
মতিউর রহমান,সরিষাবাড়ি:
বিএনপি”র সাবেক মহা সচীব,সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী প্রয়াত জনন্দিত নেতা ব্যারিষ্টার আব্দুস সালাম তালুকদার এর ভাতিঝা ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম। ১৯৮৭ ইং সালে মরহুম ব্যারিষ্টার আব্দুস সালাম তালুদার এর হাত ধরে বিএনপিতে (ছাত্রদল) যোগদান। সমসাময়িক কালে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হন সরিষাবাড়ি অনার্স ( সাবেক রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার কলেজ) ছাত্র সংসদের ভিপি। সঠিক ছাত্র নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কর্ম কান্ডে অতিতের সব রেকর্ড ভঙ্গঁ করে লোফে নেন শতবর্ষ সেরা ছাত্র নেতৃত্বের মুকুট।১৯৯০ ইং সনে সরিষাবাড়ি পৌর সভায় বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হন পৌর চেয়ারম্যান।শ্রম মেধার বিকাশ ঘটিয়ে অপদিনেই পৌরবাসির হৃদয়ে জায়গা করে নেন তিনি। বার বার প্রতিদ্বন্দিতা করে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রায় ২৫ বছরকাল পৌরবাসির সেবা করেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াইয়ের পর আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে বিজিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আসিন হয়ে মেয়াদ পূর্তি পর্যন্ত দ্বায়িত্বভার পালন করেন। ২০১৮ ইং সালে সংসদ নির্বাচনে এমপি পদেও তিনি প্রদ্বন্দিতা করেন। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলপ তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
২০২৬ ইং সালে অর্ন্তঃবতি ডঃ ইউনুছ সরকার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরী করায় তিনি বিএনপির দলীয় প্রতিক ধানের শীষের ব্যানারে নির্বাচনে এমপি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলের পর তিনি সরিষাবাড়ির প্রতিটি গ্রাম মহল্লা হাট বাজারে দেশ গঠনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর ৩১ দফা তুলে ধরে নির্বাচনি উঠান বৈঠক করেন এবং ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। তিনি সরিষাবাড়ি মাটি ও মানুষের মাঝে একজন সফল রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেন।গত ১২ ফেব্রুয়ারী-২৬ইং ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার ৮৮ টি ভোট কেন্দ্রে দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিতির পর সরিষাবাড়ি উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও সহঃ রিটার্ণিং অফিসার জ্বনাব তাসনিমুজ্জামান ফলাফল ঘোষণা করেন।ঘোষিত ফলাফলে জানা যায় ১৪১ জাালপুর-৪ সরিষাবাড়ি আসনে বিএনপি প্রার্থী জ্বনাব ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম ধানের শীষ প্রতিকে এক লক্ষ ৪৬ হাজার পাঁচ “শ ৪৬ ভোট পেয়ে বে-সরকারিভাবে বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। তিনি পোষ্টাল ব্যালটেও আট” শ ২০ ভোট পান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বাংলাদেশ জায়াতে ইসলামীর দাঁড়ি পাল্লা প্রতিকে এডভোকেট আব্দুল আওয়াল পেয়েছেন ৪৪ হাজার এক”শ ৬১ ভোট। প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে জানা যায় জ্বনাব ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম জামায়তে ইসলামীর দাঁড়ি পাল্লা প্রতিকের চেয়ে এক লক্ষ দুই হাজার তিন শত পাঁচ ভোট বেশী পেয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
জ্বনাব ফরিদুল কবির তালুকদার ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে থানা/উপজেলা/জেলা বা আঞ্চলিক রাজনীতির ক্ষেত্রেও তাঁর ভূয়সী প্রশংসা বিরাজমান। তিনি বিগত ওয়ান ইলেভেন এবং আওয়ামীগ সরকারের আমলে একাধিক বার কারানির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন।বিগত ১৭ বছরে ব্যাক্তিগত ও দলীয় মামলা মিলিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক মামলার ঘানি বহন করেন। জেল জুলুম আর রাজনৈতিক নির্যাতন ছিলো তাঁর নিত্য দিনের সঙ্গীঁ। তবুও তিনি থেমে যাননি।জামালপুর জেলায় দুইবার জেলা বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হয়ে জেলার ৭টি উপজেলাতে সামনে থেকে দুঃসময়ে নেতৃত্ব দিয়ে সফলতার সাথে বিএনপিকে এগিয়ে নিয়ে যান।তিনি জামালপুর জেলা তথা আঞ্চলিক ভাবে জননেতার খেতাব লোফে নেন।
পরিশ্রমি, কর্মী ও জনবান্ধব লডাকু এ নেতা বহু ঘাত প্রতিঘাত জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও দুঃসময়ে দলীয় নেতা কর্মীদের ফেলে যাননি।অর্থনৈতিক চরম ক্ষতির সম্মুখিনও হয়েছেন তিনি। জনবান্ধব সহিষ্ণু এ নেতার বিপুল ভোটে বিজয়ে সরিষাবাড়ি তথা জামালপুর বিএনপি পরিবারে বইছে স্বস্থির বাতাস। বিএনপির চেয়ারম্যান জ্বনাব তারেক রহমান এর নিকট নেতা-কর্মী,সাধারণ ভোটার ও সচেতন মহলের জোড়ালো প্রাণের দাবী জ্বনাব ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমকে যে কোন দফতরে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী পদে দ্বায়িত্ব প্রদান করে যথাযথ নেতৃত্বের মূল্যায়নের।
ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম মন্ত্রী পদে আসিন হলে জেলা উপজেলা ও আঞ্চলিক পর্য্যায়ে কমবে সহিংসতা বাড়বে উন্নয়ন এবং বিদায় নিবে মাদকের ব্যবহার ও ব্যবসা এমনটি প্রত্যাশা বিজ্ঞ মহলের।
Reporter Name 

























