের নেপালে বন্যায় ভয়াবহ বিপর্যয়, মৃত ৭৩৪; নিখোঁজ প্রায় আড়াই হাজার ৬১ দিনের গুমের স্মৃতি, বর্ণনা দিতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুমের বিচার নিশ্চিত করতে বিশ্বসম্প্রদায়ের পাশে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন যেনো সমাজসেবার এক উজ্জল নক্ষত্র

  • Reporter Name
  • সময়: ০২:০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৫২ Time View

 

…মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক, সভাপতি, হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন।

ইমদাদুল হক তৈয়ব:

মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক একজন দ্বীনদার আলেম, সমাজসেবক ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। ইসলামী জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর জীবনের প্রধান ব্রত। তিনি বিশ্বাস করেন—ইলম তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

নীরবতা, বিনয় ও আমানতদারিতা তাঁর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে তিনি কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাঁর নেতৃত্বে হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন আজ একটি বিশ্বাসযোগ্য মানবিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।

যে সমাজে মানুষ মানুষকে ভুলে যায়, যে সময়ে স্বার্থ মানবতাকে গ্রাস করে—ঠিক সেই অন্ধকার সময়ে কিছু মানুষ জন্ম নেন আলো হয়ে, কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে দয়ার মিনার হয়ে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, দরদী রাহবার হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন তেমনই এক আলোকিত মানুষ—যার জীবন ছিল ইমান, ইখলাস ও মানবসেবার এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত।

তাঁর সেই অমর আদর্শ, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও আল্লাহভীরু জীবনবোধকে হৃদয়ে ধারণ করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি সেবা সংস্থা—একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, সম্পূর্ণ মানবিক কল্যাণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান।

খিদমত—ইবাদতেরই আরেক নাম, হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) আজীবন শিখিয়েছেন— “ক্ষুধার্তের মুখে অন্ন তুলে দেওয়াই সবচেয়ে বড় নফল ইবাদত।”

এই বাণীকেই পাথেয় করে সেবা সংস্থাটি সমাজের প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে।

যে ঘরে চুলা জ্বলে না, যে মায়ের চোখে কান্না, যে শিশুর পেটে ক্ষুধা—সেই ঘরেই ছুটে যায় এই সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকেরা। নিয়মিত খাদ্য সহায়তা, রমজানে ইফতার ও সাহরি বিতরণ, কোরবানির সময় অসহায়দের মাঝে গোশত পৌঁছে দেওয়া—এসব কার্যক্রম আজ তাদের পরিচয়ের অংশ।

ফাউন্ডেশনের পরিচিতি:

হাফেজ্জী হুজুর সেবা ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি মানবসেবা, দ্বীনি মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে কেন্দ্র করে কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সমালোচনা থামাতে আইনি নোটিশ? ‘টক্সিক’ ঘিরে নতুন বিতর্কে যশ

প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য:

অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তার মাধ্যমে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা, দ্বীনি ও নৈতিক চেতনায় সমাজকে উদ্ভোদ্ধ করা। এই ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে—সেবাই সবচেয়ে বড় ইবাদত এবং মানবতাই সর্বোচ্চ পরিচয়।

প্রধান কার্যক্রম: দরিদ্র ও অসহায়দের খাদ্য সহায়তা, শীতবস্ত্র ও মৌসুমি সহায়তা, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, এতিম, বিধবা ও অসহায় নারীদের পাশে দাঁড়ানো, দুর্যোগকালীন ত্রাণ কার্যক্রম, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি ইদ্যাদি।

শীতের রাতে উষ্ণতা, দুর্যোগে আশ্রয়:

শীতের হিমেল রাতে যখন অসহায় মানুষ কাঁপে, তখন শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হয় হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) সেবা সংস্থা। বন্যা, অগ্নিকাণ্ড, ঝড় বা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে ঘরের চাল, খাবার ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়াও তাদের নীরব অথচ গর্বিত ভূমিকা।

এই সংস্থা বিশ্বাস করে—মানুষের বিপদই আমাদের দাওয়াতের ময়দান।

 

অসুস্থের পাশে দাঁড়ানো—সবচেয়ে বড় মানবিকতা:

চিকিৎসার অভাবে যে মানুষটি ধুঁকছে, যে রোগী শুধু টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছে না—তাদের জন্য এই সংস্থা হয়ে ওঠে আশার শেষ ঠিকানা।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, দরিদ্র রোগীদের ওষুধ সহায়তা, জরুরি অপারেশন ও চিকিৎসা ব্যয়ে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে সংস্থাটি অসংখ্য পরিবারের চোখের জল মুছে দিয়েছে।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) বলতেন—“একজন রোগীর সেবা করা মানে আল্লাহর এক বান্দার পাশে দাঁড়ানো।”

শিক্ষা ও দীনী চেতনায় সমাজ গঠন:

এই সেবা সংস্থা শুধু ক্ষুধা বা রোগ সারায় না—বরং মানুষের মন ও চরিত্র গঠনের দাওয়াতও দেয়। দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় সহায়তা, মাদরাসা ও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান, কুরআন-হাদিসভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তারা একটি নৈতিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে।

এই সংস্থার সবচেয়ে বড় সম্পদ তার স্বেচ্ছাসেবকেরা—যারা নাম-যশের লোভ ছাড়াই আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মানুষের সেবা করে যান। তাদের হাতেই বাস্তব রূপ পায় হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)-এর স্বপ্ন—একটি সহমর্মী, ঈমানদার ও মানবিক সমাজ। সেবা কেবল কয়েকজনের দায়িত্ব নয়, এটি পুরো উম্মাহর আমানত।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের শুভেচ্ছা

আপনার দোয়া, আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা, আপনার একটি ছোট অংশগ্রহণ—হতে পারে কারো বেঁচে থাকার অবলম্বন, কারো ঈমান ফিরে পাওয়ার কারণ।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি সেবা ফাউন্ডেশন কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি একটি দাওয়াত, একটি আন্দোলন, একটি মানবিক চেতনার নাম। মানবতার সেবায়, দ্বীনের দাওয়াতে, আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে—এই কাফেলায় আপনিও শামিল হোন। খিদমতেই হোক আমাদের ইবাদত। মানবতাই হোক আমাদের পরিচয়।

সভাপতি মনে করেন, “মানুষের কষ্ট লাঘব করতে পারাই একজন মুমিনের প্রকৃত দায়িত্ব।” তাঁর স্বপ্ন—একটি এমন সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে ক্ষুধার্ত মানুষ ক্ষুধায় কাঁদবে না । অসুস্থ মানুষ চিকিৎসার অভাবে মরবে না এতিম ও অসহায়রা অবহেলিত হবে না। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই তিনি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে মানবিক সেবার কাজে নিয়োজিত রেখেছেন।

 

 

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

কর্মজীবনে চাকরি নয়, আত্মউন্নয়নই হোক লক্ষ্য

হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন যেনো সমাজসেবার এক উজ্জল নক্ষত্র

সময়: ০২:০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

…মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক, সভাপতি, হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন।

ইমদাদুল হক তৈয়ব:

মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক একজন দ্বীনদার আলেম, সমাজসেবক ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। ইসলামী জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর জীবনের প্রধান ব্রত। তিনি বিশ্বাস করেন—ইলম তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

নীরবতা, বিনয় ও আমানতদারিতা তাঁর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে তিনি কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাঁর নেতৃত্বে হাফেজ্জী হুজুর রহ: সেবা ফাউন্ডেশন আজ একটি বিশ্বাসযোগ্য মানবিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।

যে সমাজে মানুষ মানুষকে ভুলে যায়, যে সময়ে স্বার্থ মানবতাকে গ্রাস করে—ঠিক সেই অন্ধকার সময়ে কিছু মানুষ জন্ম নেন আলো হয়ে, কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে দয়ার মিনার হয়ে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, দরদী রাহবার হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন তেমনই এক আলোকিত মানুষ—যার জীবন ছিল ইমান, ইখলাস ও মানবসেবার এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত।

তাঁর সেই অমর আদর্শ, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও আল্লাহভীরু জীবনবোধকে হৃদয়ে ধারণ করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি সেবা সংস্থা—একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, সম্পূর্ণ মানবিক কল্যাণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান।

খিদমত—ইবাদতেরই আরেক নাম, হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) আজীবন শিখিয়েছেন— “ক্ষুধার্তের মুখে অন্ন তুলে দেওয়াই সবচেয়ে বড় নফল ইবাদত।”

এই বাণীকেই পাথেয় করে সেবা সংস্থাটি সমাজের প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে।

যে ঘরে চুলা জ্বলে না, যে মায়ের চোখে কান্না, যে শিশুর পেটে ক্ষুধা—সেই ঘরেই ছুটে যায় এই সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকেরা। নিয়মিত খাদ্য সহায়তা, রমজানে ইফতার ও সাহরি বিতরণ, কোরবানির সময় অসহায়দের মাঝে গোশত পৌঁছে দেওয়া—এসব কার্যক্রম আজ তাদের পরিচয়ের অংশ।

ফাউন্ডেশনের পরিচিতি:

হাফেজ্জী হুজুর সেবা ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি মানবসেবা, দ্বীনি মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে কেন্দ্র করে কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  কপ-১৭ ঘিরে চার দেশের সঙ্গে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতার আলোচনা

প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য:

অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তার মাধ্যমে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা, দ্বীনি ও নৈতিক চেতনায় সমাজকে উদ্ভোদ্ধ করা। এই ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে—সেবাই সবচেয়ে বড় ইবাদত এবং মানবতাই সর্বোচ্চ পরিচয়।

প্রধান কার্যক্রম: দরিদ্র ও অসহায়দের খাদ্য সহায়তা, শীতবস্ত্র ও মৌসুমি সহায়তা, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, এতিম, বিধবা ও অসহায় নারীদের পাশে দাঁড়ানো, দুর্যোগকালীন ত্রাণ কার্যক্রম, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি ইদ্যাদি।

শীতের রাতে উষ্ণতা, দুর্যোগে আশ্রয়:

শীতের হিমেল রাতে যখন অসহায় মানুষ কাঁপে, তখন শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হয় হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) সেবা সংস্থা। বন্যা, অগ্নিকাণ্ড, ঝড় বা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে ঘরের চাল, খাবার ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়াও তাদের নীরব অথচ গর্বিত ভূমিকা।

এই সংস্থা বিশ্বাস করে—মানুষের বিপদই আমাদের দাওয়াতের ময়দান।

 

অসুস্থের পাশে দাঁড়ানো—সবচেয়ে বড় মানবিকতা:

চিকিৎসার অভাবে যে মানুষটি ধুঁকছে, যে রোগী শুধু টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছে না—তাদের জন্য এই সংস্থা হয়ে ওঠে আশার শেষ ঠিকানা।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, দরিদ্র রোগীদের ওষুধ সহায়তা, জরুরি অপারেশন ও চিকিৎসা ব্যয়ে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে সংস্থাটি অসংখ্য পরিবারের চোখের জল মুছে দিয়েছে।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) বলতেন—“একজন রোগীর সেবা করা মানে আল্লাহর এক বান্দার পাশে দাঁড়ানো।”

শিক্ষা ও দীনী চেতনায় সমাজ গঠন:

এই সেবা সংস্থা শুধু ক্ষুধা বা রোগ সারায় না—বরং মানুষের মন ও চরিত্র গঠনের দাওয়াতও দেয়। দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় সহায়তা, মাদরাসা ও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান, কুরআন-হাদিসভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তারা একটি নৈতিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে।

এই সংস্থার সবচেয়ে বড় সম্পদ তার স্বেচ্ছাসেবকেরা—যারা নাম-যশের লোভ ছাড়াই আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মানুষের সেবা করে যান। তাদের হাতেই বাস্তব রূপ পায় হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)-এর স্বপ্ন—একটি সহমর্মী, ঈমানদার ও মানবিক সমাজ। সেবা কেবল কয়েকজনের দায়িত্ব নয়, এটি পুরো উম্মাহর আমানত।

আরও পড়ুনঃ  ডিসেম্বরে স্থানীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ, সেপ্টেম্বরে তফসিল দেওয়ার প্রস্তুতি

আপনার দোয়া, আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা, আপনার একটি ছোট অংশগ্রহণ—হতে পারে কারো বেঁচে থাকার অবলম্বন, কারো ঈমান ফিরে পাওয়ার কারণ।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহমতুল্লাহি আলাইহি সেবা ফাউন্ডেশন কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি একটি দাওয়াত, একটি আন্দোলন, একটি মানবিক চেতনার নাম। মানবতার সেবায়, দ্বীনের দাওয়াতে, আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে—এই কাফেলায় আপনিও শামিল হোন। খিদমতেই হোক আমাদের ইবাদত। মানবতাই হোক আমাদের পরিচয়।

সভাপতি মনে করেন, “মানুষের কষ্ট লাঘব করতে পারাই একজন মুমিনের প্রকৃত দায়িত্ব।” তাঁর স্বপ্ন—একটি এমন সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে ক্ষুধার্ত মানুষ ক্ষুধায় কাঁদবে না । অসুস্থ মানুষ চিকিৎসার অভাবে মরবে না এতিম ও অসহায়রা অবহেলিত হবে না। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই তিনি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে মানবিক সেবার কাজে নিয়োজিত রেখেছেন।