Dhaka ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
জলজ প্রাণী রক্ষায় মাঠে পুলিশ, নদীগুলোতে কারেন্ট শকে মাছ শিকারের সরঞ্জাম জব্দ পরিবহণ মালিক সমিতির সাথে মতবিনিময় সভা Responding to Technology-Facilitated Violence (GBV) Against Women and Girls শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা নরসিংদীর শিবপুরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের সফট স্কিল ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্ধোধন টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে ১১ লাখ টাকা ছিনতাই ও মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে- সিআইডি তল্লাশি গোদাগাড়ী মডেল থানায় নেই লাশবাহী গাড়ি মহাসড়কে প্রতিনিয়ত ঝরছে প্রাণ চরম ভোগান্তিতে ভুক্তভোগী ও পুলিশ প্রথম শ্রেণির পৌরসভা, কর্মচারী মাত্র ২১| সান্তাহারে নাগরিক সেবা এখন ভাগ্যের ওপর প্রথম শ্রেণির পৌরসভা, কর্মচারী মাত্র ২১| সান্তাহারে নাগরিক সেবা এখন ভাগ্যের ওপর কালিগঞ্জে কৃষাণীদের মাঝে ক্ষুদ্র বীজ উদ্যোগের প্রারম্ভিক অনুদানের খরচের চেক বিতরণ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

১ কিলোমিটার হেরিং রাস্তায় ৮১ লাখ টাকা বরাদ্দ, ঠিকাদার ও পিআইও যোগ সাজোসে নির্মাণ কাজে ফাঁকি

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৪৬ Time View

ফয়সাল রহমান , গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অধিদপ্তরের আওতায় এইচবিবি (হেরিং বোন বন্ড রোড) রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বর্ষার বৃষ্টির ভয়ে মানুষ যখন মাঠের ধান কেটে ঘরে নিতে ও ধান মাড়াইসহ শুকানসহ বিভিন্ন কৃষি কাজে ব্যস্ত, ঠিক তখনি দ্রুত সময়ে নিম্ন মানের ইট ও স্থানীয় নদী থেকে তোলা কাদা যুক্ত বালি দিয়ে ভরাট করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার ও উপজেলা পিআইও অফিসারের যোগ সাজোসে অনিয়ম করা হচ্ছে। বারবার বাধা দিয়েও মিলছেনা কোনো প্রতিকার।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের সামির উদ্দিনের বাড় হতে আলাই নদী পর্যন্ত ১ হাজার মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ মিটার প্রস্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অধিদপ্তরের আওতায় এইচবিবি (হেরিং বোন বন্ড রোড) রাস্তাটি নির্মাণ চলছে। এ রাস্তার ব্যয় ধরা হয়েছে ৮১ লাখ ৬৮ হাজার ৮শ ৪৮ টাকা। যা প্রতি স্কয়ার মিটারের খরচ ২ হাজার ৭শ ২২.৯৪ টাকা। এই রাস্তা নির্মাণে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার নিম্ন মানের ইট ব্যবহার, বাঙ্গালী নদী থেকে তোলা ময়লা যুক্ত বালি বেডে ফেলে কোনো প্রকার কম্প্যাকশন ছাড়া মজবুত না করেই ইটের সলিং বসিয়ে বালি দিয়ে ঢেকে দেয়ার অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয় যুবক সাকিব আল হাসান জানান, ভেকু দিয়ে রাস্তার মাটি খনন করে মাটি সমান না করেই বালি ফেলানো হয়েছে। ইটগুলো অনেক ফাঁকা ফাঁকা করে বাসানো হয়েছে। মানুষ যাতে বুঝতে না পারে তাই তারা তারি করে বালি দিয়ে ঢেকে দেয়া হচ্ছে। এই রাস্তাটি ১ বছর যেতে না যেতেই ধসে যাবে।

স্থানীয় যুবক সাজু মিয়া জানান, অনেক আশা ছিল বাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা হবে। কিন্তু রাস্তা হলেও কাজের মান ভালো না। গোলে মালে চলছে কাজ । আমরা বাধা দিলেও কোন কাজ হয় না। কে শোনে কার কথা?

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উদ্যেগে কার্য নির্বাহী সদস্য মরহুম আব্দুল হামিদ খান সহ সকল মৃত ব্যাক্তিদের স্মরণে আলোচনা ও মিলাদ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে

সবজি বিক্রেতা ছায়দার রহমান জানান, এই রাস্তাটির আগের রাস্তার চেয়েও নিচু করা হরা হয়েছে। অথচ রাস্তাটি ২/৩ ফুট উঁচু করার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদার সরকারি লোকজন গোলে মালে কাজটি করছেন। এভাবে কাজটি করা পর পরে দ্রুত সময়েই রাস্তার ইটগুলো খুলে পরবে তখন ইটগুলো লুটপাট হবে।
অনন্তপুর গ্রামের কলেজ ছাত্র কাদের আলী জানান, বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সরকার যখন দেশকে এগিয়ে নিতে ব্যস্তি ঠিক তখনি কিছু কিছু সরকারি অফিসার ও ঠিকাদার কাজের নামে লুটপাটে ব্যস্ত। আমরা এই রাস্তার যেটুকু নির্মাণ করা হয়েছে সেই টুকুর তদন্ত করতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
কৃষি জীবি শ্রমিক আব্দুর রহমান জানান, এই রাস্তাটি অল্প বৃষ্টিতেই ধ্বসে যাবে। কারন কাজে অনিয়ম করা হয়েছে। স্থানীয় কোন লেবার নেয়া হয়নি। অন্য উপজেলার লেবার দিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো খুব দ্রুত কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় লোকজনকে বুঝতেই দিচ্ছে না । ইটগুলো ফাঁকা ফাঁকি করে বসানো হয়েছে। আর মানুষ যেন ট্রের না পায় তাই খুব ভোরে কাজ শুরু করে। সরকারি অফিসের লোকজন বা স্থানীয়রা যেন কাজের মান দেখতে না পায় তাই বালু দিয়ে দ্রুত ঢেকে দেয়া হয়।

কলেজ ছাত্র আশরাফুল ইসলাম জানান, এই রাস্তাটিতে যে ভাবে কাজ করা হচ্ছে তাতে বছর যেতে না যেতেই আগের মতোই হবে, নদীর পাশের গ্রাম হিসাবে কাজ ভালো করে করার কথা থাকলেও গোলে মালে চলছে কাজ ।
নামপ্রকাশের অনিচ্ছিুক এক সাঘাটা উপজেলার এক ইউপি সদস্য জানান, সাঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া কোন প্রকল্প পাশ বা তালিকা প্রেরণ করেন না এই কর্মকর্তার অপসারণ চাই।
সাঘাটার কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার জানান, আমি অনেক বার বলেছি, কাজটি ভালো ভাবে করার জন্য। ঠিকাদার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের লোকজন কথা শোনেনা । নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে, এই রাস্তাটি করা হচ্ছে। আমরা সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। রাস্তার বেড কাটা, মাটি ভরাট করার পরে আর্দ্রতা পরীক্ষা করে রাস্তাটি কমপ্যাকশন করে মজবুত করার কথা থাকলেও কাজটি গোলে মালে চলছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
নির্মাণ কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাসেম ট্রেডার্স এর দায়িত্বেরত ঠিকাদার মো: রেজাইল ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি না হয়ে উল্টো রাস্তার ভিডিও করে প্রশাসনকে দেখাতে বলেছেন।

আরও পড়ুনঃ  ৯ বছর ধরে নিখোঁজ স্বামী! ফেসবুকে ছবি দেখে থানায় স্ত্রী, সেঞ্চুরি মোটেল মৃত্যুকাণ্ডে নতুন রহস্য!

পিআইও অফিসের কার্যসহকারী আপেল মাহমুদ জানান. আমি আসার পরে নিম্ন মানের ইটগুলো সরিয়ে রাখা হয়েছে। এসব কাজে একটু ভুলত্রুটি হয়ই। স্থানীয়দের অভিযোগ আমলে নিয়ে নিয়মের মধ্যে করার করানোর হবে।

সাঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায় কর্মকর্তার মো: মেহেদী হাসানের সাক্ষাৎকার নিতে অফিসে একাধিকবার …

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

জলজ প্রাণী রক্ষায় মাঠে পুলিশ, নদীগুলোতে কারেন্ট শকে মাছ শিকারের সরঞ্জাম জব্দ

১ কিলোমিটার হেরিং রাস্তায় ৮১ লাখ টাকা বরাদ্দ, ঠিকাদার ও পিআইও যোগ সাজোসে নির্মাণ কাজে ফাঁকি

সময়: ০৯:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

ফয়সাল রহমান , গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অধিদপ্তরের আওতায় এইচবিবি (হেরিং বোন বন্ড রোড) রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বর্ষার বৃষ্টির ভয়ে মানুষ যখন মাঠের ধান কেটে ঘরে নিতে ও ধান মাড়াইসহ শুকানসহ বিভিন্ন কৃষি কাজে ব্যস্ত, ঠিক তখনি দ্রুত সময়ে নিম্ন মানের ইট ও স্থানীয় নদী থেকে তোলা কাদা যুক্ত বালি দিয়ে ভরাট করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার ও উপজেলা পিআইও অফিসারের যোগ সাজোসে অনিয়ম করা হচ্ছে। বারবার বাধা দিয়েও মিলছেনা কোনো প্রতিকার।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের সামির উদ্দিনের বাড় হতে আলাই নদী পর্যন্ত ১ হাজার মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ মিটার প্রস্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অধিদপ্তরের আওতায় এইচবিবি (হেরিং বোন বন্ড রোড) রাস্তাটি নির্মাণ চলছে। এ রাস্তার ব্যয় ধরা হয়েছে ৮১ লাখ ৬৮ হাজার ৮শ ৪৮ টাকা। যা প্রতি স্কয়ার মিটারের খরচ ২ হাজার ৭শ ২২.৯৪ টাকা। এই রাস্তা নির্মাণে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার নিম্ন মানের ইট ব্যবহার, বাঙ্গালী নদী থেকে তোলা ময়লা যুক্ত বালি বেডে ফেলে কোনো প্রকার কম্প্যাকশন ছাড়া মজবুত না করেই ইটের সলিং বসিয়ে বালি দিয়ে ঢেকে দেয়ার অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয় যুবক সাকিব আল হাসান জানান, ভেকু দিয়ে রাস্তার মাটি খনন করে মাটি সমান না করেই বালি ফেলানো হয়েছে। ইটগুলো অনেক ফাঁকা ফাঁকা করে বাসানো হয়েছে। মানুষ যাতে বুঝতে না পারে তাই তারা তারি করে বালি দিয়ে ঢেকে দেয়া হচ্ছে। এই রাস্তাটি ১ বছর যেতে না যেতেই ধসে যাবে।

স্থানীয় যুবক সাজু মিয়া জানান, অনেক আশা ছিল বাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা হবে। কিন্তু রাস্তা হলেও কাজের মান ভালো না। গোলে মালে চলছে কাজ । আমরা বাধা দিলেও কোন কাজ হয় না। কে শোনে কার কথা?

আরও পড়ুনঃ  পাবনায় চাটমোহর পৌরসভার প্রকৌশলীদের অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সবজি বিক্রেতা ছায়দার রহমান জানান, এই রাস্তাটির আগের রাস্তার চেয়েও নিচু করা হরা হয়েছে। অথচ রাস্তাটি ২/৩ ফুট উঁচু করার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদার সরকারি লোকজন গোলে মালে কাজটি করছেন। এভাবে কাজটি করা পর পরে দ্রুত সময়েই রাস্তার ইটগুলো খুলে পরবে তখন ইটগুলো লুটপাট হবে।
অনন্তপুর গ্রামের কলেজ ছাত্র কাদের আলী জানান, বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সরকার যখন দেশকে এগিয়ে নিতে ব্যস্তি ঠিক তখনি কিছু কিছু সরকারি অফিসার ও ঠিকাদার কাজের নামে লুটপাটে ব্যস্ত। আমরা এই রাস্তার যেটুকু নির্মাণ করা হয়েছে সেই টুকুর তদন্ত করতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
কৃষি জীবি শ্রমিক আব্দুর রহমান জানান, এই রাস্তাটি অল্প বৃষ্টিতেই ধ্বসে যাবে। কারন কাজে অনিয়ম করা হয়েছে। স্থানীয় কোন লেবার নেয়া হয়নি। অন্য উপজেলার লেবার দিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো খুব দ্রুত কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় লোকজনকে বুঝতেই দিচ্ছে না । ইটগুলো ফাঁকা ফাঁকি করে বসানো হয়েছে। আর মানুষ যেন ট্রের না পায় তাই খুব ভোরে কাজ শুরু করে। সরকারি অফিসের লোকজন বা স্থানীয়রা যেন কাজের মান দেখতে না পায় তাই বালু দিয়ে দ্রুত ঢেকে দেয়া হয়।

কলেজ ছাত্র আশরাফুল ইসলাম জানান, এই রাস্তাটিতে যে ভাবে কাজ করা হচ্ছে তাতে বছর যেতে না যেতেই আগের মতোই হবে, নদীর পাশের গ্রাম হিসাবে কাজ ভালো করে করার কথা থাকলেও গোলে মালে চলছে কাজ ।
নামপ্রকাশের অনিচ্ছিুক এক সাঘাটা উপজেলার এক ইউপি সদস্য জানান, সাঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া কোন প্রকল্প পাশ বা তালিকা প্রেরণ করেন না এই কর্মকর্তার অপসারণ চাই।
সাঘাটার কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার জানান, আমি অনেক বার বলেছি, কাজটি ভালো ভাবে করার জন্য। ঠিকাদার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের লোকজন কথা শোনেনা । নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে, এই রাস্তাটি করা হচ্ছে। আমরা সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। রাস্তার বেড কাটা, মাটি ভরাট করার পরে আর্দ্রতা পরীক্ষা করে রাস্তাটি কমপ্যাকশন করে মজবুত করার কথা থাকলেও কাজটি গোলে মালে চলছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
নির্মাণ কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাসেম ট্রেডার্স এর দায়িত্বেরত ঠিকাদার মো: রেজাইল ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি না হয়ে উল্টো রাস্তার ভিডিও করে প্রশাসনকে দেখাতে বলেছেন।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত

পিআইও অফিসের কার্যসহকারী আপেল মাহমুদ জানান. আমি আসার পরে নিম্ন মানের ইটগুলো সরিয়ে রাখা হয়েছে। এসব কাজে একটু ভুলত্রুটি হয়ই। স্থানীয়দের অভিযোগ আমলে নিয়ে নিয়মের মধ্যে করার করানোর হবে।

সাঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায় কর্মকর্তার মো: মেহেদী হাসানের সাক্ষাৎকার নিতে অফিসে একাধিকবার …