
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়ার গ্রামে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে মরিচা ইনিউয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলামসহ একই গ্রামের নারীসহ অন্তত: ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বিদ্যুৎহীন অন্ধকারের মধ্যে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে মাজদিয়ার মাদ্রাসাপাড়া গ্রামে বিদ্যুৎবিহীন অন্ধকারের মধ্যেই ওত পেতে থাকা একদল সশস্ত্র দূর্বত্ত দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ রবিউল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালায়।
কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা বাড়ির সদস্যদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালায়।
হামলায় আহত গুলিবিদ্ধরা হলেন—
মাজদিয়ার গ্রামের হাফেজ প্রামাণিকের ছেলে ও ৪ নং মরিচা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম। একই গ্রামের সাহাজ প্রামাণিকের ছেলে কামু, কটা প্রামাণিকের ছেলে রানা, জাকায়াত প্রামাণিকের ছেলে হাফেজ প্রামাণিক, রানার স্ত্রী তমা খাতুন, রুমনের স্ত্রী রুনা, রাকিব ডাক্তারের স্ত্রী মুন্নী।
হামলার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই বর্বরোচিত হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আহতের ভাতিজা মেহেদী হাসান জানান, “রাতে কারেন্ট চলে যাওয়ার পরপরই হঠাৎ করে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আতঙ্ক সৃষ্টি করে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা আমাদের পরিবারের নারী-পুরুষ সবাইকে নির্বিচারে আঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে প্রায় ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।”
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার এস আই সৈকত বিশ্বাস জানান, রাতে মরিচাতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে সবাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। বিষয়টি তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।
Reporter Name 























